মানুষের শরীরে ক্রোমোজোমের সংখ্যা কত ?

ক) ২২ জোড়া
খ) ২৩ জোড়া
গ) ২৪ জোড়া
ঘ) ২৫ জোড়া
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:

সাধারণত মানবদেহের প্রতিটি সাধারণ কোষে ২৩ জোড়া বা মোট ৪৬টি ক্রোমোজোম থাকে। এর মধ্যে ২২ জোড়া অটোজোম এবং ১ জোড়া সেক্স ক্রোমোজোম। তবে প্রজনন কোষ বা জননকোষে (শুক্রাণু ও ডিম্বাণু) এর অর্ধেক অর্থাৎ মাত্র ২৩টি ক্রোমোজোম থাকে। 

Related Questions

ক) ইউনিসেফ
খ) ইউনেস্কো
গ) আঙ্কটাড
ঘ) ইউএনডিপি
Note :

UNESCO (United Nations Educational Scientific and Cutural Organization ) ১৭ নভেম্বর, ১৯৯৯ সালে ৩০তম অধিবেশনে একুশে ফেব্রুয়ারিকে ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করে এবং ২০০০ সাল থেকে ২১ শে ফেব্রুয়ারি ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ হিসেবে পালিত হচ্ছে। উল্লেখ্য যে, জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ ২০১০ সালের ২১ অক্টোবর প্রতিবছর একুশে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক দিবস পালনের সিদ্ধান্ত নেয়।

ক) ভিটামিন - এ
খ) ভিটামিন - বি
গ) ভিটামিন - সি
ঘ) ভিটামিন - ডি
Note :

ভিটামিন 'এ'-এর অভাবে রাতকানা রোগ হয়। এই ভিটামিনের অভাবে চোখের রেটিনায় 'রোডপসিন' নামক রঞ্জক পদার্থ তৈরি ব্যাহত হয়, যার ফলে কম আলো বা রাতে দেখতে সমস্যা হয়।

ক) সোডিয়াম
খ) ম্যাগনেসিয়াম
গ) ক্যালসিয়াম
ঘ) পটাসিয়াম
Note :

সোডিয়াম (Na), ম্যাগনেসিয়াম (Mg) , পটাশিয়াম (K) ও ক্যালসিয়াম (Ca) -এর পারমাণবিক সংখ্যা যথাক্রমে 11, 12, 19, ও 20 এবং এদের আপেক্ষিক পারমাণবিক ভর যথাক্রমে 23.0, 24.3, 39.1 ও 40.1 ।- উল্লিখিত ধাতুসমূহের মধ্যে সোডিয়ামের আপেক্ষিক পারমাণবিক ভর সবচেয়ে কম হওয়ায় এটি অন্য তিনটি ধাতু অপেক্ষা হালকা এবং সোডিয়াম পানি অপেক্ষা ও হালকা।

ক) P4O10
খ) ZnO
গ) CO
ঘ) MgO
Note :

MgO (ম্যাগনেসিয়াম অক্সাইড) একটি ক্ষারকীয় অক্সাইড। কারণ এটি এসিডের সাথে বিক্রিয়া করে লবণ ও পানি উৎপন্ন করে ।

ক) ইলেক্ট্রন আদান-প্রদান
খ) ইলেক্ট্রন বর্জন
গ) ইলেক্ট্রন গ্রহণ
ঘ) শুধু তাপ উৎপন্ন হয়
Note :

•জারণ :- যে রাসায়নিক বিক্রিয়ায় কোনো অণু, পরমাণু বা আয়ন এক বা একাধিক ইলেকট্রন ত্যাগ করে তাকে জারণ বলে । জারণেরঅর্থ ইলেকট্রন ত্যাগ ।

•বিজারণ :- যে রাসায়নিক বিক্রিয়ায় কোনো অণু, পরমাণু বা আয়ন এক বা একাধিক ইলেকট্রন গ্রহণ করে তাকে বিজারণ বলে । বিজারণের অর্থ ইলেকট্রন গ্রহণ ।

জারক পদার্থ [Oxidising agents]:- যে পদার্থ রাসায়নিক বিক্রিয়া কালে অন্য পদার্থকে জারিত করে নিজে বিজারিত হয় তাকে জারক পদার্থ বলে।

বিজারক পদার্থ [Reducing agents]:- রাসায়নিক বিক্রিয়ার সময় যে পদার্থ অন্য পদার্থকে বিজারিত করে নিজে জারিত হয় তাকে বিজারক পদার্থ বলে ।

ক) টাংস্টেন ধাতু দিয়ে
খ) তামা দিয়ে
গ) সীসা দিয়ে
ঘ) সঙ্কর ধাতু দিয়ে
Note :

দ্যুতিক বাল্বের ফিলামেন্ট টাংস্টেন (Tungsten) নামক ধাতু দিয়ে তৈরি। উচ্চ গলনাঙ্ক (প্রায় ৩৪১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস) এবং উচ্চ রোধের (Resistance) কারণে এই ধাতু ব্যবহার করা হয়, যা ফিলামেন্টকে প্রচণ্ড তাপে গলে না গিয়ে উজ্জ্বল আলো ছড়াতে সাহায্য করে।

জব সলুশন

বাংলাদেশ নৌবাহিনী- অদক্ষ শ্রমিক 07-08-2026

বাংলাদেশ নৌবাহিনী- উচ্চমান সহকারী 07-08-2026

বাংলাদেশ ব্যাংক — সহকারী পরিচালক 2026-07-17

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় -সহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) 04-08-2026

বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন - ল্যাবরেটরি অ্যাটেনডেন্ট (31-07-2026)

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় - সরকারি কর্মচারী হাসপাতাল - ও.টি. নার্স 27-07-2026

Job Solution Live Exam Recent Job Solution 2026

আমাদের মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে শিখুন