যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটের মোট আসন সংখ্যা কতটি?
যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটের মোট আসন সংখ্যা ১০০টি। দেশটির প্রতিটি অঙ্গরাজ্য থেকে ২ জন করে সিনেটর নির্বাচিত হন।
Related Questions
ফেয়ারফ্যাক্স হলো যুক্তরাষ্ট্রের একটি বিখ্যাত গোয়েন্দা সংস্থার নাম। এছাড়াও আরো কিছু যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ গোয়েন্দা সংস্থার নাম হচ্ছে- সিআইএ, এফবিআই, আইএনআর ইত্যাদি।
আরো কয়েকটি গুরুত্তপুর্ণ গোয়েন্দা সংস্থাঃ
★ ইন্টার ফ্যাক্স : রাশিয়ার বার্তা সংস্থা।
★ হোয়াইট লজ : ইংল্যান্ডের রাজা অষ্টম অ্যাডওয়ার্ডের জম্মস্থান।
★ হোয়াইট হল : লন্ডনে অবস্থিত ব্রিটিশ সরকারের কার্যালয়।
★ ফ্লীট স্ট্রীট : লন্ডনে অবস্থিত সংবাদপত্র প্রকাশনা।
★ ওয়াল স্ট্রীট : নিউইয়র্কে অবস্থিত শেয়ার বাজার।
★ OPEC : তেল রপ্তানিকারক দেশের একটি সংস্থা।
★ APEC : এশিয়া প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের একটি অর্থনৈতিক জোট।
★ আকাবা : জর্দানের একটি বিখ্যাত সমুদ্র বন্দর।
★ আকিয়াব : মায়ানমারের একটি বিখ্যাত সমুদ্র বন্দর।
★ ওভাল : লন্ডনে অবস্থিত ক্রিকেট খেলার জন্য বিখ্যাত স্থান।
★ ওভাল অফিস : মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের কার্যালয়।
★ ওলন্দাজ : নেদারল্যান্ডের অধিবাসীদের ওলন্দাজ বা ডাচ বলা হয়।
★ গোলন্দাজ : যে সৈনিক কামান দেগে যুদ্ধে গোলা নিক্ষেপ করে।
★ SAFTA : সার্কভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে অবাধ বাণিজ্যচুক্তি।
★ SAPTA : সার্কভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে পারস্পরিক - সহযোগীতা ও অর্থনৈতিক সংক্রান্ত আইন।
★ ব্লাকক্যাট : ভারতের কমান্ডো বাহিনী।
★ ব্লাক শার্টস : ইতালির সাবেক একনায়ক মুসোলিনির অনুসারীদের ব্লাক শার্টস বলা হয়।
www nasa gov - এর তথ্য মতে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাস (NASA) - সদর দপ্তর ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থিত । NASA প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৫৮ সালের ২৯ জুলাই। NASA - এর পূর্ণরুপ National Aeronautics and Space Administration]
আফ্রিকা মহাদেশের সবচেয়ে সম্পদশালী দেশ দক্ষিণ আফ্রিকা।
- ১৯৯৪ সালে দক্ষিণ আফ্রিকায় সকল শ্রেণীর লোকের অংশগ্রহণে শান্তিপূর্ণ সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে আফ্রিকান ন্যাশনাল কংগ্রেসের জয়লাভ করলে প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ প্রেসিডেন্ট হিসেবে ম্যান্ডেলা দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
- দক্ষিণ আফ্রিকার শেষ শ্বেতাঙ্গ প্রেসিডেন্ট এফ ডব্লিউ ডি ক্লার্ক (F. W.De Klerk)।
১৯৯২ থেকে ১৯৯৫ সাল পর্যন্ত বসনিয়া ও হার্জেগোভিনায় চলা ভয়াবহ যুদ্ধের অবসান ঘটাতে ১৯৯৫ সালে স্বাক্ষরিত হয় ঐতিহাসিক ডেটন শান্তি চুক্তি।
- এই চুক্তির পূর্ণ নাম হলো General Framework Agreement for Peace in Bosnia and Herzegovina।
