"অহঙ্কার" পতনের মূল ---বাক্যে নিম্নরেখ শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি?
'করন' শব্দটির অর্থ -যন্ত্র বা সহায়ক । কর্তা যা দিয়ে ক্রিয়া সম্পাদন করে তাকে করণ কারক বলে । যেমন - অহংকার পতনের মুল। এক্ষেত্রে যদি প্রশ্ন করা হয় কি দিয়ে ? বা কিসের সাহায্যে বা কি উপায়ে পতন হয় তাহলে আসে অহংকারে । তাই অহংকার করণ কারক ।
Related Questions
নাট্যকার সেলিম আল দীনের ব্যতিক্রমী নাটক 'কীত্তনখোলা'। গ্রামীণ মেলা কে কেন্দ্র করে নাটকটি রচিত। মেলার পরিবেশ রঙ্গ রস, আনন্দ - উল্লাস, কোলাহল, চিৎকার, যাত্রা, প্রাকৃতিক ঔষধের ক্যানভাস, ক্রেতা বিক্রেতাদের আচার - আচরণ ইত্যাদি নাটকে রূপায়িত হয়েছে।
ডাকঘর (১৯১১ খ্রিস্টাব্দ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অন্যতম শ্রেষ্ঠ নাটক। নাটকে নিঃসন্তান মাধব দত্তের সংসারে দূরসম্পর্কের বালক অমল ব্যধিতে শয্যাগত। ঘরের বন্ধন ছেড বাইরের সীমাহীনতায় ছড়িয়ে পড়তে চায় সে। কিন্তু কবিরাজের নিষেধ। তাই সে বন্ধ ঘরের খোলা জানালার পাশে বসে কল্পনায় কখনো দূরের গ্রামে দই বিক্রি করতে চায় কাজ খুঁজে বেড়াতে চায় আবার কখনো দূরবর্তী পাহাড় পার হয়ে চলে যেতে চায় নিরুদ্দেশে।
সঞ্চিতা বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় এবং বাংলাদেশের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের কাব্য - সংকলন। এই গ্রন্থে ঊনআশিটি কবিতা ও সতেরোটি গান আছে।
'বরফ গলা নদী' উপন্যাসটির রচয়িতা জহির রায়হান। বরফ গলা নদী(Borof Gola Nodi) জহির রায়হান(Zahir Raihan) এর অনবদ্য এক উপন্যাস।
ক্ষয়িঞ্চু নিম্ন-মধ্যবিত্ত একটি পরিবারের ঘাত-প্রতিঘাত, আনন্দ, বেদনা, পাওয়া-না পাওয়াগুলোকে উপজীব্য করে রচিত হয়েছে 'বরফ গলা নদী'। ১৯৬৯ সালের একটি নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবারের জীবনযাত্রা কেমন ছিল সেই ব্যাপারে সম্যক ধারণা পাওয়া যাবে উপন্যাসটি থেকে।
'জীবন-বন্দনা' কবিতা
কাজী নজরুল ইসলাম
গাহি তাহাদের গান –
ধরণির হাতে দিল যারা আনি ফসলের ফরমান।
শ্রম-কিণাঙ্ক-কঠিন যাদের নির্দয় মুঠি-তলে
ত্রস্তা ধরণি নজরানা দেয় ডালি ভরে ফুলে ফলে।
বন্য-শ্বাপদ-সংকুল জরা-মৃত্যু-ভীষণা ধরা
যাদের শাসনে হল সুন্দর কুসুমিতা মনোহরা।
যারা বর্বর হেথা বাঁধে ঘর পরম অকুতোভয়ে
বনের ব্যাঘ্র মরুর সিংহ বিবরের ফণী লয়ে।
এল দুর্জয় গতিবেগ সম যারা যাযাবর-শিশু
তারাই গাহিল নব প্রেমগান ধরণি-মেরির জিশু
যাহাদের চলা লেগে
উল্কার মতো ঘুরিছে ধরণি শূন্যে অমিত বেগে !
পংক্তিটি 'কাজী নজরুল ইসলাম' এর 'সন্ধ্যা' কাব্যগ্রন্থের 'জীবন-বন্দনা' কবিতার অংশ।
- বাংলাদেশের রণসঙ্গীতটিও এই কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত।
কাজী নজরুল ইসলামের বিখ্যাত কয়েকটি কাব্যগ্রন্থ:
- অগ্নিবীণা,
- মরুভাস্কর,
- ছায়ানট,
- বিষের বাঁশি,
- সর্বহারা,
- পুবের হাওয়া,
- সাম্যবাদী,
- ঝিঙ্গে-ফুল,
- ফনিমনসা,
- প্রলয়-শিখা,
- সঞ্চিতা,
- চিত্তনামা,
- দোলনচাঁপা,
- সন্ধ্যা,
- চক্রবাক,
- চন্দ্রবিন্দু।
আলোচ্য কবিতাংশটুকুর রচয়িতা পল্লিকবি জসীমউদ্দীন। এ অংশটুকু তাঁর অবিস্মরণীয় ‘কবর’ কবিতা থেকে নেয়া হয়েছে। এটি কবির ‘রাখালী’ কাব্যগ্রন্হের অন্তর্ভুক্ত কবিতা। তাঁর উল্লেখ্যযোগ্য গ্রন্হ – নকশী কাঁথার মাঠ, সোজন বাদিয়ার ঘাট, হাসু প্রভৃতি।
জব সলুশন