বাংলাদেশ রেলওয়ের সর্ববৃহৎ কারখানা কোথায়?
১৮৭০ সালে নীলফামারী জেলার সৈয়দপুরে ১১০ একর জমির উপর প্রতিষ্ঠিত হয় দেশের বৃহত্তম রেলওয়ে কারখানা- সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানা।
Related Questions
কৃত্রিম উপগ্রহে বস্তুর ওজন পৃথিবীতে এর ওজনের তুলনায় শূন্য। মহাশূন্যে উপগ্রহটি পৃথিবীকে কেন্দ্র করে আবর্তন করার সময় সবসময় মুক্তভাবে পতনশীল (free fall) অবস্থায় থাকে। এর ফলে উপগ্রহের ভেতর থাকা সকল বস্তু বা মানুষ ওজনহীনতা অনুভব করে।
রেডিমেড গার্মেন্টস বা তৈরি পোশাক (RMG) শিল্পই বাংলাদেশের সর্বাধিক বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী খাত。তৈরি পোশাক খাত থেকে বাংলাদেশের মোট রপ্তানি আয়ের প্রায় ৮০%-এর বেশি অর্জিত হয়。 বিশ্ববাজারে পোশাক রপ্তানিতে বাংলাদেশ বর্তমানে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় দেশগুলোর অন্যতম。
বিশ্বের সর্ববৃহৎ হ্রদ হলো কাস্পিয়ান সাগর।
দিল্লি থেকে দেবগিরিতে রাজধানী স্থানান্তর করেছিলেন তুঘলক রাজবংশের সুলতান মুহম্মদ বিন তুঘলক । তিনি ১৩২৭ সালে এই সিদ্ধান্ত নেন এবং দেবগিরির নতুন নাম দেন দৌলতাবাদ ।
প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারের সদর দপ্তর ৮নং থিয়েটার রোড, কলকাতায় অবস্থিত ।
কালের পরিক্রমায় ঢাকা প্রথমে সমতট, পরে বঙ্গ ও গৌড় প্রভৃতি রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত ছিলো।
- খ্রিষ্টীয় ১৩শ শতাব্দীর শেষের দিকে মুসলমানেরা ঢাকা অধিকার করে।
- মোঘল সম্রাট জাহাঙ্গীরের ফরমান অনুযায়ী ১৬ জুলাই ১৬১০ খ্রিস্টাব্দে ঢাকাকে সুবা বাংলার রাজধানী ঘোষণা করা হয়।
- সম্রাট জাহাঙ্গীর-এর নাম অনুসারে রাজধানীর নাম জাহাঙ্গীরনগর রাখা হয়। সম্রাট জাহাঙ্গীরের জীবিতকাল পর্যন্ত এ নাম বজায় ছিলো।
- এর আগে সম্রাট আকবরের আমলে বাংলা-বিহার-উড়িষ্যার প্রাদেশিক রাজধানী ছিলো বিহারের রাজমহল। সুবা বাংলায় তখন চলছিলো মোঘলবিরোধী স্বাধীন বারো ভূইঁয়াদের রাজত্ব।
- বারো ভূইয়ার নিয়ন্ত্রণ থেকে বাংলাকে করতলগত করতে ১৫৭৬ থেকে ১৬০৫ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত বারবার চেষ্টা চালানো হয়। এরপর সম্রাট জাহাঙ্গীরের শাসনামলে ১৬০৮ খ্রিস্টাব্দে ইসলাম খান চিশতীকে রাজমহলের সুবেদার নিযুক্ত করেন।
- তিনি ১৬১০ খ্রিস্টাব্দে বাংলার ভৌগোলিক অবস্থান বিবেচনা করে রাজধানী রাজমহল থেকে সরিয়ে ঢাকায় স্থানান্তর করেন।
জব সলুশন