“ লাইন অব কন্ট্রোল “ কোন দুটি দেশের মধ্যে ?
⇒ ‘লাইন অব কন্ট্রোল’ (Line of Control বা LoC) হলো ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে কাশ্মীর অঞ্চলের একটি ডি ফ্যাক্টো (De facto) বা কার্যকরী সীমান্তরেখা, যা আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত চূড়ান্ত সীমানা নয়।
⇒ ১৯৪৭ সালে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের পর ১৯৪৯ সালে জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় যে যুদ্ধবিরতি রেখা বা ‘Cease-fire Line’ নির্ধারিত হয়েছিল, ১৯৭১ সালের যুদ্ধের পর ১৯৭২ সালের ‘শিমলা চুক্তি’ (Simla Agreement) অনুযায়ী সেটির নাম পরিবর্তন করে ‘লাইন অব কন্ট্রোল’ রাখা হয়।
⇒ এই রেখাটি কাশ্মীর উপত্যকাকে দুই ভাগে বিভক্ত করেছে: এক অংশ ভারত-নিয়ন্ত্রিত জম্মু ও কাশ্মীর এবং অন্য অংশ পাকিস্তান-নিয়ন্ত্রিত আজাদ কাশ্মীর ও গিলগিট-বাল্টিস্থান। এই রেখাটির দৈর্ঘ্য প্রায় ৭৪০ কিলোমিটার।
⇒ পরীক্ষার্থীরা প্রায়ই ‘র্যাডক্লিফ লাইন’-এর সাথে এটি গুলিয়ে ফেলেন। মনে রাখা প্রয়োজন, ১৯৪৭ সালে দেশভাগের সময় ভারত ও পাকিস্তানের মূল ভূখণ্ডের (পাঞ্জাব ও বাংলা) যে আন্তর্জাতিক সীমানা নির্ধারিত হয়েছিল, তার নাম ‘র্যাডক্লিফ লাইন’। আর কাশ্মীরের সামরিক নিয়ন্ত্রণ রেখা হলো ‘লাইন অব কন্ট্রোল’।
অতিরিক্ত তথ্য: চীন ও ভারতের মধ্যকার সীমান্তরেখাকে বলা হয় ‘লাইন অব একচুয়াল কন্ট্রোল’ (LAC) এবং দক্ষিণ কোরিয়া ও উত্তর কোরিয়ার বিভাজনকারী রেখাকে বলা হয় ‘৩৮তম অক্ষরেখা’ (38th Parallel)।
Related Questions
প্রতি বছর ৫ জুন বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত হয়। পরিবেশ সুরক্ষা ও সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে জাতিসংঘের পরিবেশ কর্মসূচি (UNEP)-এর উদ্যোগে ১৯৭৩ সাল থেকে বিশ্বব্যাপী এই দিবসটি পালন করা হয়ে আসছে।
বাংলাদেশের একটি জীবন্ত জীবাশ্ম হলো রাজ কাঁকড়া (Horseshoe Crab)। এটি প্রায় ৫৫ কোটি বছর ধরে পৃথিবীতে টিকে রয়েছে এবং এর শারীরিক গঠনে কোনো বড় পরিবর্তন আসেনি।
নিউমোনিয়া মূলত মানবদেহের ফুসফুস (Lungs) আক্রান্ত করে। ফুসফুসের ভেতরে থাকা ছোট ছোট বায়ুথলি বা অ্যালভিওলি (Alveoli) ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস বা ছত্রাকের সংক্রমণের কারণে প্রদাহের শিকার হয় এবং সেখানে তরল বা পুঁজ জমে যায়। এর ফলে শ্বাসকষ্ট, বুকে ব্যথা এবং কাশির মতো সমস্যা দেখা দেয় ।
ভিটামিন সি-এর অভাবে মূলত স্কার্ভি (Scurvy) রোগ হয় । এটি শরীরে কোলাজেন উৎপাদন কমিয়ে দেয়, যার ফলে মাড়ি থেকে রক্তপাত, দাঁত নড়ে যাওয়া, ত্বক শুষ্ক হওয়া, ক্ষত শুকাতে দেরি হওয়া, ক্লান্তি এবং পেশি ও জয়েন্টে ব্যথা হতে পারে।
মধু এমন একটি প্রাকৃতিক খাদ্য যাতে কখনোই পচন ধরে না বা এটি নষ্ট হয় না।
সার্কের (SAARC) প্রথম মহাসচিব ছিলেন বাংলাদেশের প্রখ্যাত কূটনীতিক আবুল আহসান। তিনি ১৬ জানুয়ারি ১৯৮৭ থেকে অক্টোবর ১৯৮৯ সাল পর্যন্ত এই দায়িত্ব পালন করেন । আবুল আহসান বাংলাদেশের পররাষ্ট্র সচিব ও যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
জব সলুশন