জারণ বিক্রিয়ায় কী ঘটে?

ক) ইলেক্ট্রন আদান-প্রদান
খ) ইলেক্ট্রন বর্জন
গ) ইলেক্ট্রন গ্রহণ
ঘ) শুধু তাপ উৎপন্ন হয়
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:

•জারণ :- যে রাসায়নিক বিক্রিয়ায় কোনো অণু, পরমাণু বা আয়ন এক বা একাধিক ইলেকট্রন ত্যাগ করে তাকে জারণ বলে । জারণেরঅর্থ ইলেকট্রন ত্যাগ ।

•বিজারণ :- যে রাসায়নিক বিক্রিয়ায় কোনো অণু, পরমাণু বা আয়ন এক বা একাধিক ইলেকট্রন গ্রহণ করে তাকে বিজারণ বলে । বিজারণের অর্থ ইলেকট্রন গ্রহণ ।

জারক পদার্থ [Oxidising agents]:- যে পদার্থ রাসায়নিক বিক্রিয়া কালে অন্য পদার্থকে জারিত করে নিজে বিজারিত হয় তাকে জারক পদার্থ বলে।

বিজারক পদার্থ [Reducing agents]:- রাসায়নিক বিক্রিয়ার সময় যে পদার্থ অন্য পদার্থকে বিজারিত করে নিজে জারিত হয় তাকে বিজারক পদার্থ বলে ।

Related Questions

ক) টাংস্টেন ধাতু দিয়ে
খ) তামা দিয়ে
গ) সীসা দিয়ে
ঘ) সঙ্কর ধাতু দিয়ে
Note :

দ্যুতিক বাল্বের ফিলামেন্ট টাংস্টেন (Tungsten) নামক ধাতু দিয়ে তৈরি। উচ্চ গলনাঙ্ক (প্রায় ৩৪১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস) এবং উচ্চ রোধের (Resistance) কারণে এই ধাতু ব্যবহার করা হয়, যা ফিলামেন্টকে প্রচণ্ড তাপে গলে না গিয়ে উজ্জ্বল আলো ছড়াতে সাহায্য করে।

ক) বেগুনি
খ) সবুজ
গ) কালো
ঘ) হলুদ
Note :

কোনো নির্দিষ্ট রঙের বস্তু শুধু ঐ নির্দিষ্ট রঙের আলোক রশ্মিই প্রতিফলিত করে এবং বাকি সব রঙের আলোক রশ্মিই শোষণ করে নেয়।
- আমরা জানি সাদা আলো হচ্ছে সাতটি ভিন্ন ভিন্ন রঙের আলোক রশ্মির সমষ্টি।
- নীল রঙের বস্তুর ওপর সাদা আলোক রশ্মি আপতিত হলে বস্তুটি সাতটি ভিন্ন রঙের আলোক রশ্মির মধ্য থেকে শুধু নীল আলোক রশ্মিই প্রতিফলিত করে এবং বাকি ছয়টি রঙের আলোক রশ্মিকে শোষণ করে নেয়।
- বস্তুটি থেকে নীল আলোক রশ্মি প্রতিফলিত হয়ে আমাদের চোখে আসার কারণে আমরা একে নীল দেখি।
- কিন্তু নীল রঙের বস্তুর ওপর লাল আলোক রশ্মি আপতিত হলে বস্তুটি আলোই আর প্রতিফলিত করে না।
- এজন্য লাল আলোতে নীল রঙের বস্তু কালো দেখায়।

ক) আলোর বিচ্ছুরণ
খ) বায়ুমন্ডলীয় প্রতিসরণ
গ) অপবর্তন
ঘ) দৃষ্টিভ্রম
Note :

চাঁদ দিগন্তের কাছে অনেক বড় দেখায়, তার কারণ হলো বায়ুমন্ডলীয় প্রতিসরণ।

বায়ুমণ্ডলীয় প্রতিসরণের কারণে চাঁদ দিগন্তের কাছে বড় দেখায়। কেননা এই বায়ুমণ্ডলীয় প্রতিসরণের কারণে আলোকরশ্মি দিক পরিবর্তন করে। তার ফলে চাঁদ বড় দেখায়। অন্যদিকে আলোর বিচ্ছুরণ, অপবর্তন, দৃষ্টি বিভ্রম এর সাথে প্রাসঙ্গিক নয়।

ক) আইসোটোপ
খ) আইসোমার
গ) আইসোবার
ঘ) আইসোটোন
Note :

যেসব পরমাণুর নিউট্রন সংখ্যা সমান কিন্তু প্রোটন সংখ্যা ও ভর সংখ্যা ভিন্ন হয়, তাদেরকে পরস্পরের আইসোটোন বলা হয়।
- যেমন: 36S, 37Cl, 38Ar, 39K এরা পরস্পরের আইসোটোন।
- কারণ এদের প্রত্যেকের ক্ষেত্রে নিউট্রন সংখ্যা 20 কিন্তু এদের ভর সংখ্যা তথা প্রোটন সংখ্যা অসমান।

ক) তাপ
খ) চুম্বক
গ) বিদ্যুৎ
ঘ) কিছু হয় না
Note :

আলো থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের রহস্য
- ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম, রুবিডিয়াম প্রভৃতি ধাতুর উপর আলো পতিত হলে তাৎক্ষণিক ইলেক্ট্রন নির্গত হতে দেখা যায়। এই ঘটনাকে ফটোইলেকট্রিক ইফেক্ট বলা হয়।
- ফটো-ইলেকট্রিক কোষ এই নীতির উপর ভিত্তি করে তৈরি। এই কোষে আলো ফেলে বিদ্যুৎ প্রবাহ তৈরি করা সম্ভব। এই প্রক্রিয়ায় আলোক শক্তি বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।
- ফটোইলেট্রিক কোষ হলো বিশেষ এক ধরনের ডায়োড, যার ওপর আলোক পড়লে আলোক শক্তি বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। গতিশীল চার্জের কারণে চৌম্বক ক্ষেত্র সৃষ্টি হয়।

ক) জাপান
খ) ভারত
গ) যুক্তরাষ্ট্র
ঘ) নেপাল
Note :

বিশ্বের সবচায়ে শক্তিশালী সৌরচুল্লী এর নাম Solar Energy Genarating Systems(SEGS) যা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের মোজার মরুভূমিতে অবস্থিত। । ২০১৪ সালে এই সৌরচুল্লি নির্মিত হয়।

জব সলুশন

বাংলাদেশ নৌবাহিনী- অদক্ষ শ্রমিক 07-08-2026

বাংলাদেশ নৌবাহিনী- উচ্চমান সহকারী 07-08-2026

বাংলাদেশ ব্যাংক — সহকারী পরিচালক 2026-07-17

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় -সহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) 04-08-2026

বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন - ল্যাবরেটরি অ্যাটেনডেন্ট (31-07-2026)

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় - সরকারি কর্মচারী হাসপাতাল - ও.টি. নার্স 27-07-2026

Job Solution Live Exam Recent Job Solution 2026

আমাদের মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে শিখুন