কালাে বরফ’ উপন্যাসটির বিষয়:
'কালো বরফ' উপন্যাসের মূল বিষয় হলো ১৯৪৭ সালের দেশভাগ, শেকড় হারানোর বেদনা এবং শরণার্থী জীবনের সংকট। বিখ্যাত কথাসাহিত্যিক মাহমুদুল হক ১৯৭৭ সালে এই উপন্যাসটি রচনা করেন, যেখানে ১৯৪৭-এর দেশভাগের ফলে মানুষের জীবনে নেমে আসা মনস্তাত্ত্বিক ও সামাজিক বিপর্যয় ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
Related Questions
'একটি কালো মেয়ের কথা' হলো বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রথম উপন্যাস, যা ১৯৭১ সালে প্রকাশিত হয়।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের “যোগাযোগ” উপন্যাস থেকে নেওয়া হয়েছে।
• বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (২৬ জুন ১৮৩৮ - ৮ এপ্রিল ১৮৯৪) ছিলেন উনিশ শতকের বিশিষ্ট বাঙালি ঔপন্যাসিক।
• বাংলা গদ্য ও উপন্যাসের বিকাশে তার অসীম অবদানের জন্যে তিনি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে অমরত্ব লাভ করেছেন।
• তাকে সাধারণত প্রথম আধুনিক বাংলা ঔপন্যাসিক হিসেবে গণ্য করা হয়।
• তিনি বাংলা ভাষার আদি সাহিত্যপত্র বঙ্গদর্শনের প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ছিলেন।
• তিনি ছদ্মনাম হিসেবে কমলাকান্ত নামটি বেছে নিয়েছিলেন। তাকে বাংলা সাহিত্যের সাহিত্য সম্রাট বলা হয়।
• বঙ্কিমচন্দ্র রচিত আনন্দমঠ (১৮৮২) উপন্যাসের কবিতা বন্দে মাতরম ১৯৩৭ সালে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস কর্তৃক ভারতের জাতীয় স্তোত্র হিসেবে স্বীকৃতি পায়।
ব্রজবুলি মধ্যযুগীয় বাংলা সাহিত্যের দ্বিতীয় কাব্যভাষা বা উপভাষা। ব্রজবুলি মূলত এক ধরনের কৃত্রিম মিশ্রভাষা। মৈথিলি ও বাংলার মিশ্রিত রূপ হলো ব্রজবুলি ভাষা। পনেরো শতকে মিথিলার কবি বিদ্যাপতি (আনু. ১৩৭৪-১৪৬০) ব্রজবুলিতে রাধাকৃষ্ণের লীলাবিষয়ক অনেক পদ রচনা করেন। পদগুলি বাঙালিদের নিকট এতই জনপ্রিয় হয়েছিল যে, সেগুলির কারণে ব্রজবুলি ভাষাটিই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে এবং পরবর্তীকালে অনেক বাঙালি কবি এ ভাষায় বৈষ্ণবপদ রচনা করেন।
বৃন্দাবন দাসের চৈতন্য ভাগবত বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য সন্তজীবনী গ্রন্থ এবং ধর্মীয় পুরুষ কৃষ্ণ চৈতন্য ওরফে বিশ্বম্ভর মিশ্রের (১৪৭৮-১৫৩৩) অসামান্য জীবনের প্রামাণিক দীর্ঘতম আদি রচনা।
- জাগতিক রীতিতে রচিত চৈতন্য ভাগবত, যাঁকে ভক্তকুল স্বয়ং কৃষ্ণ হিসেবে বরণ করেছিল, সে চৈতন্যের বিস্ময়কর আবির্ভাব বর্ণনা করেছে।
'মৈয়মনসিংহ গীতিকা' বাংলা লোকগীতির একটি ভাগ । ড.দীনেশচন্দ্র সেনের আগ্রহে এবং স্যার আশুতোষ মুখোপাধ্যায়ের পৃষ্ঠপোষকতায় চন্দ্রকুমার দে 'মৈয়মনসিংহ গীতিকা' সংগ্রহ করেন । এটি ২৩টি ভাষায় অনূদিত হয় । আর আরবি, ফারসি, উর্দু এবং হিন্দি ভাষার মিশ্রণে রচিত সাহিত্যকে পুঁথি সাহিত্য বলে । ' ইউসুফ জুলেখা' এবং 'লাইলী মজনু' ফারসি প্রেম উপাখ্যান । আর 'পদ্মাাবতী' হিন্দি কাহিনি অবলম্ববনে রচিত অনুবাদ সাহিত্য ও বাংলা রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান যা পুঁথি সাহিত্যের অন্তর্গত ।
জব সলুশন