সাপ্তাহিক ‘সুধাকর’ এর সম্পাদক কে?
সাপ্তাহিক 'সুধাকর' (১৮৯৪), মাসিক ‘মিহির’ (১৮৯২), মাসিক ‘হাফেজ’, 'মোসলেম ভারত' প্রভৃতি পত্রিকা সম্পাদনা করেন শেখ আবদুর রহিম।
- 'মুসলমান' (১৮৮৪), সাপ্তাহিক 'নব সুধাকর' (১৯৮৫), 'ইসলাম' (১৮৮৫) ইত্যাদি পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন মুন্সী মোহাম্মদ রেয়াজুদ্দীন আহমদ।
- মাসিক 'নূর' (১৯১৯) ও সাপ্তাহিক 'সুলতান' (১৯২৩) পত্রিকা সম্পাদনা করেন ইসমাইল হোসেন সিরাজী এবং মুন্সী মেহেরুল্লাহ ছিলেন ধর্মপ্রচারক ।
- তিনি কোনো পত্রিকা সম্পাদনা করেননি। তিনি 'খ্রিষ্টান ধর্মের অসারতা' নামে একটি প্রচার পুস্তিকা প্রকাশ করেন।
Related Questions
মুখে মুখে রচিত লোককাহিনী বা লৌকিক কাহিনীর প্রথম রচয়িতা দৌলত কাজী।
- এর মূল ভিত্তি কল্পনা।
- স্বর্গ-মর্ত্য পাতাল পর্যন্ত গল্পের আখ্যানের সীমানা বিস্তৃত।
- দেব-দৈত্য , জীন-পরী, রাক্ষস- খোক্ষস, রাজা-প্রজা, মাধু-সন্নাসী, পীর বিষয় নিয়ে লৌকিক কাহিনী রচিত হয়।
- দৌলক কাজীর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থের নাম ‘সীতময়না-লেরেচন্দ্রানী।’
- ১৬ শতকের কবি দৈলত কাজী কাব্যটি রচনা শুরু করলেও তাঁর মৃত্যুর পর শেষ করেন আলাওল।
‘নতুন চাঁদ’ কাজী নজরুল ইসলাম রচিত কাব্যগ্রন্থ,
- ‘কন্যাকুমারী’ আবদুর রাজ্জাক কর্তৃক রচিত উপন্যাস,
- ‘গড্ডলিকা’ রাজশেখর বসুর গল্পগ্রন্থ এবং
- ‘নেমেসিস’ নুরুল মোমেনের বিখ্যাত নাটক।
ইরাকের সাবেক প্রেসিডেন্ট জালাল তালাবানি কুর্দি সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। (উল্লেখ্য, তিনি ২০১৪ সালে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন শেষ করেন এবং ২০১৭ সালে মৃত্যুবরণ করেন)।
বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালে ইসলামী সম্মেলন সংস্থা (বর্তমান নাম: অর্গানাইজেশন অব ইসলামিক কো-অপারেশন (OIC))-এর সদস্যপদ লাভ করে। ১৯৭৪ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত ওআইসি-এর দ্বিতীয় শীর্ষ সম্মেলনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অংশগ্রহণের মাধ্যমে বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে এই সংস্থার সদস্যপদ অর্জন করে
∎ড. মাহাথির মোহাম্মদ:
ড. মাহাথির মোহাম্মদ মালয়েশিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও আধুনিক মালয়েশিয়ার স্থপতি। তিনি ১৯৮১ সালে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তার নেতৃত্বে ক্ষমতাসীন দল পর পর পাঁচবার সংসদ নির্বাচনে জয়ী হয়ে সরকার গঠন করে। তিনি এশিয়ার সবচেয়ে দীর্ঘ সময় ধরে গণতান্ত্রিক ভাবে নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। ২০০৩ সালের ৩০শে অক্টোবর তিনি স্বেচ্ছায় প্রধানমন্ত্রীর পদ ছেড়ে দেন।
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি অর্থনৈতিক জোট ASEAN (Association of Southeast Asian Nations)। এটি প্রতিষ্ঠিত হয় ৮ আগস্ট, ১৯৬৭ সালে। এর সদরদপ্তর অবস্থিত ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তায়।
আসিয়ানের বর্তমান সদস্য দেশ ১০টি। সদস্য দেশগুলো হলো- মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড, ফিলিপাইন, সিঙ্গাপুর, ইন্দোনেশিয়া, ব্রুনাই, ভিয়েতনাম, লাওস, মিয়ানমার ও কম্বোডিয়া।
- ASEAN দেশগুলি AFTA বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষর করে ২০০৩ সালে।
- Asean Regional Forum (ARF) গঠিত হয় ১৯৯৪ সালে। সদর দপ্তর জাকার্তায়। সদস্য ২৭টি।
- প্রতিযোগিতামূলক অর্থনৈতিক দিক দিয়ে আসিয়ান- এ শীর্ষ দেশ সিঙ্গাপুর।
এর উদ্দেশ্যঃ
- দক্ষিন পূর্ব এশিয়াকে কমিউনিস্ট প্রভাবের বাহিরে রাখা।
- আসিয়ানভূক্ত দেশগুলোর মধ্যকার বহুপাক্ষিক এবং দ্বিপাক্ষিক দ্বন্দ্ব-সংঘাতের নিরসন করা। এছাড়াও সদস্যদেশগুলোর অর্থনৈতিক জোট হিসাবে ভূমিকা পালনের চেষ্টা। অন্যান্য দেশ বিশেষ করে আমেরিকার সাথে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিকশিত করে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন।
জব সলুশন