সোনাভান' কাব্যটির রচয়িতা কে?
ক) সৈয়দ হামজা
খ) আলাওল
গ) ফকির গরীবুল্লাহ
ঘ) মীর মোশারফ হোসেন
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
'সোনাভান' কাব্যটির রচয়িতা হলেন ফকির গরীবুল্লাহ। তার অন্যান্য উল্লেখযোগ্য রচনা হলো ইউসুফ-জোলেখা আমীর হামজা জঙ্গনামা ও সত্যপীরের পুঁথি।
Related Questions
ক) ভারতচন্দ্র রায়
খ) দৌলত কাজী
গ) সৈয়দ হামজা
ঘ) আব্দুল হাকিম
Note : পুঁথি সাহিত্যের প্রাচীনতম লেখকদের মধ্যে সৈয়দ হামজা অন্যতম। তিনি ফকির গরীবুল্লাহর শিষ্য ছিলেন এবং 'আমীর হামজা' কাব্যের অসমাপ্ত অংশ সমাপ্ত করেন। তার প্রথম কাব্য 'মধুমালতী' (১৭৮৮)।
ক) সৈয়দ সুলতান
খ) ফকির গরীবুল্লাহ
গ) সৈয়দ হামজা
ঘ) শেখ ফয়জুল্লাহ
Note : পুঁথি সাহিত্যের প্রথম সার্থক ও জনপ্রিয় কবি হলেন ফকির গরীবুল্লাহ। তিনি 'আমীর হামজা' কাব্য রচনার মাধ্যমে এই কাব্যধারার সূত্রপাত করেন।
ক) মধ্যযুগীয় কাব্যের হস্তলিখিত পাণ্ডুলিপি
খ) অবিমিশ্র বাংলায় রচিত লোকসাহিত্য
গ) দোভাষী বাংলায় রচিত পুঁথি সাহিত্য
ঘ) বটতলা নামক স্থানে রচিত কাব্য
Note : বটতলার পুঁথি বলতে দোভাষী বাংলায় রচিত পুঁথি সাহিত্যকে বোঝায়। কলকাতার বটতলা নামক স্থানে সস্তা ছাপাখানা থেকে মুদ্রিত হয়ে এই ধারার কাব্য দেশময় প্রচারিত হয়েছিল বলে এটি 'বটতলার পুঁথি' নামে পরিচিতি লাভ করে।
ক) দুই ভাষায় রচিত পুঁথি
খ) কয়েকটি ভাষার শব্দ ব্যবহার করে মিশ্রিত ভাষায় রচিত পুঁথি
গ) তৈরি করা কৃত্রিম ভাষার রচিত পুঁথি
ঘ) আঞ্চলিক ভাষায় রচিত পুঁথি
Note : দোভাষী পুঁথি বলতে বোঝায় কয়েকটি ভাষার শব্দ ব্যবহার করে মিশ্রিত ভাষায় রচিত পুঁথি। এটি কেবল দুটি ভাষার মিশ্রণ নয় বরং বাংলা হিন্দি ফারসি আরবি তুর্কি ইত্যাদি ভাষার সংমিশ্রণে রচিত হয়।
ক) বাংলা
খ) ফারসি
গ) হিন্দি
ঘ) মিশ্র
Note : পুঁথি সাহিত্যের ভাষা মিশ্র প্রকৃতির। এটি বাংলা আরবি ফারসি উর্দু ও হিন্দি সহ কয়েকটি ভাষার শব্দ ব্যবহার করে রচিত একটি বিশেষ সাহিত্যধারা। একে দোভাষী পুঁথিও বলা হয়।
ক) প্রেম বিষয়ক
খ) হিন্দু মুসলমান সম্পর্ক বিষয়ক
গ) ইসলামি চেতনা সম্পৃক্ত
ঘ) নবী রাসূল বিষয়ক
Note : পুঁথি সাহিত্য বলতে সাধারণত ইসলামি চেতনা সম্পৃক্ত কাব্যধারাকে বোঝায়। আঠারো থেকে উনিশ শতক পর্যন্ত এই ধারার বিকাশ ঘটে। এর রচয়িতা ও পাঠক উভয়ই ছিল মুসলমান সম্প্রদায়। এটি মূলত আরবি উর্দু ফারসি ও হিন্দি ভাষার মিশ্রণে রচিত।
জব সলুশন