উল্লিখিত কোন রচনাটি পুঁথি সাহিত্যের অন্তর্গত নয়?
'মৈয়মনসিংহ গীতিকা' বাংলা লোকগীতির একটি ভাগ । ড.দীনেশচন্দ্র সেনের আগ্রহে এবং স্যার আশুতোষ মুখোপাধ্যায়ের পৃষ্ঠপোষকতায় চন্দ্রকুমার দে 'মৈয়মনসিংহ গীতিকা' সংগ্রহ করেন । এটি ২৩টি ভাষায় অনূদিত হয় । আর আরবি, ফারসি, উর্দু এবং হিন্দি ভাষার মিশ্রণে রচিত সাহিত্যকে পুঁথি সাহিত্য বলে । ' ইউসুফ জুলেখা' এবং 'লাইলী মজনু' ফারসি প্রেম উপাখ্যান । আর 'পদ্মাাবতী' হিন্দি কাহিনি অবলম্ববনে রচিত অনুবাদ সাহিত্য ও বাংলা রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান যা পুঁথি সাহিত্যের অন্তর্গত ।
Related Questions
চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম পদ সংকলন তথা সাহিত্য নিদর্শন। ১৯০৭ খ্রিস্টাব্দে মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী, নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থশালা থেকে চর্যার একটি খণ্ডিত পুঁথি উদ্ধার করেন।
- চর্যাপদের প্রধান কবিগণ হলেন লুইপাদ, কাহ্নপাদ, ভুসুকুপাদ, শবরপাদ, শান্তিপাদ প্রমুখ।
- চর্যাপদের প্রথম এবং ঊনত্রিশতম পদ লুইপার রচনা।
- লুইপা বৌদ্ধধর্মের একজন মহাসিদ্ধ, কবি ও বৌদ্ধ ধর্মগ্রন্থের রচয়িতা।
বাংলা সাহিত্যের আদি নিদর্শন চর্যাপদে বৌদ্ধধর্মের তত্ত্বকথা বিধৃত হয়েছে। চর্যাপদের মাধ্যমে বৌদ্ধ সিদ্ধাচার্যেরা গোপন তত্ত্বদর্শন ও ধর্মচর্চাকে বাহ্যিক প্রতীকের সাহায্যে ব্যক্ত করেছেন। বৌদ্ধধর্মের মহাযান শাখা কালক্রমে যেসব উপশাখায় বিভক্ত হয়েছিল তারই বজ্রযানের সাধনপ্রণালী ও তত্ত্ব এতে বিধৃত করা হয়েছে।
উর্ণনাভ হল মাকড়সার একটি অন্য নাম। এটি সংস্কৃত শব্দ ঊর্ণা থেকে এসেছে, যার অর্থ হল "উল"। মাকড়সার জালটি উলের মতো দেখতে হওয়ায় এটিকে উর্ণনাভ বলা হয়।
অন্যের রচনা থেকে চুরি করা বা অন্যের ভাব, শব্দ ইত্যাদি গ্রহণ করে নিজের বলে ব্যবহার করাকে বলা হয় কুম্ভিলকবৃত্তি (plagiarism)।
• সর্বাঙ্গীণ' শব্দের সঠিক প্রকৃতি প্রত্যয়- সর্বাঙ্গ + ঈন ।
• সর্বাঙ্গীণ, সর্বাঙ্গীন /বিশেষণ পদ/ সম্পূর্ণ, নিঁখুত; সর্বাঙ্গব্যাপী; পূর্ণাঙ্গ।
এককথায় প্রকাশ :
বেঁচে থাকার ইচ্ছা→ জিজীবিষা।
জয়ের ইচ্ছা→জিগীষা।
হনন (হত্যা) করার ইচ্ছা→জিঘাংসা।
জব সলুশন