হৃদযন্ত্রের সংকোচন হওয়াকে বলা হয়-
প্রতিটি হৃৎস্পন্দনের সময় হৃৎপিণ্ড সংকুচিত হয় এবং সেই চাপে রক্ত সমগ্র শরীরের ধমনিতে ছড়িয়ে পড়ে। রক্তনালির দেয়ালে এ সময় রক্ত যে চাপ দেয়, এটিই হচ্ছে সিস্টোলিক প্রেশার। আর দুটি হৃৎস্পন্দনের মধ্যবর্তী সময়ে অর্থাৎ হৃৎপিণ্ড যখন শিথিল থাকে, সে সময়ে ধমনির গায়ে রক্তের যে চাপ বিরাজমান থাকে, সেটাই ডায়াস্টোলিক প্রেশার।
Related Questions
- তড়িৎ কোষের সাহায্যে কোন বর্তনীতে তড়িৎ প্রবাহ করলে বর্তনীতে কোষ ধন পাত থেকে ঋণ পাতে এবং কোষের অভ্যন্তরে ঋণ পাত থেকে ধন পাতে তড়িৎ প্রবাহ হয়।
- পাতদ্বয়ের মধ্যবর্তী রাসায়নিক পদার্থ তড়িৎ প্রবাহে যে বাধার সৃষ্টি করে তাকে কোষের অভ্যন্তরীণ রোধ বলে।
- আদর্শ তড়িৎ উৎসের অভ্যন্তরীণ রোধকে শূন্য ধরা হয়ে থাকে।
- আদর্শ তড়িৎ উৎস এমন একটি তাত্ত্বিক ধারণা যেখানে উৎসটি অভ্যন্তরীণ কোনো প্রকার বাধা ছাড়াই বর্তনীতে তড়িৎ শক্তি সরবরাহ করতে পারে। বাস্তবে, যেকোনো তড়িৎ উৎসেরই কিছু অভ্যন্তরীণ রোধ থাকে। এই রোধের কারণে উৎসের অভ্যন্তরে বিভব পতন ঘটে, ফলে বর্তনীতে প্রাপ্ত ভোল্টেজ তড়িচ্চালক শক্তির চেয়ে কিছুটা কমে যায়।
- আদর্শ তড়িৎ উৎসের ক্ষেত্রে ধারণা করা হয় যে এর অভ্যন্তরীণ রোধ শূন্য হওয়ায় কোনো বিভব পতন হয় না। ফলে, উৎসের তড়িচ্চালক শক্তি এবং প্রান্তীয় ভোল্টেজ সমান থাকে।
জব সলুশন