যৌগিক বাক্যের অন্যতম গুণ কি?
যৌগিক বাক্য সাধারণত দুটি বা ততোধিক সরল বাক্যকে সংযোজক অব্যয় (যেমন - এবং, ও, আর, কিন্তু, অথবা, অথচ, তথাপি, কিংবা ইত্যাদি) দ্বারা যুক্ত করে গঠিত হয়। প্রতিটি সরল বাক্যই একটি স্বাধীন অর্থ প্রকাশ করে এবং সংযোজক অব্যয় দ্বারা যুক্ত হয়ে একটি যৌগিক বাক্য তৈরি করে।
Related Questions
আট কপালে- হতভাগ্য;
উড়নচণ্ডী – অমিতব্যয়ী;
ছা-পোষা- পোষ্য ভারাক্রান্ত;
ভূশণ্ডির কাক- দীর্ঘায়ু ব্যক্তি।
জাতিবাচক বিশেষ্য: যে বিশেষ্য পদের সাহায্যে কোনো প্রাণী বা বস্তুর জাতি বোঝায়, তাকে জাতিবাচক বিশেষ্য বলে। যেমন: মানুষ, মুসলিম, নদী, বই, বাঙালি, হিন্দু, রাজা, ধনীরা ইত্যাদি।
-বিভিন্ন ধ্বনিকে লেখার সময় বা নির্দেশ করার সময় যে চিহ্ন ব্যবহার করা হয়ে থাকে সাধারণত তাকে বর্ণ বলা হয় ।
-বাংলা ভাষায় মোট ৫০ টি বর্ণ রয়েছে ।
-অপরদিকে এককথায় বর্ণ কাকে বলে বলতে গেলে, “ধ্বনির লিখিত বা সাংকেতিক রূপকে বলা হয় বর্ণ “।
জীবনী- বিশেষণ;
জীবন- বিশেষ্য;
জীবাণু- বিশেষ্য;
জীবিকা-বিশেষ্য।
প্রাচীন ভারতীয় লিপি দুটি। ব্রাহ্মী ও খরোষ্ঠী। ব্রাহ্মী লিপি তিন ভাগে বিভক্ত। পুর্বী লিপি, মধ্য ভারতীয় লিপি এবং পশ্চিমা লিপি। পুর্বী লিপির কুটিল রূপ হতে বাংলা লিপির উদ্ভব।
যার কোন মূল্য নেই - এর বাগধারায় প্রকাশ হয় 'ঢাকের বায়া'।
ডাকাবুকা বাগধারার অর্থ - দুরন্ত।
তামার বিষ - অর্থের কুপ্রভাব।
তুলসী বনের বাঘ - ভণ্ড।
জব সলুশন