বৈষ্ণব পদাবলির সঙ্গে কোন ভাষা সম্পর্কিত?

ক) বসন্ধ্যাভাষা
খ) অধিভাষা
গ) ব্রজবুলি
ঘ) সংস্কৃত ভাষা
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:

ব্রজবুলি মধ্যযুগীয় বাংলা সাহিত্যের দ্বিতীয় কাব্যভাষা বা উপভাষা। ব্রজবুলি মূলত এক ধরনের কৃত্রিম মিশ্রভাষা। মৈথিলি ও বাংলার মিশ্রিত রূপ হলো ব্রজবুলি ভাষা। পনেরো শতকে মিথিলার কবি বিদ্যাপতি (আনু. ১৩৭৪-১৪৬০) ব্রজবুলিতে রাধাকৃষ্ণের লীলাবিষয়ক অনেক পদ রচনা করেন। পদগুলি বাঙালিদের নিকট এতই জনপ্রিয় হয়েছিল যে, সেগুলির কারণে ব্রজবুলি ভাষাটিই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে এবং পরবর্তীকালে অনেক বাঙালি কবি এ ভাষায় বৈষ্ণবপদ রচনা করেন।

Related Questions

ক) ফকির গরীবুন্যাহ
খ) নরহরি চক্রবর্তী
গ) বিপ্রদাস পিপিলাই
ঘ) বৃন্দাবন দাস
Note :

বৃন্দাবন দাসের চৈতন্য ভাগবত বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য সন্তজীবনী গ্রন্থ এবং ধর্মীয় পুরুষ কৃষ্ণ চৈতন্য ওরফে বিশ্বম্ভর মিশ্রের (১৪৮৬-১৫৩৩) অসামান্য জীবনের প্রামাণিক দীর্ঘতম আদি রচনা।
- জাগতিক রীতিতে রচিত চৈতন্য ভাগবত, যাঁকে ভক্তকুল স্বয়ং কৃষ্ণ হিসেবে বরণ করেছিল, সে চৈতন্যের বিস্ময়কর আবির্ভাব বর্ণনা করেছে।

ক) ময়মনসিংহ গীতিকা
খ) ইউসুফ-জুলেখা
গ) পদ্মাবতী
ঘ) লাইলী মজনু
Note :

'মৈয়মনসিংহ গীতিকা' বাংলা লোকগীতির একটি ভাগ । ড.দীনেশচন্দ্র সেনের আগ্রহে এবং স্যার আশুতোষ মুখোপাধ্যায়ের পৃষ্ঠপোষকতায় চন্দ্রকুমার দে 'মৈয়মনসিংহ গীতিকা' সংগ্রহ করেন । এটি ২৩টি ভাষায় অনূদিত হয় । আর আরবি, ফারসি, উর্দু এবং হিন্দি ভাষার মিশ্রণে রচিত সাহিত্যকে পুঁথি সাহিত্য বলে । ' ইউসুফ জুলেখা' এবং 'লাইলী মজনু' ফারসি প্রেম উপাখ্যান । আর পদ্মাবতী হিন্দি কাহিনি অবলম্বনে রচিত অনুবাদ সাহিত্য ও বাংলা রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান যা পুঁথি সাহিত্যের অন্তর্গত ।

ক) কাহ্ণপাদ
খ) লুইপাদ
গ) শান্তিপাদ
ঘ) রমনীপাদ
Note :

চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম পদ সংকলন তথা সাহিত্য নিদর্শন। ১৯০৭ খ্রিস্টাব্দে মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী, নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থশালা থেকে চর্যার একটি খণ্ডিত পুঁথি উদ্ধার করেন।
- চর্যাপদের প্রধান কবিগণ হলেন লুইপাদ, কাহ্নপাদ, ভুসুকুপাদ, শবরপাদ, শান্তিপাদ প্রমুখ।
- চর্যাপদের প্রথম এবং ঊনত্রিশতম পদ লুইপার রচনা।
- লুইপা বৌদ্ধধর্মের একজন মহাসিদ্ধ, কবি ও বৌদ্ধ ধর্মগ্রন্থের রচয়িতা।

ক) খ্রীষ্টধর্ম
খ) প্যাগনিজম
গ) জৈনধর্ম
ঘ) বৌদ্ধধর্ম
Note :

বাংলা সাহিত্যের আদি নিদর্শন চর্যাপদে বৌদ্ধধর্মের তত্ত্বকথা বিধৃত হয়েছে। চর্যাপদের মাধ্যমে বৌদ্ধ সিদ্ধাচার্যেরা গোপন তত্ত্বদর্শন ও ধর্মচর্চাকে বাহ্যিক প্রতীকের সাহায্যে ব্যক্ত করেছেন। বৌদ্ধধর্মের মহাযান শাখা কালক্রমে যেসব উপশাখায় বিভক্ত হয়েছিল তারই বজ্রযানের সাধনপ্রণালী ও তত্ত্ব এতে বিধৃত করা হয়েছে।

ক) টিকটিকি
খ) তেলেপােকা
গ) উইপােকা
ঘ) মাকড়সা
Note :

উর্ণনাভ হল মাকড়সার একটি অন্য নাম। এটি সংস্কৃত শব্দ ঊর্ণা থেকে এসেছে, যার অর্থ হল "উল"। মাকড়সার জালটি উলের মতো দেখতে হওয়ায় এটিকে উর্ণনাভ বলা হয়।

ক) বেতসবৃত্তি
খ) পতঙ্গবৃত্তি
গ) জলৌকাবৃত্তি
ঘ) কুম্ভিলকবৃত্তি
Note :

অন্যের রচনা থেকে চুরি করা বা অন্যের ভাব, শব্দ ইত্যাদি গ্রহণ করে নিজের বলে ব্যবহার করাকে বলা হয় কুম্ভিলকবৃত্তি (plagiarism)।

জব সলুশন

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর-উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা (16-10-2026)

সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়-উপ-সহকারী প্রকৌশলী 15-10-2026

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়- ব্যক্তিগত কর্মকর্তা 14-10-2026

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর-উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা (স্থগিত) 10-10-2026

সামরিক ভূমি ও ক্যান্টনমেন্ট অধিদপ্তর-জুনিয়র শিক্ষক 03-10-2026

ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর- যাচ মোহরার 02-10-2026

Job Solution Live Exam Recent Job Solution 2026

আমাদের মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে শিখুন