ঢাকা থেকে প্রকাশিত হয় কোন পত্রিকাটি?
চল্লিশের দশকের কিরণ শঙ্কর সেনগুপ্তের সম্পাদনায় ‘ক্রান্তি’ পত্রিকাটি ঢাকা থেকে প্রকাশিত হয়।
- ‘পরিচয়’ পত্রিকার সম্পাদক বিষ্ণু দে।
∎ গুরুত্তপূর্ণ পত্রিকার সম্পাদকঃ
- সাপ্তাহিক ‘বেগম ’ পত্রিকার সম্পাদক : নুরজাহান বেগম । প্রকাশ ১৯৪৭।
- ঢাকা থেকে প্রকাশিত পত্রিকা : শিখা, ক্রান্তি, প্রগতি, লোকায়ত
- কাজী নজরুলের পত্রিকা : ধূমকেতু , লাঙ্গল , নবযুগ।
- সওগাত পত্রিকার সম্পাদক : মোহাম্মদ নাসিরউদ্দিন
- বঙ্গদর্শন পত্রিকার সম্পাদক : বঙ্কিম ( ১৮৭২)
- তত্ত্ববোধিনী পত্রিকার সম্পাদক : অক্ষয়কুমার দত্ত( ১৮৪৩)
Related Questions
১৯২৩ সালে কলকাতা থেকে মাসিক 'কল্লোল' পত্রিকা প্রকাশিত হয় । এ পত্রিকার প্রথম সম্পাদক ছিলেন দীনেশরঞ্জন দাস ।
'কল্লোল ' পত্রিকায় নিয়মিত লিখতেনঃ
- অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত ,
- শৈলজানন্দ মুখােপাধ্যায়,
- বুদ্ধদেব বসু ,
- প্রেমেন্দ্র মিত্র,
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় প্রমুখ ।
এ পত্রিকাটি দৈনিক ,সাপ্তাহিক ,মাসিক, এমনকি বার্ষিক হিসেবেও প্রকাশিত হয়েছে এবং পরে আবার মাসিক রুপে প্রকাশিত হয়ে অবশেষে লুপ্ত হয়েছে। দৈনিক আজাদের প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক মোহাম্মদ আকরম খাঁর সম্পাদনায় 'মোহাম্মদী' ১৯০৩ সালের ১৮ আগস্ট কলকাতায় আত্মপ্রকাশ করে। তখন এটি ছিল মাসিক পত্রিকা। এরপর ১৯১০ সালে এটি 'সাপ্তাহিক মোহাম্মদী' নামে মোহাম্মদ আকরম খাঁ সম্পাদনায় প্রকাশিত হয়। ১৯২২ সালে এটি দৈনিক পত্রিকা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। ১৯২৭ সালের ৬ নভেম্বর 'মাসিক মোহাম্মদী ' আবার নতুনভাবে প্রকাশিত হয়।
সাপ্তাহিক 'সুধাকর' (১৮৯৪), মাসিক ‘মিহির’ (১৮৯২), মাসিক ‘হাফেজ’, 'মোসলেম ভারত' প্রভৃতি পত্রিকা সম্পাদনা করেন শেখ আবদুর রহিম।
- 'মুসলমান' (১৮৮৪), সাপ্তাহিক 'নব সুধাকর' (১৯৮৫), 'ইসলাম' (১৮৮৫) ইত্যাদি পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন মুন্সী মোহাম্মদ রেয়াজুদ্দীন আহমদ।
- মাসিক 'নূর' (১৯১৯) ও সাপ্তাহিক 'সুলতান' (১৯২৩) পত্রিকা সম্পাদনা করেন ইসমাইল হোসেন সিরাজী এবং মুন্সী মেহেরুল্লাহ ছিলেন ধর্মপ্রচারক ।
- তিনি কোনো পত্রিকা সম্পাদনা করেননি। তিনি 'খ্রিষ্টান ধর্মের অসারতা' নামে একটি প্রচার পুস্তিকা প্রকাশ করেন।
মুখে মুখে রচিত লোককাহিনী বা লৌকিক কাহিনীর প্রথম রচয়িতা দৌলত কাজী।
- এর মূল ভিত্তি কল্পনা।
- স্বর্গ-মর্ত্য পাতাল পর্যন্ত গল্পের আখ্যানের সীমানা বিস্তৃত।
- দেব-দৈত্য , জীন-পরী, রাক্ষস- খোক্ষস, রাজা-প্রজা, মাধু-সন্নাসী, পীর বিষয় নিয়ে লৌকিক কাহিনী রচিত হয়।
- দৌলক কাজীর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থের নাম ‘সীতময়না-লেরেচন্দ্রানী।’
- ১৬ শতকের কবি দৈলত কাজী কাব্যটি রচনা শুরু করলেও তাঁর মৃত্যুর পর শেষ করেন আলাওল।
‘নতুন চাঁদ’ কাজী নজরুল ইসলাম রচিত কাব্যগ্রন্থ,
- ‘কন্যাকুমারী’ আবদুর রাজ্জাক কর্তৃক রচিত উপন্যাস,
- ‘গড্ডলিকা’ রাজশেখর বসুর গল্পগ্রন্থ এবং
- ‘নেমেসিস’ নুরুল মোমেনের বিখ্যাত নাটক।
ইরাকের সাবেক প্রেসিডেন্ট জালাল তালাবানি কুর্দি সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। (উল্লেখ্য, তিনি ২০১৪ সালে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন শেষ করেন এবং ২০১৭ সালে মৃত্যুবরণ করেন)।
জব সলুশন