সংকর ধাতু পিতলের উপাদান হল---
সংকর ধাতু পিতল বা ব্রাস-এর প্রধান উপাদান হলো তামা (কপার) ও দস্তা (জিঙ্ক). সাধারণত পিতলে ৬৭% তামা এবং ৩৩% দস্তা থাকে, তবে ব্যবহারের ক্ষেত্রভেদে এই অনুপাতে তারতম্য হতে পারে.
Related Questions
তাপ প্রয়োগে সবচেয়ে বেশি প্রসারিত হয় বায়বীয় পদার্থ। যে পদার্থের অণুগুলোর মধ্যে আন্তঃআণবিক আকর্ষণ যতো কম, সে পদার্থ ততো বেশি প্রসারিত হবে। আর আমরা জানি, কঠিন বা তরল পদার্থের চেয়ে বায়বীয় পদার্থের অণুগুলোর মধ্যে আন্তঃআণবিক আকর্ষণ কম।
রেগুলেটরের মাধ্যমে বৈদ্যুতিক পাখায় বিদ্যুৎ সরবরাহ নিয়ন্ত্রণ করা হয়।
- যখন বৈদ্যুতিক পাখা ধীরে ঘুরানোর জন্য বিদ্যুৎ প্রবাহ কমানো হয় তখন অতিরিক্ত বিদ্যুৎ রেগুলেটরে তাপ সৃষ্টি করে।
- যার ফলে বৈদ্যুতিক পাখা ধীরে ঘুরলেও বিদ্যুৎ খরচ একই হয় কারণ সবসময় বিদ্যুৎ প্রবাহ একই থাকে।
রংধনু বা রামধনু বা ইন্দ্রধনু হল একটি দৃশ্যমান ধনুকাকৃতি আলোর রেখা যা বায়ুমণ্ডলে অবস্থিত জলকণায় সূর্যালোকের প্রতিফলন এবং প্রতিসরণের ফলে ঘটিত হয়। সাধারণত বৃষ্টির পর আকাশে সূর্যের বিপরীত দিকে রামধনু দেখা যায়।
-পূর্বাকাশে রংধনু দেখা যায় না সকালে।
-পশ্চিমাকাশে রংধনু দেখা যায় সকালে।
-আকাশে রংধনু সৃষ্টির কারন বৃষ্টির কণা।রংধনু সৃষ্টির বেলায় পানির কণাগুলো প্রিজমের কাজ করে।
-রংধনুর সাত রংয়ের মধ্যে মধ্যম রং সবুজ।
পূর্ণ বয়স্ক পুরুষের দেহে রক্তের মোট পরিমাণ তার শারীরিক ওজনের প্রায় ৭ থেকে ৮ শতাংশ হয়ে থাকে। গড়পড়তা একজন সুস্থ ও স্বাভাবিক প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষের শরীরে প্রায় ৫ থেকে ৬ লিটার (বা প্রায় ৫.৫ লিটার) রক্ত থাকে। ওজনের অনুপাতে প্রতি কিলোগ্রামে রক্তের পরিমাণ প্রায় ৭০ মিলিলিটার (mL)।
নিউক্লিওটাইড বা নাইট্রোজেন বেসের যে গ্রুপ কোন অ্যামিনো এসিড এর সংকেত গঠন করে তাকে বংশগতি ও সংকেত বা জেনেটিক কোড বলে। কোড অর্থ গোপন সংকেত বা গোপন বার্তা। জেনেটিক কোডের মূল একক হল কোডন যা তিন অক্ষর বিশিষ্ট এর ভাষা সর্বদা একমুখী। এক কথায় বলা যায় যে, “জীবের বৈশিষ্ট্য স্থানান্তরকারী কোডকে বলা হয় জেনেটিক কোড”। ১৯৬৬ সালে জেনেটিক কোড এর সম্পূর্ণ অর্থ উদ্ধার হয় এবং এর জন্য নিরেনবার্গ ও হরগোবিন্দ খোরানা ১৯৬৮ সালে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন । তিনি কৃত্তিম জীন আবিষ্কার করেন
মানুষের শরীরের রক্তকণিকা মূলত তিন প্রকার: লোহিত রক্তকণিকা, শ্বেত রক্তকণিকা এবং অণুচক্রিকা। এর মধ্যে শ্বেত রক্তকণিকা আবার পাঁচ ধরনের হয়। রক্তকণিকাগুলোর বিস্তারিত বিবরণ নিচে দেওয়া হলো:
১. লোহিত রক্তকণিকা (Erythrocytes): এটি রক্তের সবচেয়ে প্রধান ও বেশি পরিমাণে থাকা কণিকা, যা শরীরের বিভিন্ন অংশে অক্সিজেন পৌঁছে দেয়।
২. অণুচক্রিকা (Thrombocytes): রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে এবং শরীরের কোথাও কেটে গেলে রক্তপাত বন্ধ করতে ভূমিকা রাখে।
৩. শ্বেত রক্তকণিকা (Leucocytes): রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে ও জীবাণুর বিরুদ্ধে লড়াই করতে সাহায্য করে। এগুলো প্রধানত পাঁচ ধরনের হয়:
- নিউট্রোফিল (Neutrophils): ব্যাক্টেরিয়ার বিরুদ্ধে লড়াই করে।
- লিম্ফোসাইট (Lymphocytes): অ্যান্টিবডি তৈরি করে এবং ভাইরাস ধ্বংস করে।
- মনোসাইট (Monocytes): মৃত কোষ ও জীবাণু ভক্ষণ করে।
- ইওসিনোফিল (Eosiniphils): অ্যালার্জি ও পরজীবীর সংক্রমণ প্রতিরোধ করে।
- বেসোফিল (Basophils): প্রদাহ ও অ্যালার্জির প্রতিক্রিয়ায় কাজ করে
জব সলুশন