টপিকঃ ধ্বনি ও বর্ণ

বিষয়

বাংলা ব্যাকরণ

Free Access - Limited to 10 questions total

1.

আধুনিক বাংলা ভাষায় মোট কয়টি বর্ণ পূর্ণ ব্যবহৃত হয়?

ক) বায়ান্নটি
খ) পয়তাল্লিশটি
গ) চুয়ান্নটি
ঘ) আটত্রিশটি
Note :

বাংলা বর্ণমালায় মোট বর্ণ আছে ৫০টি। তার মধ্যে স্বরবর্ণ ১১ টি এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯ টি। কিন্তু আধুনিক বাংলা ব্যাকরণে কিছু ব্যঞ্জন বর্ণের মধ্যে উচ্চারণে পার্থক্য নেই। যেমন: ন, ণ; ড়, ঢ়;শ, ষ, স;জ, য। তাই আধুনিক বাংলা ব্যাকরণে পূর্ণরূপে ব্যবহৃত বর্ণ ৪৫ টি।

4.

বাংলা বর্ণমালায় কতটি বর্ণ আছে?

ক) 51
খ) 50
গ) 39
ঘ) কোনোটিই নয়
Note :

বাংলা বর্ণমালা
বাংলা বর্ণমালায় মোট পঞ্চাশ (৫০)টি বর্ণ রয়েছে। তার মধ্যে স্বরবর্ণ এগার (১১)টি এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ঊনচল্লিশটি (৩৯)টি।
১. স্বরবর্ণ : অ আ ই ঈ উ ঊ ঋ এ ঐ ও ঔ(১১টি)
২. ব্যঞ্জনবর্ণ : ক খ গ ঘ ঙ (৫টি)
                     চ ছ জ ঝ ঞ (৫টি)

 

                      ট ঠ ঢ ঢ ণ  (৫টি)
                     ত থ দ ধ ন  (৫টি)

                    প ফ ব ভ ম  (৫টি)
                            য র ল   (৩টি)
                        শ ষ স হ   (৪টি)
                        ড় ঢ় য় ৎ   (৪টি)

                             মোট ৫০টি
বিশেষ জ্ঞাতব্য : ঐ, ঔ - এ দুটি দ্বিস্বর বা যৌগিক স্বরধ্বনির চিহ্ন। যেমন – . অ + ই = ঐ, অ + উ =ঔ

5.

বাংলা ব্যঞ্জনবর্ণ কতটি বর্গে ভাগ করা হয়েছে?

ক) তিন
খ) চার
গ) পাঁচ
ঘ) ছয়
Note :

উচ্চারণ স্থান অনুসারে বাংলা ভাষার ব্যঞ্জনবর্ণগুলোকে ৫টি শ্রেণীতে ভাগ করা হয়েছে । যথা: ক. কণ্ঠ বা জিহবামূলীয়: খ. তালব্য বা অগ্রতালুজাত; গ ‍মূর্ধন্য বা পশ্চাৎ দন্ডমূলীয়; ঘ. দত্ত বা অগ্রদন্তমূলীয়; ঙ, ওষ্ঠ্য বর্ণ ।

6.

'স্থ' যুক্তবর্ণে কী কী যুক্তবর্ণ আছে?

ক) ঘ+থ
খ) স+থ
গ) হ+থ
ঘ) স+ত
Note :

সঠিক উত্তরটি হলো: স+থ
ব্যাখ্যা:
স্থ = স + থ
(উদাহরণ: স্থান, স্বাস্থ্য, মুখস্থ)

8. কোনটি ঘোষ বর্ণ?

ক) চ
খ) জ
গ) ছ
ঘ) প

10.

'ধ্বনি' সম্পর্কে নিচের কোন বাক্যটি সঠিক নয়?

ক) ধ্বনি দৃশ্যমান
খ) মানুষের ভাষার মূলে আছে কতগুলো ধ্বনি
গ) ধ্বনি উচ্চারণীয় ও শ্রবণীয়
ঘ) অর্থবোধক ধ্বনিগুলোই মানুষের বিভিন্ন ভাষার বাগধ্বনি
Note :

মানুষ মনের ভাব প্রকাশের জন্য যে কথা বলে তার মূলে আছে কতকগুলো ধ্বনি।
-ড. হায়াৎ মামুদ ‘ভাষা-শিক্ষা’ গ্রন্থে বলেন, ‘মনের ভাব প্রকাশের জন্য মুখ থেকে যে আওয়াজ বা শব্দ বের হয় তাকে ধ্বনি বলে। তবে, ব্যাকরণে শুধু মানুষের মুখনিঃসৃত অর্থবোধক আওয়াজকে ধ্বনি বলে।
-অর্থাৎ অর্থবোধক ধ্বনির সমষ্টিই ভাষার প্রধান উপাদান। কিন্তু ধ্বনি দৃশ্যমান নয়, ধ্বনি উচ্চারণীয় ও শ্রবণীয়। একজন বলে অন্যজন শোনে। সেই ধ্বনিকে, আরো স্পষ্ট করে বলতে গেলে, বাধ্বনিকে একটা দৃশ্যরূপ দেওয়ার জন্যই বর্ণের সৃষ্টি হয়েছে।'
-ড. মুহম্মদ আবদুল হাই ‘তোষামোদ ও রাজনীতির ভাষা' গ্রন্থে বলেন, 'মানুষের সঙ্গে মানুষের সামাজিকতা বজায় রাখতে হলে তার প্রধান উপায় কথা বলা, মুখ খোলা, আওয়াজ করা। সে আওয়াজ বা ধ্বনিগুলোর একমাত্র শর্ত হচ্ছে যে, সেগুলো অর্থবোধক হওয়া চাই।’
-‘অর্থবোধকতা’ প্রসঙ্গে ড. মুহম্মদ আবদুল হাই ‘ধ্বনিবিজ্ঞান ও বাংলা ধ্বনিতত্ত্ব' গ্রন্থে বলেন, ‘অর্থবোধক ধ্বনিগুলোই মানুষের বিভিন্ন ভাষার বাধ্বনি।' মানুষের বাক-প্রত্যঙ্গ অর্থাৎ কণ্ঠনালী, মুখবিবর, জিহ্বা, আল-জিহ্বা, নাসিকা, কোমল তালু, শক্ত তালু, দাঁত, মাড়ি, চোয়াল, ঠোঁট ইত্যাদির সাহায্যে উচ্চারিত আওয়াজকে ধ্বনি বলে।

You've reached the free limit!

You can only see 10 questions with free access.

Login to upgrade