কোন ত্রিভূজের একটি বহিঃস্থকোণ ও এর অন্তঃস্থ সন্নিহিত কোণের সমষ্টি কত ?
কোনো ত্রিভুজের বহিঃস্থ ও এর অন্তঃস্থ সন্নিহিত কোণ মিলে একটি সরলকোণ উৎপন্ন হয়। আর সরলকোণের মান ১৮০°। সুতরাং, উক্ত কোণদ্বয়ের সমষ্টি ১৮০°।
Related Questions
রম্বসের ক্ষেত্রফল = ½ × কর্ণদ্বয়ের গুনফল
⇒ 52 = ½ × কর্ণদ্বয়ের গুনফল
⇒ কর্ণদ্বয়ের গুনফল= 52 X 2 =104 বর্গ সে.মি.
দেওয়া আছে,
বৃত্তের ব্যাসার্ধ = ৭ সে.মি.
বৃত্তের ব্যাস = ২ x ৭ = ১৪ সে.মি.
আমরা জানি,
বৃত্তের ব্যাসই বৃত্তের বৃহত্তম জ্যা।
অতএব, বৃহত্তম জ্যা = ১৪ সে.মি.
ধরি,
একটি সংখ্যা x
অপর সংখ্যাটি y
প্রশ্নমতে,
x + y = 47 ......(i)
x - y = 7 ....... (ii)
(i) ও (ii) যোগ করে পাই,
2x = 54
⇒ x = 54/2
∴ x = 27
x এর মান (i) এ বসিয়ে পাই,
27 + y = 47
⇒ y = 47 - 27
∴ y = 20
∴ সংখ্যা দুটইর একটি 27 অপরটি 20
৪% লাভে,
বিক্রয়মূল্য ১০৪ টাকা হলে ক্রয়মুল্য=১০০ টাকা
" ১ " " " =১০০/১০৪ টাকা
" ৪৬৮ " " =(৪৬৮ x ১০০)/১০৪ টাকা
=৪৫০ টাকা
আইসিডিডিআরবি (icddr,b) হাসপাতালে মূলত ডায়রিয়া, কলেরা এবং তীব্র পেটের পীড়ার মতো পানিবাহিত ও সংক্রামক রোগের বিনামূল্যে ও বিশেষায়িত চিকিৎসা প্রদান করা হয়। এছাড়া এখানে অপুষ্টিজনিত সমস্যা এবং নির্দিষ্ট কিছু শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণসহ বিভিন্ন জরুরি জনস্বাস্থ্য সংকটের চিকিৎসা সেবা দেওয়া হয়।
⇒ ‘লাইন অব কন্ট্রোল’ (Line of Control বা LoC) হলো ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে কাশ্মীর অঞ্চলের একটি ডি ফ্যাক্টো (De facto) বা কার্যকরী সীমান্তরেখা, যা আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত চূড়ান্ত সীমানা নয়।
⇒ ১৯৪৭ সালে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের পর ১৯৪৯ সালে জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় যে যুদ্ধবিরতি রেখা বা ‘Cease-fire Line’ নির্ধারিত হয়েছিল, ১৯৭১ সালের যুদ্ধের পর ১৯৭২ সালের ‘শিমলা চুক্তি’ (Simla Agreement) অনুযায়ী সেটির নাম পরিবর্তন করে ‘লাইন অব কন্ট্রোল’ রাখা হয়।
⇒ এই রেখাটি কাশ্মীর উপত্যকাকে দুই ভাগে বিভক্ত করেছে: এক অংশ ভারত-নিয়ন্ত্রিত জম্মু ও কাশ্মীর এবং অন্য অংশ পাকিস্তান-নিয়ন্ত্রিত আজাদ কাশ্মীর ও গিলগিট-বাল্টিস্থান। এই রেখাটির দৈর্ঘ্য প্রায় ৭৪০ কিলোমিটার।
⇒ পরীক্ষার্থীরা প্রায়ই ‘র্যাডক্লিফ লাইন’-এর সাথে এটি গুলিয়ে ফেলেন। মনে রাখা প্রয়োজন, ১৯৪৭ সালে দেশভাগের সময় ভারত ও পাকিস্তানের মূল ভূখণ্ডের (পাঞ্জাব ও বাংলা) যে আন্তর্জাতিক সীমানা নির্ধারিত হয়েছিল, তার নাম ‘র্যাডক্লিফ লাইন’। আর কাশ্মীরের সামরিক নিয়ন্ত্রণ রেখা হলো ‘লাইন অব কন্ট্রোল’।
অতিরিক্ত তথ্য: চীন ও ভারতের মধ্যকার সীমান্তরেখাকে বলা হয় ‘লাইন অব একচুয়াল কন্ট্রোল’ (LAC) এবং দক্ষিণ কোরিয়া ও উত্তর কোরিয়ার বিভাজনকারী রেখাকে বলা হয় ‘৩৮তম অক্ষরেখা’ (38th Parallel)।
জব সলুশন