১৯৬৬ সালের ৬ দফার কত’টি দফা অর্থনীতি বিষয়ক ছিল?
ছয়দফা কর্মসূচি পাকিস্তানের দু অংশের মধ্যকার বৈষম্য এবং পূর্ব বাংলায় পশ্চিম পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ উপনিবেশিক শাসনের অবসানের লক্ষ্যে আওয়ামী লীগ ঘোষিত কর্মসূচি।
১৯৬৬ সালের ঐতিহাসিক ৬ দফার প্রস্তাবসমূহ -
প্রস্তাব -১: শাসনতান্ত্রিক কাঠামো ও রাষ্ট্রের প্রকৃতি
প্রস্তাব - ২: কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা
প্রস্তাব -৩: মুদ্রা বা অর্থ সম্বন্ধীয় ক্ষমতা [অর্থনীতি বিষয়ক]
প্রস্তাব -৪ : রাজস্ব ,কর, বা শুল্ক সমন্ধীয় ক্ষমতা [অর্থনীতি বিষয়ক]
প্রস্তাব -৫ : বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা [অর্থনীতি বিষয়ক]
প্রস্তাব - ৬: আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা
Related Questions
- ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল অস্থায়ী প্রবাসী সরকার বা মুজিবনগর সরকার গঠিত হয় এবং ১৭ এপ্রিল এ সরকার শপথ গ্রহণ করে।
- প্রধানমন্ত্রী এবং প্রতিরক্ষা, তথ্য, সম্প্রচার ও যোগাযোগ, অর্থনৈতিক বিষয়াবলি, পরিকল্পনা বিভাগ, শিক্ষা, স্থানীয় সরকার, স্বাস্থ্য, শ্রম, সমাজকল্যাণ, সংস্থাপন এবং অন্যান্য যেসব বিষয় কারও ওপর ন্যস্ত হয়নি তার দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমেদ।
- রাষ্ট্রপতি নিযুক্ত হন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- উপ-রাষ্ট্রপতি ও ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি ছিলেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম।
- অর্থ ও বাণিজ্য মন্ত্রী এম মনসুর আলী।
- স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ, পুনর্বাসন ও কৃষি মন্ত্রী ছিলেন এ এইচ এম কামরুজ্জামান এবং
- পররাষ্ট্র ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী ছিলেন খন্দকার মুশতাক আহমেদ।
আর্যদের ধর্মগ্রন্থের নাম ছিল বেদ। বেদকে অপৌরুষের অর্থাৎ ঈশ্বরের বাণী বলে মনে করা হয়। সংস্কৃত ভাষার মহাকাব্য মহাভারতের মূল রচয়িতা কৃষ্ণ দ্বৈপায়ন ব্যাসদেব এবং রামায়ণের রচয়িতা কবি বাল্মীকি । উল্লেখ্য, আর্যজাতি ইরান থেকে এসেছিল। এদের আদি বাসস্থান ছিল ইউরাল পর্বতের দক্ষিণে তৃণভূমি অঞ্চলে। এরা ভারতের উত্তর পশ্চিম সীমান্ত অঞ্চল ও পাঞ্জাবে বসতি স্থাপন করেছিল । আর্য যুগকে বৈদিক যুগ বলা হয়।
বাংলাদেশ ওআইসির সদস্য পদ লাভ করে ১৯৭৪ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি । ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ জাতিসংঘেরও সদস্য পদ লাভ করে।
‘নির্বাণ’ ধারণাটি প্রধানত বৌদ্ধ ধর্মবিশ্বাসের সাথে সংশ্লিষ্ট। এটি বৌদ্ধধর্মে সাধনার চরম পরিণতি, পরম প্রাপ্তি বা মুক্তির সর্বোচ্চ অবস্থা, যেখানে লোভ, দ্বেষ, মোহ, সকল প্রকার দুঃখ এবং জন্ম-মৃত্যুর চক্র বা পুনর্জন্মের অবসান ঘটে।
বাংলাদেশ সরকারের প্রধান আইন কর্মকর্তা হলেন এটর্নি জেনারেল। এটর্নি জেনারেল হলো বাংলাদেশ সরকারের প্রধান ও মুখ্য আইন পরামর্শক এবং বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টে সরকারের প্রাথমিক আইনজীবী। বাংলাদেশ সংবিধানের ৬৪(১) অনুচ্ছেদবলে রাষ্ট্রপতি তাঁকে নিয়োগদান করেন।
বাংলাদেশের সংবিধানের ১২২(২) অনুচ্ছেদের (খ)-তে বলা হয়েছে 'কোন ব্যক্তি সংসদের নির্বাচনের জন্য নির্ধারিত কোন নির্বাচনী এলাকায় ভোটার-তালিকাভুক্ত হইবার অধিকারী হইবেন, যদি তাহার বয়স আঠার বৎসরের কম না হয়।' উল্লেখ্য, বাংলাদেশে নির্বাচনে সংসদ সদস্য হিসেবে অংশগ্রহণের ন্যূনতম বয়স ২৫ বছর এবং রাষ্ট্রপতি হওয়ার ন্যূনতম বয়স ৩৫ বছর।
জব সলুশন