ভাষার কোন রীতি তৎসম শব্দবহুল?
আবর্তক শব্দগুলো বিশ্লেষণ করলে দেখা যাবে যে, সাধুরীতি শব্দগুলোর মধ্যে তৎসম শব্দের প্রাধান্য বেশি। সাধুরীতি হলো এক ধরনের ভাষার রীতি যা সাধারণভাবে সংস্কৃত ভাষার কাছাকাছি এবং এতে তৎসম শব্দ ব্যবহার করা হয়।
অন্য রীতিগুলোর চেয়ে সাধুরীতি তৎসম শব্দের ব্যবহার বেশি হয়, কারণ এটি উচ্চ সাহিত্যিক রূপগুলোর জন্য ব্যবহৃত হয়।
AI-এর ব্যাখ্যায় ভুল থাকতে পারে।
Related Questions
সংস্কৃত ভাষা থেকে উৎপন্ন ভাষাকে সাধু ভাষা হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- সাধারণ মানুষের মুখের ভাষাকে চলিত ভাষা বলে।
- সাধু রীতিতে সর্বনাম ও ক্রিয়াপদ এক বিশেষ গঠন পদ্ধতি মেনে চলে।
- অপরদিকে, চলিত রীতিতে সর্বনাম ও ক্রিয়াপদ পরিবর্তিত ও সহজতর রূপ লাভ করে।
- তবে সাধু ও চলিত রীতিতে অব্যয় অভিন্নরূপে ব্যবহৃত হয়।
মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের প্রথম নিদর্শন/ প্রথম কাব্য- শ্রীকৃষ্ণকীর্তন।
- শ্রীকৃষ্ণকীর্তন হল বড়ু চণ্ডীদাস রচিত একটি মধ্যযুগীয় বাংলা কাব্য।
- এটি আদি মধ্যযুগীয় তথা প্রাক্-চৈতন্য যুগে বাংলা ভাষায় লেখা একমাত্র আখ্যানকাব্য।
- ১৯০৯ খ্রিস্টাব্দে বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ বাঁকুড়া জেলার কাঁকিল্যা গ্রামের একটি গোয়ালঘর থেকে এই কাব্যের খণ্ডিত পুথিটি আবিষ্কার করেন।
- ১৯১৬ খ্রিস্টাব্দে তাঁরই সম্পাদনায় বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে পুথিটি গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়।
- শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের মূল উপজীব্য রাধা ও কৃষ্ণের প্রণয়কাহিনি।
- কাব্যের প্রধান তিন চরিত্র রাধা, কৃষ্ণ ও বড়ায়ি।
- উল্লেখ্য, মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের শ্রেষ্ঠ নিদর্শন/শ্রেষ্ঠ ফসল- বৈষ্ণব পদাবলি।
- বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন নিদর্শন / আদি নিদর্শন / আদি গ্রন্থ / প্রাচীনতম পদ সংকলন / বাংলা ভাষার প্রাচীনতম সাহিত্য / বাংলা সাহিত্যের প্রথম গ্রন্থ - চর্যাপদ।
বাংলা ভাষার মূল উৎস হচ্ছে প্রাকৃত ভাষা। প্রাকৃত ভাষা বলতে প্রাচীন ভারতীয় উপমহাদেশে লোকমুখে প্রচলিত স্বাভাবিক ভাষাগুলোকে বোঝায়। প্রাকৃত ভাষাগুলো ইন্দো ইউরোপীয় পরিবারের ইন্দো আর্য শাখার প্রাচীন নিদর্শন।
Sentence বা বাক্য হলো a group of words, যা মনের complete thought বা পূর্ণাঙ্গ ভাব প্রকাশ করে। Predicate - বিধেয় ।
জব সলুশন