মাইকেল মধুসূদন দত্তের রচনা নয় কোনটি?
মাইকেল মধুসূদন দত্ত অমিত্রাক্ষর ছন্দের সফল প্রয়োগ ঘটান 'তিলোত্তমাসম্ভব' কাব্যগ্রন্থে। তার রচিত' মেঘনাদবধ কাব্য' বাংলা সাহিত্যের সর্বপ্রথম ও সর্বশ্রেষ্ঠ মহাকাব্য এবং 'বীরঙ্গনা' বাংলা সাহিত্যের সর্বপ্রথম পত্রকাব্য। ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত 'বেতালপঞ্চবিংশতি' হিন্দি 'বৈতাল পচ্চীসীর' অনুবাদ' বিদ্যাসাগর এই গ্রন্থে সর্বপ্রথম যতি - চিহ্নের সফল প্রয়োগ করেন।
Related Questions
বাংলা সাহিত্যে প্রথম সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতা লেখেন কবি ও নাট্যকার মধুসূদন দত্ত (১৮২৪ - ১৮৭৩ খ্রি). । তার রচিত সনেটসমূহ 'চতুর্দশপদী কবিতাবলী' (১৮৬৬) তে সংকলিত। প্রশ্নে উল্লিখিত অন্য কবি - সাহিত্যিকগণ সনেট রচনা করেননি।
১৯ শতকের শ্রেষ্ঠ লেখক ও শিক্ষাবিদ ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে (১৮২০ - ১৮৯১) বলা হয় বাংলা গদ্যের জনক । তিনিই প্রথম বাংলা গদ্যে বিরাম চিহ্নের প্রয়োগ ঘটিয়ে বাংলা গদ্যরীতিকে উৎকর্ষের এক উচ্চতর পরিসীমায় উন্নীত করেন। তার রচিত কয়েকটি গ্রন্থ : 'শকুন্তলা' 'বেতালপঞ্চবিংশতি' , 'সীতার বনাবাস' ভ্রান্তিবিলাস' প্রভাবতী সম্ভাষণ' 'বর্ণপরিচয়' বোধোদয়।
বাংলা গদ্যের জনক ও বাংলা গদ্যে প্রথম যতি চিহ্ন ব্যবহারকারী ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের আত্মজীবনীমূলক বর্ণনাধর্মী অসমাপ্ত রচনার নাম 'আত্মচরিত' । এ গ্রন্থে তার শৈশব জীবনের কথা, পিতা, পিতামহ ও জননীর কথা বর্ণনা করেছেন। তার আরো কয়েকটি উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ: বেতালপঞ্চবিংশতি, ভ্রান্তিবিলাস, প্রভাবতী সম্ভাষণ, বর্ণপরিচয়, বোধোদয় ,সীতার বনবাস, ব্রজবিলাস।
ইংরেজি সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ নাট্যকার উইলিয়াম শেক্সপিয়র (১৫৬৪ - ১৬১৬ খ্রি.) রচিত নাটক কমেডি অফ এররস অবলম্বনে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর (১৮২০ - ১৮৯১ খ্রি.) 'ভ্রান্তিবিলাস' রচনা করেন। ১৮৬৯ সালে তিনি শেক্সপিয়রের এ নাটকটির বঙ্গানুবাদ করেন।
জব সলুশন