বাংলাদেশেল কোথায় প্লায়িস্টোসিন কালের সোপান দেখা যায়?

ক) বান্দরবান
খ) কুষ্টিয়া
গ) কুমিল্লা
ঘ) বরিশাল
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:

- কুমিল্লা জেলার লালমাই পাহাড় ও উচ্চভূমিতে প্লাইস্টোসিন কালের সোপান দেখা যায়।
- এই সোপানগুলো প্লাইস্টোসিন যুগে পলি জমা হয়ে তৈরি হয়েছিল।
- লালমাই পাহাড়ে ঐতিহাসিক মাইসনামারা বাজার ও লালমাই পাহাড় রিসোর্ট অবস্থিত।

Related Questions

ক) প্যারাচুম্বক
খ) ডায়াচুম্বক
গ) ফেরোচুম্বক
ঘ) অ্যান্টিফেরোচুম্বক
Note :

● যে সকল পদার্থকে চৌম্বক ক্ষেত্রে রাখলে পদার্থের মধ্যে দূর্বল চুম্বকত্ব সৃষ্টি হয় এবং এরা চৌম্বক ক্ষেত্র থেকে সরে যায় অর্থাৎ সৃষ্ট চুম্বকায়নের অভিমুখ বহিঃচৌম্বক ক্ষেত্রের অভিমুখের বিপরীত দিকে হয়, এদেরকে ডায়া চৌম্বক পদার্থ বলে। পানি, সোনা, রূপা, তামা, বিসমাথ হলো ডায়া চৌম্বকের উদাহরণ।

● প্যারাচুম্বক হলো- অ্যালুমিনিয়াম, প্লাটিনাম, এন্টিমনি, অক্সিজেন।

● ফেরোচুম্বক হলো- লোহা, ইস্পাত।

ক) ডেঙ্গুরজ্বর
খ) স্মলপক্স
গ) কোভিড-১৯
ঘ) পোলিও
Note :

DNA ভাইরাসঘটিত রোগ :
(১) স্মলপক্স (গুটিবসন্ত),
(২) চিকেনপক্স (জলবসন্ত)।

 

RNA ভাইরাসঘটিত রোগ :
(১) কোভিড-১৯,
(২) এইডস,
(৩) হাম,
(৪) পোলিও,
(৫) ডেঙ্গুজ্বর,
(৬) ইনফ্লুয়েঞ্জা,
(৭) মাম্পস,
(৮) বেরিস (জলাতঙ্ক)।

ক) ডায়স্টল
খ) সিস্টল
গ) ডায়াসিস্টল
ঘ) উপরের কোনোটিই নয়
Note :

প্রতিটি হৃৎস্পন্দনের সময় হৃৎপিণ্ড সংকুচিত হয় এবং সেই চাপে রক্ত সমগ্র শরীরের ধমনিতে ছড়িয়ে পড়ে। রক্তনালির দেয়ালে এ সময় রক্ত যে চাপ দেয়, এটিই হচ্ছে সিস্টোলিক প্রেশার। আর দুটি হৃৎস্পন্দনের মধ্যবর্তী সময়ে অর্থাৎ হৃৎপিণ্ড যখন শিথিল থাকে, সে সময়ে ধমনির গায়ে রক্তের যে চাপ বিরাজমান থাকে, সেটাই ডায়াস্টোলিক প্রেশার।

ক) DNA
খ) DNA+RNA
গ) mRNA
ঘ) RNA
Note :

কোভিড-১৯ (COVID-19) রোগ সৃষ্টিকারী সার্স-কোভ-২ (SARS-CoV-2) হলো একটি এক-সূত্রক আরএনএ (Single-stranded RNA) ভাইরাস। এটি মূলত এনভেলপড বা আবরণযুক্ত ভাইরাসের অন্তর্ভুক্ত। 

ক) শূন্য
খ) অসীম
গ) অতিক্ষুদ্র
ঘ) যে কোনো মান
Note :

- তড়িৎ কোষের সাহায্যে কোন বর্তনীতে তড়িৎ প্রবাহ করলে বর্তনীতে কোষ ধন পাত থেকে ঋণ পাতে এবং কোষের অভ্যন্তরে ঋণ পাত থেকে ধন পাতে তড়িৎ প্রবাহ হয়।
- পাতদ্বয়ের মধ্যবর্তী রাসায়নিক পদার্থ তড়িৎ প্রবাহে যে বাধার সৃষ্টি করে তাকে কোষের অভ্যন্তরীণ রোধ বলে। 

- আদর্শ তড়িৎ উৎসের অভ্যন্তরীণ রোধকে শূন্য ধরা হয়ে থাকে।

- আদর্শ তড়িৎ উৎস এমন একটি তাত্ত্বিক ধারণা যেখানে উৎসটি অভ্যন্তরীণ কোনো প্রকার বাধা ছাড়াই বর্তনীতে তড়িৎ শক্তি সরবরাহ করতে পারে। বাস্তবে, যেকোনো তড়িৎ উৎসেরই কিছু অভ্যন্তরীণ রোধ থাকে। এই রোধের কারণে উৎসের অভ্যন্তরে বিভব পতন ঘটে, ফলে বর্তনীতে প্রাপ্ত ভোল্টেজ তড়িচ্চালক শক্তির চেয়ে কিছুটা কমে যায়।
- আদর্শ তড়িৎ উৎসের ক্ষেত্রে ধারণা করা হয় যে এর অভ্যন্তরীণ রোধ শূন্য হওয়ায় কোনো বিভব পতন হয় না। ফলে, উৎসের তড়িচ্চালক শক্তি এবং প্রান্তীয় ভোল্টেজ সমান থাকে।

ক) অ্যানোডে
খ) ক্যাথোডে
গ) অ্যানো এবং ক্যাথোড উভয়টিতে
ঘ) বর্ণিত কোনটিতে নয়
Note :

যে যন্ত্রের সাহায্যে রাসায়নিক শক্তি থেকে নিরবিচ্ছিন্নভাবে তড়িৎ শক্তি পাওয়া যায় তাকে তড়িৎ কোষ বলে। এর দুটি প্রান্ত থাকে।
- একটি হলো পজেটিভ (অ্যানোড) এবং অন্যটি নেগেটিভ (ক্যাথোড)।
- অ্যানোড তড়িৎদ্বারে জারণ এবং ক্যাথোড তড়িৎদ্বারে বিজারণ সম্পন্ন হয়।
- বৈদ্যুতিক কোষ সর্বপ্রথম ১৮০০ সালে আবিষ্কার করেন ইটালির বিজ্ঞানী আলেকসান্দ্রো ভোল্টা ।

জব সলুশন

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ- অফিস সহায়ক 28-08-2026

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ- কম্পিউটার অপারেটর 28-08-2026

গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানী লিমিটেড - রিসিপশনিস্ট 22-08-2026

বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড - সহকারী পরিচালক 21-08-2026

বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড - হিসাবরক্ষক 21-08-2026

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের- সহকারী সাইফার কর্মকর্তা 17-08-2026

Job Solution Live Exam Recent Job Solution 2026

আমাদের মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে শিখুন