ভৌগোলিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ যে কাল্পনিক রেখাটি বাংলাদেশের উপর দিয়ে গিয়েছে তা হলো-
কর্কটক্রান্তি বা কর্কটক্রান্তি রেখা (কর্কট মানে কাঁকড়া) বা উত্তর বিষুব পৃথিবীর মানচিত্রে অঙ্কিত প্রধান পাঁচটি অক্ষাংশের একটি।
- এটি বিষুবরেখা হতে উত্তরে অবস্থিত এবং ২৩ ডিগ্রী ২৬ মিনিট ২২ সেকেন্ড অক্ষাংশ বরাবর কল্পিত একটি রেখা।
- বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে কর্কটক্রান্তি রেখা অতিক্রম করেছে। তাই এখানকার আবহাওয়াতে নিরক্ষীয় প্রভাব দেখা যায়।
Related Questions
সিসমোগ্রাফ (Seismograph) হলো এমন একটি বৈজ্ঞানিক যন্ত্র, যা ভূমিকম্প বা অন্য কোনো কারণে পৃথিবীর ভূত্বকে সৃষ্ট সিসমিক তরঙ্গের (কম্পন) তীব্রতা এবং স্থায়িত্ব পরিমাপ ও রেকর্ড করে। এটি ভূগর্ভস্থ কম্পন শনাক্ত করে এবং লেখচিত্রের মাধ্যমে তা প্রদর্শন করে, যা ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ও ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা নির্ধারণে বিজ্ঞানীদের সাহায্য করে।
উত্তর Greed leads to sin and sin to death.
“Greed leads to sin and sin to death” একটি প্রবাদ বাক্য যার অর্থ - ‘লোভে পাপ, পাপে মৃত্যু’
শশব্যস্ত শব্দটি ব্যাকরণে উপমান কর্মধারয় সমাসশশকের (খরগোশের) ন্যায় ব্যস্ত
"কলসটি কানায় কানায় পূর্ণ" বাক্যে "কলসটি" পদটি ভাবাধিকরণে সপ্তমী বিভক্তি। বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, যখন কোনো বাক্যে একটি ক্রিয়াপদ অন্য একটি ক্রিয়াপদের বা ভাবের প্রকাশক হয়, তখন তাকে ভাবাধিকরণ বলে। যেহেতু 'কানায় কানায়' দিয়ে পূর্ণ হওয়ার ভাবটি প্রকাশ পাচ্ছে, তাই এটি ভাবাধিকরণ কারক।
বাংলা সাহিত্যের কালবিচারে ১২০১ থেকে ১৮০০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত সময়কালকে মধ্যযুগ বলা হয়। এ সময়টি মূলত মুসলমানদের আগমন থেকে শুরু করে ব্রিটিশ উপনিবেশ স্থাপনের পূর্ব পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল। মধ্যযুগীয় বাংলা সাহিত্যের মূল ভিত্তি ছিল ধর্মীয় দেব-দেবী ও পীর-দরবেশদের কেন্দ্র করে রচিত বিভিন্ন আখ্যান l বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগকে প্রধানত তিনটি পর্যায়ে ভাগ করা হয়:
অন্ধকার যুগ (১২০১ - ১৩৫০): তুর্কি আক্রমণের ফলে সৃষ্ট রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে এ দেড়শ বছর উল্লেখযোগ্য কোনো সাহিত্যকর্ম রচিত হয়নি। ঐতিহাসিকরা একে 'অন্ধকার যুগ' হিসেবে চিহ্নিত করেন। [
আদি-মধ্যযুগ (১৩৫০ - ১৫০০): এই যুগে বাংলা সাহিত্যে পদাবলি ও মঙ্গলকাব্যের ভিত্তি স্থাপিত হয়। এ যুগের উল্লেখযোগ্য নিদর্শন হলো বড়ু চণ্ডীদাসের লেখা 'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন'।
মধ্য-মধ্যযুগ (১৫০০ - ১৮০০): চৈতন্যদেবের আবির্ভাবকে কেন্দ্র করে বৈষ্ণব পদাবলি ব্যাপক বিকাশ লাভ করে। এছাড়া মুঘল আমলে রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান, অনুবাদ সাহিত্য (যেমন—কৃত্তিবাসের রামায়ণ, কাশীরামের মহাভারত) এবং আরাকান রাজসভার বাংলা সাহিত্য রচিত হয়
মুমূর্ষু বানানটি শুদ্ধ。বানান বিশ্লেষণ:
প্রথমে ম-এ হ্রস্ব উকার (মু)
মাঝে ম-এ দীর্ঘ উকার (মূ)
শেষে ষ-এ রেফ এবং হ্রস্ব উকার (র্ষু)
জব সলুশন