মানুষের শরীরে কত ধরনের রক্ত কণিকা আছে?
মানুষের শরীরের রক্তকণিকা মূলত তিন প্রকার: লোহিত রক্তকণিকা, শ্বেত রক্তকণিকা এবং অণুচক্রিকা। এর মধ্যে শ্বেত রক্তকণিকা আবার পাঁচ ধরনের হয়। রক্তকণিকাগুলোর বিস্তারিত বিবরণ নিচে দেওয়া হলো:
১. লোহিত রক্তকণিকা (Erythrocytes): এটি রক্তের সবচেয়ে প্রধান ও বেশি পরিমাণে থাকা কণিকা, যা শরীরের বিভিন্ন অংশে অক্সিজেন পৌঁছে দেয়।
২. অণুচক্রিকা (Thrombocytes): রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে এবং শরীরের কোথাও কেটে গেলে রক্তপাত বন্ধ করতে ভূমিকা রাখে।
৩. শ্বেত রক্তকণিকা (Leucocytes): রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে ও জীবাণুর বিরুদ্ধে লড়াই করতে সাহায্য করে। এগুলো প্রধানত পাঁচ ধরনের হয়:
- নিউট্রোফিল (Neutrophils): ব্যাক্টেরিয়ার বিরুদ্ধে লড়াই করে।
- লিম্ফোসাইট (Lymphocytes): অ্যান্টিবডি তৈরি করে এবং ভাইরাস ধ্বংস করে।
- মনোসাইট (Monocytes): মৃত কোষ ও জীবাণু ভক্ষণ করে।
- ইওসিনোফিল (Eosiniphils): অ্যালার্জি ও পরজীবীর সংক্রমণ প্রতিরোধ করে।
- বেসোফিল (Basophils): প্রদাহ ও অ্যালার্জির প্রতিক্রিয়ায় কাজ করে
Related Questions
শব্দ প্রতি সেকেন্ডে যে দূরত্ব অতিক্রম করে তাকে শব্দের বেগ বলে। তাপমাত্রা বৃদ্ধির সাথে সাথে শব্দের বেগ বেড়ে যায়। 1°C তাপমাত্রা বৃদ্ধির জন্য শব্দের বেগ 0.6ms-1 বৃদ্ধি পায়। তাই বাতাসের উষ্ণতা বাড়লে শব্দের বেগ বাড়ে।
ব্যাডমিন্টন মূলত ইন্দোনেশিয়ার (Indonesia) সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং অলিখিত জাতীয় খেলা হিসেবে গণ্য করা হয়। যদিও অনেক ক্ষেত্রে মালয়েশিয়াকেও ব্যাডমিন্টনে শক্তিশালী হিসেবে ধরা হয়, তবে জাতীয় খেলা হিসেবে ইন্দোনেশিয়ার নামই বেশি পরিচিত।
উৎপত্তি: ধারণা করা হয় খেলাটির উৎপত্তি ভারতে, তবে আধুনিক রূপটি ইংল্যান্ডে বিকশিত হয়েছিল।
জনপ্রিয়তা: এটি বিশ্বব্যাপী দ্বিতীয় সর্বোচ্চ অংশগ্রহণকারী খেলা, যা প্রায় ২২০ মিলিয়নেরও বেশি মানুষের কাছে প্রিয়।
আবু মুসা দ্বীপ হরমুজ প্রণালীর নিকট পারস্য উপসাগরের একটি দ্বীপ। এর মালিকানা নিয়ে সংযুক্ত আরব আমিত ও ইরানের মধ্যে বিরোধ রয়েছে। বর্তমানে ইরান তাদের একটি সামরিক ঘাটি হিসেবে এ দ্বীপটি ব্যবহার করছে।
ঈশ্বরচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়কে ১৮৩৯ সালে তাঁর অগাধ পাণ্ডিত্য ও সংস্কৃত শাস্ত্রে অসাধারণ সাফল্যের জন্য সংস্কৃত কলেজ ‘বিদ্যাসাগর’ উপাধি প্রদান করে।
বিশ্বে প্রথম ইন্টারনেট চালু হয় ১৯৬৯ সালের ২৯ অক্টোবর, যা তখন 'আরপানেট' (ARPANET) নামে পরিচিত ছিল। সাধারণ মানুষের ব্যবহারের জন্য ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (World Wide Web) উন্মুক্ত হয় ১৯৯১ সালে।
টলেমি একজন প্রাচীন গ্রীক জ্যোতির্বিদ ছিলেন যিনি মিশরের অলেকজান্দ্রিয়া শহরের রাজাবাড়িবিদদের একজন ছিলেন। তিনি ২য় শতাব্দী খ্রিস্টপূর্বে জন্মগ্রহণের পর সময়ের খগোলবিদ্যা বিষয়ে সম্পূর্ণ একাধিক গ্রন্থ লেখেন, যার মধ্যে প্রমাণিত পদ্ধতি সম্পর্কে পরিচিত "টলেমিক নদীপথ" নামক সূত্র অসম্প্রসারিত। এই সূত্রে উল্লেখিত হয় সূর্য, চাঁদ, গ্রহের অবস্থান ও চক্রাকারের পরিবর্তনের প্রমাণ সম্পর্কিত বিভিন্ন নিয়ম এবং সূত্র।
টলেমির এই সূত্র জ্যোতির্বিদদের সার্বিক মানসম্পন্ন গ্রন্থ হিসেবে বিবেচিত এবং এটি পরের যুগের জ্যোতির্বিদদের কাজেও অত্যন্ত প্রভাবশালী হয়ে উঠে। এই সূত্র ভেদ করে জ্যোতির্বিদদের পণ্ডিত্যের আবিষ্কার ও সংগ্রহে সহায়তা করে এবং পৃথিবীর অবস্থান, গ্রহগুলোর গতিবিধি এবং জ্যোতির্বিদ্যার নিয়মগুলি সম্পর্কে জ্ঞানের আবিষ্কারে অবদান রাখেন।
টলেমির কাজ জ্যোতির্বিদ্যার একটি সম্প্রসারিত সংস্কৃতির কালে সুসংগত হয়েছে এবং তাঁর গ্রন্থগুলি পশ্চিমী জ্যোতির্বিদ্যায় এক আদর্শ হিসাবে বিবেচিত হয়েছে।
জব সলুশন