উল্লিখিত কোন রচনাটি পুঁথি সাহিত্যের অন্তর্গত নয়?

ক) ময়মনসিংহ গীতিকা
খ) ইউসুফ-জুলেখা
গ) পদ্মাবতী
ঘ) লাইলী মজনু
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:

'মৈয়মনসিংহ গীতিকা' বাংলা লোকগীতির একটি ভাগ । ড.দীনেশচন্দ্র সেনের আগ্রহে এবং স্যার আশুতোষ মুখোপাধ্যায়ের পৃষ্ঠপোষকতায় চন্দ্রকুমার দে 'মৈয়মনসিংহ গীতিকা' সংগ্রহ করেন । এটি ২৩টি ভাষায় অনূদিত হয় । আর আরবি, ফারসি, উর্দু এবং হিন্দি ভাষার মিশ্রণে রচিত সাহিত্যকে পুঁথি সাহিত্য বলে । ' ইউসুফ জুলেখা' এবং 'লাইলী মজনু' ফারসি প্রেম উপাখ্যান । আর 'পদ্মাাবতী' হিন্দি কাহিনি অবলম্ববনে রচিত অনুবাদ সাহিত্য ও বাংলা রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান যা পুঁথি সাহিত্যের অন্তর্গত ।

Related Questions

ক) কাহ্ণপাদ
খ) লুইপাদ
গ) শান্তিপাদ
ঘ) রমনীপাদ
Note :

চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম পদ সংকলন তথা সাহিত্য নিদর্শন। ১৯০৭ খ্রিস্টাব্দে মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী, নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থশালা থেকে চর্যার একটি খণ্ডিত পুঁথি উদ্ধার করেন।
- চর্যাপদের প্রধান কবিগণ হলেন লুইপাদ, কাহ্নপাদ, ভুসুকুপাদ, শবরপাদ, শান্তিপাদ প্রমুখ।
- চর্যাপদের প্রথম এবং ঊনত্রিশতম পদ লুইপার রচনা।
- লুইপা বৌদ্ধধর্মের একজন মহাসিদ্ধ, কবি ও বৌদ্ধ ধর্মগ্রন্থের রচয়িতা।

ক) খ্রীষ্টধর্ম
খ) প্যাগনিজম
গ) জৈনধর্ম
ঘ) বৌদ্ধধর্ম
Note :

বাংলা সাহিত্যের আদি নিদর্শন চর্যাপদে বৌদ্ধধর্মের তত্ত্বকথা বিধৃত হয়েছে। চর্যাপদের মাধ্যমে বৌদ্ধ সিদ্ধাচার্যেরা গোপন তত্ত্বদর্শন ও ধর্মচর্চাকে বাহ্যিক প্রতীকের সাহায্যে ব্যক্ত করেছেন। বৌদ্ধধর্মের মহাযান শাখা কালক্রমে যেসব উপশাখায় বিভক্ত হয়েছিল তারই বজ্রযানের সাধনপ্রণালী ও তত্ত্ব এতে বিধৃত করা হয়েছে।

ক) টিকটিকি
খ) তেলেপােকা
গ) উইপােকা
ঘ) মাকড়সা
Note :

উর্ণনাভ হল মাকড়সার একটি অন্য নাম। এটি সংস্কৃত শব্দ ঊর্ণা থেকে এসেছে, যার অর্থ হল "উল"। মাকড়সার জালটি উলের মতো দেখতে হওয়ায় এটিকে উর্ণনাভ বলা হয়।

ক) বেতসবৃত্তি
খ) পতঙ্গবৃত্তি
গ) জলৌকাবৃত্তি
ঘ) কুম্ভিলকবৃত্তি
Note :

অন্যের রচনা থেকে চুরি করা বা অন্যের ভাব, শব্দ ইত্যাদি গ্রহণ করে নিজের বলে ব্যবহার করাকে বলা হয় কুম্ভিলকবৃত্তি (plagiarism)।

ক) সর্বঙ্গ+ঈন
খ) সর্ব + অঙ্গীন
গ) সর্ব + ঙ্গীন
ঘ) সর্বাঙ্গ + ঈন
Note :

• সর্বাঙ্গীণ' শব্দের সঠিক প্রকৃতি প্রত্যয়- সর্বাঙ্গ + ঈন ।
• সর্বাঙ্গীণ, সর্বাঙ্গীন /বিশেষণ পদ/ সম্পূর্ণ, নিঁখুত; সর্বাঙ্গব্যাপী; পূর্ণাঙ্গ।

ক) জয়ের ইচ্ছা
খ) হত্যার ইচ্ছা
গ) বেঁচে থাকার ইচ্ছা
ঘ) শােনার ইচ্ছা
Note :

এককথায় প্রকাশ : 

বেঁচে থাকার ইচ্ছা→ জিজীবিষা।  

জয়ের ইচ্ছা→জিগীষা।  

হনন (হত্যা) করার ইচ্ছা→জিঘাংসা। 

জব সলুশন

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ- অফিস সহায়ক 28-08-2026

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ- কম্পিউটার অপারেটর 28-08-2026

গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানী লিমিটেড - রিসিপশনিস্ট 22-08-2026

বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড - সহকারী পরিচালক 21-08-2026

বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড - হিসাবরক্ষক 21-08-2026

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের- সহকারী সাইফার কর্মকর্তা 17-08-2026

Job Solution Live Exam Recent Job Solution 2026

আমাদের মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে শিখুন