ইয়ংবেঙ্গল গােষ্ঠীভুক্ত ছিলেন কে?
ইয়ংবেঙ্গল গোষ্ঠী ও মাইকেল মধুসূদন দত্ত
মাইকেল মধুসূদন দত্তের সংযোগ:
১৮৩৩ সালে মাইকেল মধুসূদন দত্ত হিন্দু কলেজে ভর্তি হন। কলেজে অধ্যয়নকালে তিনি 'ইয়ংবেঙ্গল' নামের একটি ছাত্রগোষ্ঠীর সঙ্গে যুক্ত হন। এই গোষ্ঠীর প্রভাবক ছিলেন হেনরি লুই ভিভিয়ান ডিরোজিও, যিনি আধুনিক চিন্তা ও স্বদেশপ্রেমের দ্বারা তরুণদের অনুপ্রাণিত করতেন। ডিরোজিওর প্রভাবেই মধুসূদন দত্ত গোষ্ঠীর সঙ্গে যুক্ত হন এবং তাদের আদর্শ থেকে অনুপ্রেরণা পান।
ইয়ংবেঙ্গল গোষ্ঠী:
উৎপত্তি: হিন্দু কলেজের ডিরোজিওর প্রভাবিত ছাত্রদের দ্বারা গঠিত।
প্রধান সদস্য: কৃষ্ণমোহন বন্দ্যোপাধ্যায়, রসিককৃষ্ণ মল্লিক, রামগোপাল ঘোষ, রামতনু লাহিড়ী, দক্ষিণারঞ্জন মুখোপাধ্যায়, প্যারীচাঁদ মিত্র, এবং তারাচাঁদ চক্রবর্তী।
বৈশিষ্ট্য: অত্যন্ত প্রতিভাবান, ইংরেজি শিক্ষার প্রতি আগ্রহী। তারা হিন্দুধর্মের প্রচলিত প্রথা ও ঐতিহ্যকে সমালোচনা করতেন।
সংঘের আদর্শ: হিন্দুধর্মের প্রচলিত বিশ্বাসের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ এবং আধুনিকতার প্রতি বিশ্বাস। তাঁরা ঊনবিংশ শতাব্দীর বাংলা সাহিত্য, ধর্ম ও নীতির বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।
মাইকেল মধুসূদন
ডিরোজিওর আদর্শ দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়ে, মধুসূদন দত্ত ইয়ংবেঙ্গল গোষ্ঠীর সঙ্গে যুক্ত হন এবং বাংলা সাহিত্যে আধুনিক চিন্তাধারা ও সংস্কৃতির বিকাশে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখেন।
Related Questions
“কিন্তু মনুষ্য কখনো পাষাণ হয় না” উক্তিটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের রাজসিংহ উপন্যাসের।
জসীম উদ্দীনের আত্নকথা: যাদের দেখেছি ((১৯৫১) ঠাকুর বাড়ির আঙ্গিনায় (১৯৬১) জীবন কথা ( ১৯৬৪) স্মৃতিপট (১৯৬৪) স্মরণের সরণী বাহি (১৯৭৮)
চরণ দুটির রচয়িতা হলেন বিখ্যাত কবি ও শিক্ষাবিদ মদনমোহন তর্কালঙ্কার। এটি তাঁর লেখা বিখ্যাত 'আমার পণ' কবিতার অংশ।
মাইকেল মধুসূদন দত্ত নাটকটির ইংরেজি অনুবাদ করেন এবং পাদ্রি জেমস লং তা প্রকাশ করে আদালত কর্তৃক অর্থদন্ডে দন্ডিত হন।
- বঙ্কিমচন্দ্র নীলদর্পণকে আঙ্কল টমস কেবিন-এর সঙ্গে তুলনা করেন।
- নাটকটি রচনাকাল থেকে আজ পর্যন্ত জাতীয় চেতনার পথিকৃৎ হয়ে আছে।
- এটিই বিদেশী ভাষায় অনূদিত প্রথম বাংলা নাটক।
- ১৮৬০ সালে ‘কস্যচিৎ পথিকস্য’ ছদ্মনামে নাটকটি প্রথম ঢাকা থেকে প্রকাশিত হয় এবং ১৮৭২ সালের ৭ ডিসেম্বর এটি দিয়েই শুরু হয় সাধারণ রঙ্গালয়ের অভিনয়।
"জীবনস্মৃতি" বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর-এর একটি বিখ্যাত আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ। এটি ১৯১২ সালে প্রকাশিত হয়।
ঢাকা প্রকাশ ঢাকা থেকে প্রকাশিত প্রথম বাংলা সংবাদপত্র।
- এর প্রথম সংখ্যা প্রকাশিত হয় ১৮৬১ সালের ৭ মার্চ বাবুবাজারের ‘বাঙ্গালা যন্ত্র’ থেকে।
- পত্রিকার শিরোনামের নিচে একটি সংস্কৃত শ্লোকাংশ ‘সিদ্ধিঃ সাধ্যে সমামস্ত্ত’ (সাধ্য অনুযায়ী সিদ্ধিলাভ হোক) মুদ্রিত হতো।
- প্রতি সপ্তাহে গুরুবার অর্থাৎ বৃহস্পতিবার তা বের হতো।
- ডাকমাশুলসহ পত্রিকার বার্ষিক মূল্য ছিল ৫ টাকা।
- ঢাকা প্রকাশের প্রথম সম্পাদক ছিলেন কবি কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার।
- পরিচালকগণের মধ্যে প্রধান ছিলেন ব্রজসুন্দর মিত্র, দীনবন্ধু মৌলিক, ঈশ্বরচন্দ্র বসু, চন্দ্রকান্ত বসু প্রমুখ।
- কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদারের পর দীননাথ সেনের পরিচালনায় পত্রিকা প্রকাশিত হয়।
- এ সময় বৃহস্পতিবারের পরিবর্তে শুক্রবারে পত্রিকা প্রকাশিত হতে থাকে।
- চতুর্থ বর্ষের ২৩ থেকে ৩৬ সংখ্যা পর্যন্ত দীননাথ পরিচালনা করেন।
- পরে সে ভার অর্পিত হয় জগন্নাথ অগ্নিহোত্রী ও গোবিন্দপ্রসাদ রায়ের ওপর।
- পঞ্চম বর্ষ থেকে শুক্রবারের বদলে ঢাকা প্রকাশ রোববারে প্রকাশিত হতে শুরু করে।
জব সলুশন