বাংলা লিপির উৎস কী?
প্রাচীন ভারতীয় লিপি দুটি। ব্রাহ্মী ও খরোষ্ঠী। ব্রাহ্মী লিপি তিন ভাগে বিভক্ত। পুর্বী লিপি, মধ্য ভারতীয় লিপি এবং পশ্চিমা লিপি। পুর্বী লিপির কুটিল রূপ হতে বাংলা লিপির উদ্ভব।
Related Questions
যার কোন মূল্য নেই - এর বাগধারায় প্রকাশ হয় 'ঢাকের বায়া'।
ডাকাবুকা বাগধারার অর্থ - দুরন্ত।
তামার বিষ - অর্থের কুপ্রভাব।
তুলসী বনের বাঘ - ভণ্ড।
• যে শব্দ বিশ্লেষণ করা যায় না বা ভেঙে আলাদা করা যায় না, সেগুলোকে মৌলিক শব্দ বলে। যেমন: গোলাপ, নাক, লাল, তিন, গাছ, পাখি, ফুল, হাত ইত্যাদি।
• যেসব শব্দকে বিশ্লেষণ করলে আলাদা অর্থবোধক শব্দ পাওয়া যায়, সেগুলোকে সাধিত শব্দ বলে। যেমন: =শীত+ল = শীতল; না (নৌকা) +নাইয়া > মেয়ে; গুরু+ষ্ণ = গৌরব।
রাবনের চিতা - বাগধারার অর্থ - চির অশান্তি।
অনিষ্টে ইষ্ট লাভ - আশায় নৈরাশা।
বাংলা ভাষায় প্রথম প্রকাশিত দৈনিক সংবাদপত্র ''সংবাদ প্রভাকর''। পত্রিকাটি সাপ্তাহিকরূপে প্রথম আত্মপ্রকাশ করে ১৮৩১ সালে। ১৮৩৯ সালে এটি পরিণত হয় দৈনিক পত্রিকায়। এই পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত।
বাংলা ভাষার আদি স্তরের স্থিতিকাল হিসেবে দশম থেকে চতুর্দশ শতাব্দীকে ধরা হয়। এই সময়ে বাংলা ভাষার প্রাথমিক রূপগুলো বিকশিত হতে শুরু করে এবং এর সাহিত্যিক নিদর্শনও পাওয়া যায়, যেমন চর্যাপদ।
১৮৮৩ সালে প্রভাতসংগীত কাব্যটির প্রকাশ। এ কাব্যগ্রন্থের কবিতায় হচ্ছে ‘নির্ঝরের স্বপ্নভঙ্গ’। শৈশব থেকে কবি হওয়ার বাসনা ধরে সংশোধিত হতে হতে তিনি প্রভাতসংগীতের কাছে পৌঁছে যান। এ কাব্যগ্রন্থের কবিতা ‘নির্ঝরের স্বপ্নভঙ্গ’ কবিতাটি তার কাব্যচর্চার সার্থক সৃষ্টি বলেই তিনি মতামত ব্যক্ত করে গেছেন। কবিতাটিতে বাইরের জিনিসকে অন্তরে এবং তার রসায়নই যে এই কবিতার মূল নির্যাস তা তার চিত্তের উচ্ছ্বাস থেকেই বোঝা যায়। এ কবিতায় কবি যেন গ্রহীতা আর প্রকৃতি হচ্ছে দাতা। প্রকৃতির অকৃপণ দান কবি আনন্দচিত্তে গ্রহণ করেছেন। ১৮৮৩ সাল কবির জীবনে দুটি কারণে স্মরণীয় একটি ‘নির্ঝরের স্বপ্নভঙ্গ’ কবিতার গ্রন্থভুক্তি এবং প্রকাশ অপরটি তার বিয়ে। ১৮৮৩ সালের ডিসেম্বর মাসে বাইশ বছর আট মাস বয়সে কবি রবীন্দ্রনাথের বিয়ে হয়।
জব সলুশন