‘আগুন পাখি’– উপন্যাসটির রচয়িতা কে?
'আগুন পাখি' উপন্যাসটি প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক হাসান আজিজুল হক-এর লেখা। এটি ২০০৬ সালে প্রকাশিত হয় এবং এটি লেখকের প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস।
Related Questions
১৯২১ সালের ডিসেম্বর মাসে কুমিল্লা থেকে কলকাতা ফেরার পর নজরুলের দুটি ঐতিহাসিক ও বৈপ্লবিক সৃষ্টিকর্ম হচ্ছে ‘বিদ্রোহী’ কবিতা ও ‘ভাঙার গান’ সঙ্গীত। এ দুটি রচনা বাংলা কবিতা ও গানের ধারাকে সম্পূর্ণ বদলে দিয়েছিল; ‘বিদ্রোহী’ কবিতার জন্য নজরুল বিপুল খ্যাতি ও জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। ১৯২২ সালের ৬ জানুয়ারি ‘বিজলী’ পত্রিকায় ‘বিদ্রোহী’ কবিতাটি প্রকাশিত হয়।
ইয়ংবেঙ্গল গোষ্ঠী ও মাইকেল মধুসূদন দত্ত
মাইকেল মধুসূদন দত্তের সংযোগ:
১৮৩৩ সালে মাইকেল মধুসূদন দত্ত হিন্দু কলেজে ভর্তি হন। কলেজে অধ্যয়নকালে তিনি 'ইয়ংবেঙ্গল' নামের একটি ছাত্রগোষ্ঠীর সঙ্গে যুক্ত হন। এই গোষ্ঠীর প্রভাবক ছিলেন হেনরি লুই ভিভিয়ান ডিরোজিও, যিনি আধুনিক চিন্তা ও স্বদেশপ্রেমের দ্বারা তরুণদের অনুপ্রাণিত করতেন। ডিরোজিওর প্রভাবেই মধুসূদন দত্ত গোষ্ঠীর সঙ্গে যুক্ত হন এবং তাদের আদর্শ থেকে অনুপ্রেরণা পান।
ইয়ংবেঙ্গল গোষ্ঠী:
উৎপত্তি: হিন্দু কলেজের ডিরোজিওর প্রভাবিত ছাত্রদের দ্বারা গঠিত।
প্রধান সদস্য: কৃষ্ণমোহন বন্দ্যোপাধ্যায়, রসিককৃষ্ণ মল্লিক, রামগোপাল ঘোষ, রামতনু লাহিড়ী, দক্ষিণারঞ্জন মুখোপাধ্যায়, প্যারীচাঁদ মিত্র, এবং তারাচাঁদ চক্রবর্তী।
বৈশিষ্ট্য: অত্যন্ত প্রতিভাবান, ইংরেজি শিক্ষার প্রতি আগ্রহী। তারা হিন্দুধর্মের প্রচলিত প্রথা ও ঐতিহ্যকে সমালোচনা করতেন।
সংঘের আদর্শ: হিন্দুধর্মের প্রচলিত বিশ্বাসের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ এবং আধুনিকতার প্রতি বিশ্বাস। তাঁরা ঊনবিংশ শতাব্দীর বাংলা সাহিত্য, ধর্ম ও নীতির বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।
মাইকেল মধুসূদন
ডিরোজিওর আদর্শ দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়ে, মধুসূদন দত্ত ইয়ংবেঙ্গল গোষ্ঠীর সঙ্গে যুক্ত হন এবং বাংলা সাহিত্যে আধুনিক চিন্তাধারা ও সংস্কৃতির বিকাশে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখেন।
“কিন্তু মনুষ্য কখনো পাষাণ হয় না” উক্তিটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের রাজসিংহ উপন্যাসের।
জসীম উদ্দীনের আত্নকথা: যাদের দেখেছি ((১৯৫১) ঠাকুর বাড়ির আঙ্গিনায় (১৯৬১) জীবন কথা ( ১৯৬৪) স্মৃতিপট (১৯৬৪) স্মরণের সরণী বাহি (১৯৭৮)
চরণ দুটির রচয়িতা হলেন বিখ্যাত কবি ও শিক্ষাবিদ মদনমোহন তর্কালঙ্কার। এটি তাঁর লেখা বিখ্যাত 'আমার পণ' কবিতার অংশ।
মাইকেল মধুসূদন দত্ত নাটকটির ইংরেজি অনুবাদ করেন এবং পাদ্রি জেমস লং তা প্রকাশ করে আদালত কর্তৃক অর্থদন্ডে দন্ডিত হন।
- বঙ্কিমচন্দ্র নীলদর্পণকে আঙ্কল টমস কেবিন-এর সঙ্গে তুলনা করেন।
- নাটকটি রচনাকাল থেকে আজ পর্যন্ত জাতীয় চেতনার পথিকৃৎ হয়ে আছে।
- এটিই বিদেশী ভাষায় অনূদিত প্রথম বাংলা নাটক।
- ১৮৬০ সালে ‘কস্যচিৎ পথিকস্য’ ছদ্মনামে নাটকটি প্রথম ঢাকা থেকে প্রকাশিত হয় এবং ১৮৭২ সালের ৭ ডিসেম্বর এটি দিয়েই শুরু হয় সাধারণ রঙ্গালয়ের অভিনয়।
জব সলুশন