উল্লিখিত কোন রচনাটি পুঁথি সাহিত্যের অন্তর্গত নয়?
ক) ইউসুফ-জুলেখা
খ) যেমনসিংহ গীতিকা
গ) পদ্মাবতী
ঘ) লায়লী-মজনু
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
ময়মনসিংহ গীতিকা পুঁথি সাহিত্যের অন্তর্গত নয়। ইউসুফ-জুলেখা পদ্মাবতী ও লায়লী-মজনু প্রেম বিষয়ক আখ্যান কাব্য যা পুঁথি সাহিত্যের অন্তর্ভুক্ত হতে পারে। ময়মনসিংহ গীতিকা লোকসাহিত্যের একটি ভিন্ন ধারা।
Related Questions
ক) ভারতচন্দ্র রায়
খ) আব্দুল হাকিম
গ) সৈয়দ হামজা
ঘ) দৌলত কাজী
Note : সৈয়দ হামজা পুঁথি সাহিত্যের একজন উল্লেখযোগ্য লেখক। তিনি ফকির গরীবুল্লাহর শিষ্য ছিলেন এবং 'মধুমালতী' ও 'জৈগুনের পুঁথি' সহ বেশ কয়েকটি কাব্য রচনা করেন।
ক) আলাওল
খ) ফকির গরীবুল্লাহ
গ) সৈয়দ হামজা
ঘ) রেজাউদ্দৌলা
Note : 'আমীর হামজা' কাব্যটি ফকির গরীবুল্লাহ রচনা করেন। এটি পুঁথি সাহিত্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ রচনা যা আরবদেশের ইতিহাস-পুরাণ মিশ্রিত কাহিনী অবলম্বনে রচিত।
ক) সৈয়দ হামজা
খ) আলাওল
গ) ফকির গরীবুল্লাহ
ঘ) মীর মোশারফ হোসেন
Note : 'সোনাভান' কাব্যটির রচয়িতা হলেন ফকির গরীবুল্লাহ। তার অন্যান্য উল্লেখযোগ্য রচনা হলো ইউসুফ-জোলেখা আমীর হামজা জঙ্গনামা ও সত্যপীরের পুঁথি।
ক) ভারতচন্দ্র রায়
খ) দৌলত কাজী
গ) সৈয়দ হামজা
ঘ) আব্দুল হাকিম
Note : পুঁথি সাহিত্যের প্রাচীনতম লেখকদের মধ্যে সৈয়দ হামজা অন্যতম। তিনি ফকির গরীবুল্লাহর শিষ্য ছিলেন এবং 'আমীর হামজা' কাব্যের অসমাপ্ত অংশ সমাপ্ত করেন। তার প্রথম কাব্য 'মধুমালতী' (১৭৮৮)।
ক) সৈয়দ সুলতান
খ) ফকির গরীবুল্লাহ
গ) সৈয়দ হামজা
ঘ) শেখ ফয়জুল্লাহ
Note : পুঁথি সাহিত্যের প্রথম সার্থক ও জনপ্রিয় কবি হলেন ফকির গরীবুল্লাহ। তিনি 'আমীর হামজা' কাব্য রচনার মাধ্যমে এই কাব্যধারার সূত্রপাত করেন।
ক) মধ্যযুগীয় কাব্যের হস্তলিখিত পাণ্ডুলিপি
খ) অবিমিশ্র বাংলায় রচিত লোকসাহিত্য
গ) দোভাষী বাংলায় রচিত পুঁথি সাহিত্য
ঘ) বটতলা নামক স্থানে রচিত কাব্য
Note : বটতলার পুঁথি বলতে দোভাষী বাংলায় রচিত পুঁথি সাহিত্যকে বোঝায়। কলকাতার বটতলা নামক স্থানে সস্তা ছাপাখানা থেকে মুদ্রিত হয়ে এই ধারার কাব্য দেশময় প্রচারিত হয়েছিল বলে এটি 'বটতলার পুঁথি' নামে পরিচিতি লাভ করে।
জব সলুশন