‘ইউরোপের ককপিট’ বলা হয় কোন দেশকে?
বেলজিয়াম উত্তর-পশ্চিম ইউরোপের একটি দেশ। এটি একটি সাংবিধানিক রাজতন্ত্র। এটি ইউরোপের ক্ষুদ্রতম ও সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ দেশগুলির একটি। বেলজিয়াম ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য। এটি ইউরোপের সর্বাধিক নগরায়িত দেশ; এখানকার ৯৭% লোক শহরে বাস করে। নেদারল্যান্ডস ও লুক্সেমবুর্গের সাথে মিলে বেলজিয়াম নিচু দেশগুলি গঠন করেছে। দেশটির নাম বেল্গায়ে নামের এক কেল্টীয় জাতির নাম থেকে এসেছে। এই জাতিটি এখানকার আদি অধিবাসী ছিল; খ্রিস্টপূর্ব ৫৭ অব্দে জুলিয়াস সিজার এলাকাটি দখল করে নেন। ব্রুসেল শহরটি বেলজিয়ামের রাজধানী ও বৃহত্তম শহর। ইউরোপীয় কমিশন, ন্যাটো এবং বিশ্ব শুল্ক সংস্থার সদর দপ্তর ব্রাসেল্স-এ অবস্থিত।
- এছাড়া ইউরোপীয় পার্লমেন্টের নতুন ভবন এখানে অবস্থিত।
- ইউরোপীয় পার্লমেন্টের আদি ভবন ফ্রান্সের স্ট্রাসবুর্গে অবস্থিত।
- বেলজিয়াম ইউরো জোন-এ অবস্থিত এবং এর মুদ্রা ইউরো। ইউরো প্রবর্তনের পূর্বে বেলজিয়ামের মূদ্রার নাম ছিল বেলজিয়াম ফ্রাঁ।
- ভৌগলিক উপনাম অনুসারে উইরোপের ককপিট/রণক্ষেত্র- বেলজিয়াম,
- ইউরোপের ক্রীড়াভূমি-সুইজারল্যান্ড।
Related Questions
UNDP (United Nations Development Programme) এবং OECD (Organisation for Economic Co-operation and Development) এর রিপোর্ট অনুসারে, বেশ কিছু দেশে ১৫ বছরের বেশি বয়সী জনগোষ্ঠীর মধ্যে ১০০% শিক্ষার হার রয়েছে।
এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি দেশ হল:
- কানাডা
- অস্ট্রিয়া
- ফিনল্যান্ড
- এস্তোনিয়া
- জাপান
- ইসরায়েল
- দক্ষিণ কোরিয়া
- এছাড়াও, নরওয়ে, স্লোভেনিয়া, পোল্যান্ড, লাতভিয়া, লিথুনিয়া, আইসল্যান্ড, জার্মানি, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, এবং আয়ারল্যান্ড এর মতো দেশগুলোতেও ১৫ বছরের বেশি বয়সী জনগোষ্ঠীর মধ্যে ৯৯% এরও বেশি শিক্ষার হার রয়েছে।
ঢাকায় বাংলার রাজধানী স্থাপনের সময় (১৬১০) মোগল সুবেদার ছিলেন ইসলাম খাঁন ।
- মোগল সম্রাট জাহাঙ্গীরের শাসনামলে বাংলার সুবেদার ইসলাম খাঁন বাংলার রাজধানী হিসেবে ঢাকা শহরের গোড়াপত্তন করেন।
- তিনি ১৬১০ সালে সুবা বাংলার রাজধানী রাজমহল থেকে ঢাকায় স্থানান্তরিত করেন এবং সম্রাটের নামানুসারে ঢাকার নামকরণ করেন "জাহাঙ্গীরনগর"।
- পরবর্তীতে ১৬৬০.১৯৯৫,১৯৪৭ এবং ১৯৭১ সালে ঢাকাকে রাজধানী করা হয়
ঐতিহাসিক ২১-দফা দাবির প্রথম দাবিটি ছিল বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করা।
স্বাধীনতার সংগ্রামের স্মারক অপরাজেয় বাংলা ভাস্কর্যটি ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭৯ মহান বিজয় দিবসে উদ্বোধন করা হয়।
ঢাকার সাভারের নবীনগরে অবস্থিত জাতীয় স্মৃতিসৌধকে বলা হয় 'সম্মিলিত প্রয়াস'। শেখ মুজিবুর রহমান ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২ এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন এবং ১৫ ডিসেম্বর ১৯৮২ তৎকালীন রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ এটি উদ্ধোধন করেন। এর স্থপতি সৈয়দ মাইনুল হোসেন। ১০৯ একর জমির ওপর প্রতিষ্ঠিত এ সৌধে ৭টি ফলক রয়েছে। বাংলাপিডিয়া ৪ র্থ খণ্ড, পৃষ্ঠা - ১২ এর তথ্য মতে জাতীয় স্মৃতিসৌধের উচ্চতা ১৫০ ফুট বা ৪৫.৭২ মিটার। তবে প্রচিলিত তথ্য মতে, এর উচ্চতা ৪৬.৫ মিটার।
হাজংদের অধিবাস ময়মনসিংহ, নেত্রেকোনো ,শেরপুর ও সিলেট অঞ্চলে। হাজংরা পিতৃতান্ত্রিক সমাজের অন্তর্ভুক্ত। ধর্মবিশ্বাসের দিক থেকে হাজংদের মোটামুটিভাবে হিন্দু বলা যায়, যদিও কোনো কোনো দিক থেকে কিছু পার্থক্য লক্ষ্য করা যায়।
জব সলুশন