বাংলাদেশ কত সালে (OIC) এর সদস্য লাভ করে?

ক) ১৯৭৩
খ) ১৯৭৪
গ) ১৯৭৫
ঘ) ১৯৭৬
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:

বাংলাদেশ ওআইসির সদস্য পদ লাভ করে ১৯৭৪ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি । ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ জাতিসংঘেরও সদস্য পদ লাভ করে।

Related Questions

ক) হিন্দুধর্ম
খ) বৌদ্ধ ধর্ম
গ) খ্রিষ্টধর্ম
ঘ) ইহুদীধর্ম
Note :

‘নির্বাণ’ ধারণাটি প্রধানত বৌদ্ধ ধর্মবিশ্বাসের সাথে সংশ্লিষ্ট। এটি বৌদ্ধধর্মে সাধনার চরম পরিণতি, পরম প্রাপ্তি বা মুক্তির সর্বোচ্চ অবস্থা, যেখানে লোভ, দ্বেষ, মোহ, সকল প্রকার দুঃখ এবং জন্ম-মৃত্যুর চক্র বা পুনর্জন্মের অবসান ঘটে।

ক) আইনমন্ত্রী
খ) আইন সচিব
গ) অ্যাটর্নি জেনারেল
ঘ) প্রধান বিচারপতি
Note :

বাংলাদেশ সরকারের প্রধান আইন কর্মকর্তা হলেন এটর্নি জেনারেল। এটর্নি জেনারেল হলো বাংলাদেশ সরকারের প্রধান ও মুখ্য আইন পরামর্শক এবং বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টে সরকারের প্রাথমিক আইনজীবী। বাংলাদেশ সংবিধানের ৬৪(১) অনুচ্ছেদবলে রাষ্ট্রপতি তাঁকে নিয়োগদান করেন।

ক) ১৮
খ) ১৯
গ) ২০
ঘ) ২১
Note :

বাংলাদেশের সংবিধানের ১২২(২) অনুচ্ছেদের (খ)-তে বলা হয়েছে 'কোন ব্যক্তি সংসদের নির্বাচনের জন্য নির্ধারিত কোন নির্বাচনী এলাকায় ভোটার-তালিকাভুক্ত হইবার অধিকারী হইবেন, যদি তাহার বয়স আঠার বৎসরের কম না হয়।' উল্লেখ্য, বাংলাদেশে নির্বাচনে সংসদ সদস্য হিসেবে অংশগ্রহণের ন্যূনতম বয়স ২৫ বছর এবং রাষ্ট্রপতি হওয়ার ন্যূনতম বয়স ৩৫ বছর।

ক) বেক্সিমকো
খ) স্কয়ার
গ) ইনসেপ্টা
ঘ) একমি
Note :

কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন যৌথভাবে উৎপাদনের জন্য চীনের সরকারি প্রতিষ্ঠান সিনোফার্মের (Sinopharm) সাথে বাংলাদেশের ইনসেপ্টা ভ্যাকসিন লিমিটেড (ইনসেপ্টা ফার্মাসিউটিক্যালস)-এর চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল।

ক) ২৯(২)
খ) ২৮(২)
গ) ৩৯(১)
ঘ) ৩৯(২)
Note :

বাংলাদেশের সংবিধানের ২৮(২) নং অনুচ্ছেদে নারী-পুরুষের সমতা নিশ্চিত করা হয়েছে। ধর্ম, গোষ্ঠী, বর্ণ, নারীপুরুষভেদ বা জন্মস্থানের কারণে কোনো নাগরিক প্রজাতন্ত্রের নিয়োগ বা পদ লাভের অযোগ্য হবে না কিংবা তার প্রতি বৈষম্য করা যাবে না উল্লেখ রয়েছে ২৯(২) নং অনুচ্ছেদে। ৩৯(১) নং অনুচ্ছেদে চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতার নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে। প্রত্যেক নাগরিকের বাক্ ও ভাবপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং সংবাদপত্রের স্বাধীনতার অধিকার উল্লেখ আছে যথাক্রমে ৩৯(২) ক ও খ নং অনুচ্ছেদে।

ক) পুন্ড্র
খ) তাম্রলির
গ) গৌড়
ঘ) হরিকেল
Note :

বাংলার প্রাচীনতম জনপদ পুণ্ড্র। বগুড়া, রংপুর, রাজশাহী, দিনাজপুর ও ভাগীরথী নদী হতে করতোয়া নদী পর্যন্ত এর বিস্তৃতি ছিলো। পুণ্ড্রনগরের পরবর্তী নাম মহাস্থানগড়। 

জব সলুশন

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ- অফিস সহায়ক 28-08-2026

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ- কম্পিউটার অপারেটর 28-08-2026

গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানী লিমিটেড - রিসিপশনিস্ট 22-08-2026

বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড - সহকারী পরিচালক 21-08-2026

বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড - হিসাবরক্ষক 21-08-2026

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের- সহকারী সাইফার কর্মকর্তা 17-08-2026

Job Solution Live Exam Recent Job Solution 2026

আমাদের মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে শিখুন