ইসমাইল হোসেন সিরাজী'র গ্রন্থ -
ইসমাইল হোসেন সিরাজী'র গ্রন্থ - রায় নন্দিনী।
সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী (১৮৮০ - ১৯৩১) ছিলেন একজন বাঙালি লেখক ও কবি। তিনি ১৯ ও ২০ শতকে বাঙালি মুসলিম পুনর্জাগরণের প্রবক্তাদের একজন।
তিনি মুসলিমদের জন্যে বিজ্ঞানসাধনা, মাতৃভাষাচর্চা, নারীদের শিক্ষা এসবের পক্ষে লেখালেখি করেন। তার অনল - প্রবাহ কাব্যগ্রন্থটি সরকার বাজেয়াপ্ত করে এবং তিনি কারাবন্দী হন।
তার উল্লেখযোগ্য উপন্যাস সম্পাদনা:
রায়নন্দিনী (১৯১৫),
তারাবাঈ (১৯১৬),
ফিরোজা বেগম (১৯১৮),
নূরউদ্দীন (১৯১৯),
জাহানারা (১৯৩১)।
Related Questions
ইসমাইল হোসেন সিরাজীর কাব্যগ্রন্থ:
অনল - প্রবাহ (১৯০০)
আকাঙ্ক্ষা(১৯০৬)
উছ্বাস (১৯০৭)
উদ্বোধন (১৯০৭)
নব উদ্দীপনা (১৯০৭)
স্পেন বিজয় কাব্য (১৯১৪)
মহাশিক্ষা মহাকাব্য (১ম খণ্ড - ১৯৬৯, ২য় খণ্ড - ১৯৭১)
সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী (১৮৮০ - ১৯৩১) ছিলেন একজন বাঙালি লেখক ও কবি। তিনি ১৯ ও ২০ শতকে বাঙালি মুসলিম পুনর্জাগরণের প্রবক্তাদের একজন। তিনি মুসলিমদের জন্যে বিজ্ঞানসাধনা, মাতৃভাষাচর্চা, নারীদের শিক্ষা এসবের পক্ষে লেখালেখি করেন। তার অনল - প্রবাহ কাব্যগ্রন্থটি সরকার বাজেয়াপ্ত করে এবং তিনি কারাবন্দী হন।
শরৎচন্দ্রের প্রথম উপন্যাস বড়দিদি।
বড়দিদি (প্রকাশকাল: সেপ্টেম্বর, ১৯১৩) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস। এই উপন্যাসে মোট দশটি পরিচ্ছেদ রয়েছে।
১৩১৪ বঙ্গাব্দের জ্যৈষ্ঠ মাসে ভারতী পত্রিকার সম্পাদিকা সরলা দেবী লাহোর থেকে কলকাতা ফিরে পত্রিকার ভার সৌরীন্দ্রমোহন মুখোপাধ্যায়ের ওপর অর্পণ করেন। তার আগ্রহে বৈশাখ, জ্যৈষ্ঠ ও আষাঢ় সংখ্যায় তিন ভাগে বড়দিদি প্রকাশিত হয়।
প্রথম দুই সংখ্যায় লেখক হিসেবে শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নাম ঊহ্য রাখা হলে এই লেখা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কি না তা নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরী হয়। আষাঢ় সংখ্যায় বড়দিদির লেখক হিসেবে শরৎচন্দ্রের নাম প্রকাশ করা হয়। ১৯১৩ খ্রিষ্টাব্দে যমুনা পত্রিকার সম্পাদক ফণীন্দ্রনাথ পাল শরৎচন্দ্রের নিষেধ সত্ত্বেও এই উপন্যাস পুস্তকাকারে প্রকাশ করেন।
জব সলুশন