বাংলাদেশের কোন অঞ্চলের আকস্মিক বন্যা হয়-?
- আকস্মিক পাহাড়ি ঢল অথবা স্বল্প সময়ে সংঘটিত প্রবল বৃষ্টিপাত থেকে কিংবা প্রাকৃতিক অথবা মানবসৃষ্ট বাঁধ ভেঙে সংঘটিত হওয়া বন্যাকে আকস্মিক বন্যা বলে।
- আকস্মিক বন্যা হল শুষ্ক অঞ্চলে সাধারণত-শুষ্ক চ্যানেলে সবচেয়ে সাধারণ বন্যার ধরন।
- এই বন্যা বাংলাদেশের উত্তরের কিছু এলাকা, উত্তর-পূর্ব এবং দক্ষিণ-পূর্বাংশের পাহাড়ি অঞ্চলে ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে হয়ে থাকে।
- এই বন্যার পানি দ্রুত বাড়ে এবং দ্রুতই আবার কমেও যায়।
Related Questions
মায়ানমারের (বার্মা) সাথে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক সীমানা রয়েছে। বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব দিকে মায়ানমারের সাথে প্রায় ২৭১ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি আন্তর্জাতিক সীমানা রয়েছে। মায়ানমার ছাড়াও শুধুমাত্র ভারতের সাথে বাংলাদেশের স্থল সীমানা রয়েছে।
- কুমিল্লা জেলার লালমাই পাহাড় ও উচ্চভূমিতে প্লাইস্টোসিন কালের সোপান দেখা যায়।
- এই সোপানগুলো প্লাইস্টোসিন যুগে পলি জমা হয়ে তৈরি হয়েছিল।
- লালমাই পাহাড়ে ঐতিহাসিক মাইসনামারা বাজার ও লালমাই পাহাড় রিসোর্ট অবস্থিত।
● যে সকল পদার্থকে চৌম্বক ক্ষেত্রে রাখলে পদার্থের মধ্যে দূর্বল চুম্বকত্ব সৃষ্টি হয় এবং এরা চৌম্বক ক্ষেত্র থেকে সরে যায় অর্থাৎ সৃষ্ট চুম্বকায়নের অভিমুখ বহিঃচৌম্বক ক্ষেত্রের অভিমুখের বিপরীত দিকে হয়, এদেরকে ডায়া চৌম্বক পদার্থ বলে। পানি, সোনা, রূপা, তামা, বিসমাথ হলো ডায়া চৌম্বকের উদাহরণ।
● প্যারাচুম্বক হলো- অ্যালুমিনিয়াম, প্লাটিনাম, এন্টিমনি, অক্সিজেন।
● ফেরোচুম্বক হলো- লোহা, ইস্পাত।
DNA ভাইরাসঘটিত রোগ :
(১) স্মলপক্স (গুটিবসন্ত),
(২) চিকেনপক্স (জলবসন্ত)।
RNA ভাইরাসঘটিত রোগ :
(১) কোভিড-১৯,
(২) এইডস,
(৩) হাম,
(৪) পোলিও,
(৫) ডেঙ্গুজ্বর,
(৬) ইনফ্লুয়েঞ্জা,
(৭) মাম্পস,
(৮) বেরিস (জলাতঙ্ক)।
প্রতিটি হৃৎস্পন্দনের সময় হৃৎপিণ্ড সংকুচিত হয় এবং সেই চাপে রক্ত সমগ্র শরীরের ধমনিতে ছড়িয়ে পড়ে। রক্তনালির দেয়ালে এ সময় রক্ত যে চাপ দেয়, এটিই হচ্ছে সিস্টোলিক প্রেশার। আর দুটি হৃৎস্পন্দনের মধ্যবর্তী সময়ে অর্থাৎ হৃৎপিণ্ড যখন শিথিল থাকে, সে সময়ে ধমনির গায়ে রক্তের যে চাপ বিরাজমান থাকে, সেটাই ডায়াস্টোলিক প্রেশার।
কোভিড-১৯ (COVID-19) রোগ সৃষ্টিকারী সার্স-কোভ-২ (SARS-CoV-2) হলো একটি এক-সূত্রক আরএনএ (Single-stranded RNA) ভাইরাস। এটি মূলত এনভেলপড বা আবরণযুক্ত ভাইরাসের অন্তর্ভুক্ত।
জব সলুশন