- যুক্তরাষ্ট্রের ওহায়ো অঙ্গরাজ্যের ডেটনে অবস্থিত একটি বিমানঘাটিতে এই চুক্তির প্রাথমিক খসড়া তৈরি করা হওয়ায় একে ডেটন শান্তি চুক্তি নামে অভিহিত করা হয়।
- যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন রাষ্ট্রপতি বিল ক্লিন্টনের নেতৃত্বে এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়ারেন ক্রিস্টোফারের সহযোগিতায় এই চুক্তির জন্য মধ্যস্থতা করা হয়। চুক্তির প্রধান শান্তি আলোচক ছিলেন রিচার্ড হলব্রোক।
চুক্তির গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
- চুক্তির খসড়া প্রস্তুত: ২১ নভেম্বর, ১৯৯৫
- চুক্তি স্বাক্ষর: ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৯৫
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: প্যারিস, ফ্রান্স
-চুক্তির পক্ষ: বসনিয়া, ক্রোয়েশিয়া এবং সার্বিয়া
চুক্তি স্বাক্ষরকারী:
- বসনিয়ার পক্ষে: প্রেসিডেন্ট আলিজা ইজটবেগোভিচ
- ক্রোয়েশিয়ার পক্ষে: প্রেসিডেন্ট ফ্রাঞ্জো টুডম্যান
- সার্বিয়ার পক্ষে: স্লোভাদান মিলোসোভিচ
বেলজিয়াম উত্তর-পশ্চিম ইউরোপের একটি দেশ। এটি একটি সাংবিধানিক রাজতন্ত্র। এটি ইউরোপের ক্ষুদ্রতম ও সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ দেশগুলির একটি। বেলজিয়াম ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য। এটি ইউরোপের সর্বাধিক নগরায়িত দেশ; এখানকার ৯৭% লোক শহরে বাস করে। নেদারল্যান্ডস ও লুক্সেমবুর্গের সাথে মিলে বেলজিয়াম নিচু দেশগুলি গঠন করেছে। দেশটির নাম বেল্গায়ে নামের এক কেল্টীয় জাতির নাম থেকে এসেছে। এই জাতিটি এখানকার আদি অধিবাসী ছিল; খ্রিস্টপূর্ব ৫৭ অব্দে জুলিয়াস সিজার এলাকাটি দখল করে নেন। ব্রুসেল শহরটি বেলজিয়ামের রাজধানী ও বৃহত্তম শহর। ইউরোপীয় কমিশন, ন্যাটো এবং বিশ্ব শুল্ক সংস্থার সদর দপ্তর ব্রাসেল্স-এ অবস্থিত।
- এছাড়া ইউরোপীয় পার্লমেন্টের নতুন ভবন এখানে অবস্থিত।
- ইউরোপীয় পার্লমেন্টের আদি ভবন ফ্রান্সের স্ট্রাসবুর্গে অবস্থিত।
- বেলজিয়াম ইউরো জোন-এ অবস্থিত এবং এর মুদ্রা ইউরো। ইউরো প্রবর্তনের পূর্বে বেলজিয়ামের মূদ্রার নাম ছিল বেলজিয়াম ফ্রাঁ।
- ভৌগলিক উপনাম অনুসারে উইরোপের ককপিট/রণক্ষেত্র- বেলজিয়াম,
- ইউরোপের ক্রীড়াভূমি-সুইজারল্যান্ড।
UNDP (United Nations Development Programme) এবং OECD (Organisation for Economic Co-operation and Development) এর রিপোর্ট অনুসারে, বেশ কিছু দেশে ১৫ বছরের বেশি বয়সী জনগোষ্ঠীর মধ্যে ১০০% শিক্ষার হার রয়েছে।
এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি দেশ হল:
- কানাডা
- অস্ট্রিয়া
- ফিনল্যান্ড
- এস্তোনিয়া
- জাপান
- ইসরায়েল
- দক্ষিণ কোরিয়া
- এছাড়াও, নরওয়ে, স্লোভেনিয়া, পোল্যান্ড, লাতভিয়া, লিথুনিয়া, আইসল্যান্ড, জার্মানি, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, এবং আয়ারল্যান্ড এর মতো দেশগুলোতেও ১৫ বছরের বেশি বয়সী জনগোষ্ঠীর মধ্যে ৯৯% এরও বেশি শিক্ষার হার রয়েছে।
জব সলুশন