আর্যদের ধর্মগ্রন্থের নাম কী ছিল?
আর্যদের ধর্মগ্রন্থের নাম ছিল বেদ। বেদকে অপৌরুষের অর্থাৎ ঈশ্বরের বাণী বলে মনে করা হয়। সংস্কৃত ভাষার মহাকাব্য মহাভারতের মূল রচয়িতা কৃষ্ণ দ্বৈপায়ন ব্যাসদেব এবং রামায়ণের রচয়িতা কবি বাল্মীকি । উল্লেখ্য, আর্যজাতি ইরান থেকে এসেছিল। এদের আদি বাসস্থান ছিল ইউরাল পর্বতের দক্ষিণে তৃণভূমি অঞ্চলে। এরা ভারতের উত্তর পশ্চিম সীমান্ত অঞ্চল ও পাঞ্জাবে বসতি স্থাপন করেছিল । আর্য যুগকে বৈদিক যুগ বলা হয়।
Related Questions
বাংলাদেশ ওআইসির সদস্য পদ লাভ করে ১৯৭৪ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি । ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ জাতিসংঘেরও সদস্য পদ লাভ করে।
‘নির্বাণ’ ধারণাটি প্রধানত বৌদ্ধ ধর্মবিশ্বাসের সাথে সংশ্লিষ্ট। এটি বৌদ্ধধর্মে সাধনার চরম পরিণতি, পরম প্রাপ্তি বা মুক্তির সর্বোচ্চ অবস্থা, যেখানে লোভ, দ্বেষ, মোহ, সকল প্রকার দুঃখ এবং জন্ম-মৃত্যুর চক্র বা পুনর্জন্মের অবসান ঘটে।
বাংলাদেশ সরকারের প্রধান আইন কর্মকর্তা হলেন এটর্নি জেনারেল। এটর্নি জেনারেল হলো বাংলাদেশ সরকারের প্রধান ও মুখ্য আইন পরামর্শক এবং বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টে সরকারের প্রাথমিক আইনজীবী। বাংলাদেশ সংবিধানের ৬৪(১) অনুচ্ছেদবলে রাষ্ট্রপতি তাঁকে নিয়োগদান করেন।
বাংলাদেশের সংবিধানের ১২২(২) অনুচ্ছেদের (খ)-তে বলা হয়েছে 'কোন ব্যক্তি সংসদের নির্বাচনের জন্য নির্ধারিত কোন নির্বাচনী এলাকায় ভোটার-তালিকাভুক্ত হইবার অধিকারী হইবেন, যদি তাহার বয়স আঠার বৎসরের কম না হয়।' উল্লেখ্য, বাংলাদেশে নির্বাচনে সংসদ সদস্য হিসেবে অংশগ্রহণের ন্যূনতম বয়স ২৫ বছর এবং রাষ্ট্রপতি হওয়ার ন্যূনতম বয়স ৩৫ বছর।
কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন যৌথভাবে উৎপাদনের জন্য চীনের সরকারি প্রতিষ্ঠান সিনোফার্মের (Sinopharm) সাথে বাংলাদেশের ইনসেপ্টা ভ্যাকসিন লিমিটেড (ইনসেপ্টা ফার্মাসিউটিক্যালস)-এর চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল।
বাংলাদেশের সংবিধানের ২৮(২) নং অনুচ্ছেদে নারী-পুরুষের সমতা নিশ্চিত করা হয়েছে। ধর্ম, গোষ্ঠী, বর্ণ, নারীপুরুষভেদ বা জন্মস্থানের কারণে কোনো নাগরিক প্রজাতন্ত্রের নিয়োগ বা পদ লাভের অযোগ্য হবে না কিংবা তার প্রতি বৈষম্য করা যাবে না উল্লেখ রয়েছে ২৯(২) নং অনুচ্ছেদে। ৩৯(১) নং অনুচ্ছেদে চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতার নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে। প্রত্যেক নাগরিকের বাক্ ও ভাবপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং সংবাদপত্রের স্বাধীনতার অধিকার উল্লেখ আছে যথাক্রমে ৩৯(২) ক ও খ নং অনুচ্ছেদে।
জব সলুশন