শরৎচন্দ্রের প্রথম উপন্যাস কোনটি ?
শরৎচন্দ্রের প্রথম উপন্যাস বড়দিদি।
বড়দিদি (প্রকাশকাল: সেপ্টেম্বর, ১৯১৩) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস। এই উপন্যাসে মোট দশটি পরিচ্ছেদ রয়েছে।
১৩১৪ বঙ্গাব্দের জ্যৈষ্ঠ মাসে ভারতী পত্রিকার সম্পাদিকা সরলা দেবী লাহোর থেকে কলকাতা ফিরে পত্রিকার ভার সৌরীন্দ্রমোহন মুখোপাধ্যায়ের ওপর অর্পণ করেন। তার আগ্রহে বৈশাখ, জ্যৈষ্ঠ ও আষাঢ় সংখ্যায় তিন ভাগে বড়দিদি প্রকাশিত হয়।
প্রথম দুই সংখ্যায় লেখক হিসেবে শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নাম ঊহ্য রাখা হলে এই লেখা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কি না তা নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরী হয়। আষাঢ় সংখ্যায় বড়দিদির লেখক হিসেবে শরৎচন্দ্রের নাম প্রকাশ করা হয়। ১৯১৩ খ্রিষ্টাব্দে যমুনা পত্রিকার সম্পাদক ফণীন্দ্রনাথ পাল শরৎচন্দ্রের নিষেধ সত্ত্বেও এই উপন্যাস পুস্তকাকারে প্রকাশ করেন।
Related Questions
বাংলা সাহিত্যের অপরাজেয় কথাশিল্পী হিসেবে সুপরিচিত শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৮৭৬ - ১৯৩৮)। তার সাহিত্য কর্মের স্বীকৃতি হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ১৯৩৬ সালে তাকে সম্মানসূচক ডি - লিট ডিগ্রি প্রদান করে। বাঙ্গালী নারীর প্রকৃতি অঙ্কনে তিনি যে দক্ষতা দেখিয়েছেন 'দেনাপাওনা' তার একটি।
'ইন্দ্রনাথ ' শরৎচন্দ্রের শ্রীকান্ত উপন্যাসের চরিত্র ।
শ্রীকান্ত শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত একটি জীবনচরিত মূলক উপন্যাস। তিনি এই উপন্যাসটি মোট চার খণ্ডে সমাপ্ত করেন। চারটি খণ্ড একসাথে লেখেন নি। যথাক্রমে ১৯১৭, ১৯১৮, ১৯২৭ এবং ১৯৩৩ সালে চারটি খণ্ড লেখা শেষ করেন।
চারটি খণ্ডে প্রকাশিত এই উপন্যাসে অনেক চরিত্র, উপ - চরিত্র, আখ্যান, উপ - আখ্যান তিনি তৈরি করেছেন। এর মধ্যে ইন্দ্র, পিয়ারী বা রাজলক্ষ্মী, অভয়া, গহর, কুমার সাহেব, টগর, রতন, বঙ্কু, কমললতা, ব্রজানন্দ, পুঁটি, নবীন, নন্দ মিস্ত্রি গোটা উপন্যাসে ধানখেতের আইলে আইলে একে অপরের সঙ্গে জড়িয়ে আছে। প্রতিটি চরিত্র বাঙালি পাঠককে প্রবলভাবে আকৃষ্ট করেছে, এখনও সমানভাবে করছে। ভবিষ্যতেও করবে ।
পথের দাবী বিংশ শতাব্দীর প্রথমভাগের অন্যতম বাঙ্গালী কথাসাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় কর্তৃক বিরচিত একটি জনপ্রিয় উপন্যাস। এ উপন্যাসটি ১৯২৬ খ্রিষ্টাব্দের আগস্ট মাসে সর্বপ্রথম প্রকাশিত হয়েছিল।
'বই পড়া' প্রবন্ধটি প্রমথ চৌধুরীর প্রবন্ধ সংগ্রহ থেকে নির্বাচন করা হয়েছে। একটি লাইব্রেরির বার্ষিক সভায় প্রবন্ধটি পঠিত হয়েছিল। প্রমথ চৌধুরী ৭ই আগস্ট ১৮৬৮ সালে যশোরে জন্মগ্রহণ করেন।
প্রমথ চৌধুরী (৭ আগস্ট ১৮৬৮ — ২ সেপ্টেম্বর ১৯৪৬) বিংশ শতাব্দীর অন্যতম প্রাবন্ধিক, কবি ও লেখক। তার পৈতৃক নিবাস ছিল বর্তমান বাংলাদেশের পাবনা জেলার চাটমোহর উপজেলার হরিপুর গ্রামে। তিনি বাংলা গদ্যে চলিতরীতির প্রবর্তক; এছাড়া বাংলা সাহিত্যে প্রথম বিদ্রূপাত্মক প্রবন্ধ রচনা করেন। সবুজপত্র পত্রিকা সম্পাদনার মাধ্যমে বাংলা সাহিত্যে চলিতরীতি প্রবর্তন করেন। গল্পকার ও সনেটকার হিসেবেও তাঁর বিশিষ্ট অবদান রয়েছে।
গল্পগ্রন্থ সম্পাদনাঃ
চার - ইয়ারী কথা (১৯১৬)
আহুতি (১৯১৯)
নীললোহিত (১৯৪১)
"অনুকথা সপ্তক"
"ঘোষালে ত্রিকথা"
জব সলুশন