টপিকঃ ধ্বনি ও বর্ণ
1.
'লাঞ্ছনা' এই বানান ভাগ করলে হয়?
সঠিক উত্তরটি হলো: লা + ঞ + ছ + না (অপশন C)।
ব্যাখ্যা:
'লাঞ্ছনা' শব্দটির মাঝে 'ঞ্ছ' যুক্তবর্ণটি রয়েছে। এই যুক্তবর্ণটি ভাঙলে পাওয়া যায়:
ঞ্ছ = ঞ + ছ
তাই সঠিক বিশ্লেষণ হলো: লা + (ঞ + ছ) + না।
3.
বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত ধ্বনির সংখ্যা কয়টি?
- বাংলা একাডেমির প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ অনুসারে,
বাংলা স্বরধ্বনির সংখ্যাঃ ৭টি
বাংলা অর্ধস্বরধ্বনির সংখ্যাঃ ৪টি
বাংলা ব্যাঞ্জনধ্বনির সংখ্যাঃ ৩০টি
মোট ধ্বনি সংখ্যাঃ ৪১টি।
5.
বাগযন্ত্রের মধ্যে সবচেয়ে সচল ও সক্রিয় প্রত্যঙ্গ কোনটি?
- ধ্বনি উচ্চারণ করতে যেসব প্রত্যঙ্গ কাজে লাগে, সেগুলোকে একত্রে বাগ্যন্ত্র বলে।
- মানবদেহের উপরিভাগে অবস্থিত ফুসফুস থেকে শুরু করে ঠোঁট পর্যন্ত ধ্বনি উৎপাদনে ব্যবহৃত প্রতিটি প্রত্যঙ্গই বাগযন্ত্রের অন্তর্ভুক্ত।
- মুখগহ্বরের নিচের অংশে জিভের অবস্থান।
- বাগ্যন্ত্রের মধ্যে জিভ সবচেয়ে সচল ও সক্রিয় প্রত্যঙ্গ।
- জিভের উচ্চতা অনুযায়ী, সম্মুখ-পশ্চাৎ অবস্থান অনুযায়ী এবং মুখগহ্বরের বিভিন্ন অংশের সঙ্গে জিভের স্পর্শের প্রকৃতি অনুযায়ী ধ্বনির বৈচিত্র্য তৈরি হয়।
8.
বাংলায় নাসিক্য ধ্বনি ক'টি?
বাংলায় নাসিক্য ধ্বনি পাঁচটি।
যেসব ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণকালে শ্বাসের বায়ু মুখ দিয়ে বের না হয়ে নাক দিয়ে বের হয়, সেগুলোকে নাসিক্য বা আনুনাসিক ব্যঞ্জনধ্বনি বলা হয়। ঙ, ঞ, ণ, ন, ম
9.
কোনটি কম্পনজাত ধ্বনি?
ধ্বনি উৎপত্তির জন্য কম্পনের প্রয়োজন হয়। বাংলা বর্ণমালায়, র (র) অক্ষরটি একটি কম্পনজাত ধ্বনি। এর অর্থ হল, যখন এটি উচ্চারিত হয়, তখন কিছু ধরনের কম্পন ঘটে। অন্যদিকে, বাকি অপশনে উল্লেখিত অক্ষরগুলি (ল, ব, ঢ়, ) কম্পনজাত ধ্বনি নয়।
সুতরাং, র উত্তরটি সঠিক কারণ এটি একটি কম্পন সৃষ্টি করে, যা শব্দ তৈরি করতে সাহায্য করে।
10.
উচ্চারণ স্থানের নামানুসারে প-বর্গের বর্ণগুলো কী নামে পরিচিত?
উচ্চারণের স্থানের নামানুসারে প - বর্গের বর্ণগুলোকে ওষ্ঠ্যবর্ণ নামে পরিচিত।
সেগুলো হলো - প, ফ, ব, ভ, ম।
দন্ত্যধ্বনি হলো - ত, থ, দ, ধ, ন।
সঠিক উত্তর - ওষ্ঠ্যবর্ণ।