‘বিদ্রোহী’ কবিতাটি কোন সনে প্রথম প্রকাশিত হয়?

ক) ১৯২৩ সনে
খ) ১৯২১ সনে
গ) ১৯১৯ সনে
ঘ) ১৯১৮ সনে
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:

১৯২১ সালের ডিসেম্বর মাসে কুমিল্লা থেকে কলকাতা ফেরার পর নজরুলের দুটি ঐতিহাসিক ও বৈপ্লবিক সৃষ্টিকর্ম হচ্ছে ‘বিদ্রোহী’ কবিতা ও ‘ভাঙার গান’ সঙ্গীত। এ দুটি রচনা বাংলা কবিতা ও গানের ধারাকে সম্পূর্ণ বদলে দিয়েছিল; ‘বিদ্রোহী’ কবিতার জন্য নজরুল বিপুল খ্যাতি ও জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। ১৯২২ সালের ৬ জানুয়ারি ‘বিজলী’ পত্রিকায় ‘বিদ্রোহী’ কবিতাটি প্রকাশিত হয়।

Related Questions

ক) চণ্ডীচরণ মুনশী
খ) এন্টনি ফিরঙ্গি
গ) মাইকেল মধুসূদন দত্ত
ঘ) কলম্বিসাসিংহ ঠাকুর
Note :

ইয়ংবেঙ্গল গোষ্ঠী ও মাইকেল মধুসূদন দত্ত

মাইকেল মধুসূদন দত্তের সংযোগ:
১৮৩৩ সালে মাইকেল মধুসূদন দত্ত হিন্দু কলেজে ভর্তি হন। কলেজে অধ্যয়নকালে তিনি 'ইয়ংবেঙ্গল' নামের একটি ছাত্রগোষ্ঠীর সঙ্গে যুক্ত হন। এই গোষ্ঠীর প্রভাবক ছিলেন হেনরি লুই ভিভিয়ান ডিরোজিও, যিনি আধুনিক চিন্তা ও স্বদেশপ্রেমের দ্বারা তরুণদের অনুপ্রাণিত করতেন। ডিরোজিওর প্রভাবেই মধুসূদন দত্ত গোষ্ঠীর সঙ্গে যুক্ত হন এবং তাদের আদর্শ থেকে অনুপ্রেরণা পান।

ইয়ংবেঙ্গল গোষ্ঠী:

উৎপত্তি: হিন্দু কলেজের ডিরোজিওর প্রভাবিত ছাত্রদের দ্বারা গঠিত।

প্রধান সদস্য: কৃষ্ণমোহন বন্দ্যোপাধ্যায়, রসিককৃষ্ণ মল্লিক, রামগোপাল ঘোষ, রামতনু লাহিড়ী, দক্ষিণারঞ্জন মুখোপাধ্যায়, প্যারীচাঁদ মিত্র, এবং তারাচাঁদ চক্রবর্তী।

বৈশিষ্ট্য: অত্যন্ত প্রতিভাবান, ইংরেজি শিক্ষার প্রতি আগ্রহী। তারা হিন্দুধর্মের প্রচলিত প্রথা ও ঐতিহ্যকে সমালোচনা করতেন।

সংঘের আদর্শ: হিন্দুধর্মের প্রচলিত বিশ্বাসের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ এবং আধুনিকতার প্রতি বিশ্বাস। তাঁরা ঊনবিংশ শতাব্দীর বাংলা সাহিত্য, ধর্ম ও নীতির বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।

মাইকেল মধুসূদন
ডিরোজিওর আদর্শ দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়ে, মধুসূদন দত্ত ইয়ংবেঙ্গল গোষ্ঠীর সঙ্গে যুক্ত হন এবং বাংলা সাহিত্যে আধুনিক চিন্তাধারা ও সংস্কৃতির বিকাশে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখেন।

ক) রবীন্দ্রনাথের ‘চোখের বালি
খ) শরৎচন্দ্রের পথের দাবী’
গ) শওকত ওসমানের ক্রীতদাসের হাসি
ঘ) বঙ্কিমচন্দ্রের ‘রাজসিংহ’
Note :

“কিন্তু মনুষ্য কখনো পাষাণ হয় না” উক্তিটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের রাজসিংহ উপন্যাসের। 

ক) যাদের দেখেছি
খ) পথে-প্রবাসে
গ) পথে-সাথে
ঘ) ভবিষ্যতের বাঙালী
Note :

জসীম উদ্দীনের আত্নকথা: যাদের দেখেছি ((১৯৫১) ঠাকুর বাড়ির আঙ্গিনায় (১৯৬১) জীবন কথা ( ১৯৬৪) স্মৃতিপট (১৯৬৪) স্মরণের সরণী বাহি (১৯৭৮)

ক) চণ্ডীচরণ মুনশী
খ) কাজী নজরুল ইসলাম
গ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
ঘ) মদনমােহন তর্কালঙ্কার
Note :

চরণ দুটির রচয়িতা হলেন বিখ্যাত কবি ও শিক্ষাবিদ  মদনমোহন তর্কালঙ্কার। এটি তাঁর লেখা বিখ্যাত 'আমার পণ' কবিতার অংশ।

ক) প্যারীচাঁদ মিত্র
খ) মাইকেল মধুসূদন দত্ত
গ) প্রমথ চৌধুরী
ঘ) দ্বিজেন্দ্রলাল রায়
Note :

মাইকেল মধুসূদন দত্ত নাটকটির ইংরেজি অনুবাদ করেন এবং পাদ্রি জেমস লং তা প্রকাশ করে আদালত কর্তৃক অর্থদন্ডে দন্ডিত হন।
- বঙ্কিমচন্দ্র নীলদর্পণকে আঙ্কল টমস কেবিন-এর সঙ্গে তুলনা করেন।
- নাটকটি রচনাকাল থেকে আজ পর্যন্ত জাতীয় চেতনার পথিকৃৎ হয়ে আছে।
- এটিই বিদেশী ভাষায় অনূদিত প্রথম বাংলা নাটক।
- ১৮৬০ সালে ‘কস্যচিৎ পথিকস্য’ ছদ্মনামে নাটকটি প্রথম ঢাকা থেকে প্রকাশিত হয় এবং ১৮৭২ সালের ৭ ডিসেম্বর এটি দিয়েই শুরু হয় সাধারণ রঙ্গালয়ের অভিনয়।

ক) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
খ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
গ) বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
ঘ) রােকেয়া সাখাওয়াত হােসেন
Note :

"জীবনস্মৃতি" বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর-এর একটি বিখ্যাত আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ। এটি ১৯১২ সালে প্রকাশিত হয়।

জব সলুশন

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ- অফিস সহায়ক 28-08-2026

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ- কম্পিউটার অপারেটর 28-08-2026

গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানী লিমিটেড - রিসিপশনিস্ট 22-08-2026

বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড - সহকারী পরিচালক 21-08-2026

বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড - হিসাবরক্ষক 21-08-2026

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের- সহকারী সাইফার কর্মকর্তা 17-08-2026

Job Solution Live Exam Recent Job Solution 2026

আমাদের মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে শিখুন