বাংলাদেশের সাথে মিয়ানমার সীমানার নদীর নাম কি ?
বাংলাদেশের সাথে মিয়ানমার সীমানার নদীটির নাম নাফ নদী। এই নদীটি দক্ষিণ-পূর্ব বাংলাদেশ (কক্সবাজারের টেকনাফ) এবং উত্তর-পশ্চিম মিয়ানমারের (আরাকান প্রদেশ) মধ্যে একটি প্রাকৃতিক সীমান্ত হিসেবে কাজ করে, যা বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে
Related Questions
সাধারণত মানবদেহের প্রতিটি সাধারণ কোষে ২৩ জোড়া বা মোট ৪৬টি ক্রোমোজোম থাকে। এর মধ্যে ২২ জোড়া অটোজোম এবং ১ জোড়া সেক্স ক্রোমোজোম। তবে প্রজনন কোষ বা জননকোষে (শুক্রাণু ও ডিম্বাণু) এর অর্ধেক অর্থাৎ মাত্র ২৩টি ক্রোমোজোম থাকে।
UNESCO (United Nations Educational Scientific and Cutural Organization ) ১৭ নভেম্বর, ১৯৯৯ সালে ৩০তম অধিবেশনে একুশে ফেব্রুয়ারিকে ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করে এবং ২০০০ সাল থেকে ২১ শে ফেব্রুয়ারি ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ হিসেবে পালিত হচ্ছে। উল্লেখ্য যে, জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ ২০১০ সালের ২১ অক্টোবর প্রতিবছর একুশে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক দিবস পালনের সিদ্ধান্ত নেয়।
ভিটামিন 'এ'-এর অভাবে রাতকানা রোগ হয়। এই ভিটামিনের অভাবে চোখের রেটিনায় 'রোডপসিন' নামক রঞ্জক পদার্থ তৈরি ব্যাহত হয়, যার ফলে কম আলো বা রাতে দেখতে সমস্যা হয়।
সোডিয়াম (Na), ম্যাগনেসিয়াম (Mg) , পটাশিয়াম (K) ও ক্যালসিয়াম (Ca) -এর পারমাণবিক সংখ্যা যথাক্রমে 11, 12, 19, ও 20 এবং এদের আপেক্ষিক পারমাণবিক ভর যথাক্রমে 23.0, 24.3, 39.1 ও 40.1 ।- উল্লিখিত ধাতুসমূহের মধ্যে সোডিয়ামের আপেক্ষিক পারমাণবিক ভর সবচেয়ে কম হওয়ায় এটি অন্য তিনটি ধাতু অপেক্ষা হালকা এবং সোডিয়াম পানি অপেক্ষা ও হালকা।
MgO (ম্যাগনেসিয়াম অক্সাইড) একটি ক্ষারকীয় অক্সাইড। কারণ এটি এসিডের সাথে বিক্রিয়া করে লবণ ও পানি উৎপন্ন করে ।
•জারণ :- যে রাসায়নিক বিক্রিয়ায় কোনো অণু, পরমাণু বা আয়ন এক বা একাধিক ইলেকট্রন ত্যাগ করে তাকে জারণ বলে । জারণেরঅর্থ ইলেকট্রন ত্যাগ ।
•বিজারণ :- যে রাসায়নিক বিক্রিয়ায় কোনো অণু, পরমাণু বা আয়ন এক বা একাধিক ইলেকট্রন গ্রহণ করে তাকে বিজারণ বলে । বিজারণের অর্থ ইলেকট্রন গ্রহণ ।
জারক পদার্থ [Oxidising agents]:- যে পদার্থ রাসায়নিক বিক্রিয়া কালে অন্য পদার্থকে জারিত করে নিজে বিজারিত হয় তাকে জারক পদার্থ বলে।
বিজারক পদার্থ [Reducing agents]:- রাসায়নিক বিক্রিয়ার সময় যে পদার্থ অন্য পদার্থকে বিজারিত করে নিজে জারিত হয় তাকে বিজারক পদার্থ বলে ।
জব সলুশন