মাইকেল মধুসূদন দত্তের মহাকাব্য কোনটি?
মেঘনাদবধ কাব্য ১৯ - শতকীয় বাঙালি কবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত কর্তৃক অমিত্রাক্ষর ছন্দে লেখা একটি মহাকাব্য। এটি ১৮৬১ সালে দুই খণ্ডে বই আকারে প্রকাশিত হয়। কাব্যটি মোট নয়টি সর্গে বিভক্ত। মেঘনাদবধ কাব্য হিন্দু মহাকাব্য রামায়ণ অবলম্বনে রচিত, যদিও এর মধ্যে নানা বিদেশী মহাকাব্যের ছাপও সুস্পষ্ট।
Related Questions
মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত ও প্রকাশিত প্রথম গ্রন্থের নাম ' ক্যাপটিভ লেডী'(captive laide).
রাজমোহনস ওয়াইফ - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের লেখা।
মাইকেল মধুসূদন দত্তের 'বীরাঙ্গনা' বাংলা সাহিত্যের প্রথম পত্রকাব্য। এ কাব্যে মোট এগারটি পত্র আছে। এ কাব্যে মধুসূদন দত্ত পৌরাণিক নারীদের আধুনিক মানুষ হিসেবে পুনর্জাগরিত করেছেন। 'ব্রজাঙ্গনা' মধুসূদন দত্ত রচিত রাধা - কৃ্ষ্ণ বিষয়ক গীতিকাব্য। 'হিমালয়' জলধর সেন রচিত ভ্রমণকাহিনি। আর 'বিলাতের পত্র' ভ্রমণ কাহিনীর রচয়িতা গিরিশচন্দ্র বসু।
মাইকেল মধুসূদন দত্ত অমিত্রাক্ষর ছন্দের সফল প্রয়োগ ঘটান 'তিলোত্তমাসম্ভব' কাব্যগ্রন্থে। তার রচিত' মেঘনাদবধ কাব্য' বাংলা সাহিত্যের সর্বপ্রথম ও সর্বশ্রেষ্ঠ মহাকাব্য এবং 'বীরঙ্গনা' বাংলা সাহিত্যের সর্বপ্রথম পত্রকাব্য। ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত 'বেতালপঞ্চবিংশতি' হিন্দি 'বৈতাল পচ্চীসীর' অনুবাদ' বিদ্যাসাগর এই গ্রন্থে সর্বপ্রথম যতি - চিহ্নের সফল প্রয়োগ করেন।
বাংলা সাহিত্যে প্রথম সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতা লেখেন কবি ও নাট্যকার মধুসূদন দত্ত (১৮২৪ - ১৮৭৩ খ্রি). । তার রচিত সনেটসমূহ 'চতুর্দশপদী কবিতাবলী' (১৮৬৬) তে সংকলিত। প্রশ্নে উল্লিখিত অন্য কবি - সাহিত্যিকগণ সনেট রচনা করেননি।
১৯ শতকের শ্রেষ্ঠ লেখক ও শিক্ষাবিদ ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে (১৮২০ - ১৮৯১) বলা হয় বাংলা গদ্যের জনক । তিনিই প্রথম বাংলা গদ্যে বিরাম চিহ্নের প্রয়োগ ঘটিয়ে বাংলা গদ্যরীতিকে উৎকর্ষের এক উচ্চতর পরিসীমায় উন্নীত করেন। তার রচিত কয়েকটি গ্রন্থ : 'শকুন্তলা' 'বেতালপঞ্চবিংশতি' , 'সীতার বনাবাস' ভ্রান্তিবিলাস' প্রভাবতী সম্ভাষণ' 'বর্ণপরিচয়' বোধোদয়।
জব সলুশন