”ইন্টারনেট” কবে চালু হয়?
বিশ্বে প্রথম ইন্টারনেট চালু হয় ১৯৬৯ সালের ২৯ অক্টোবর, যা তখন 'আরপানেট' (ARPANET) নামে পরিচিত ছিল। সাধারণ মানুষের ব্যবহারের জন্য ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (World Wide Web) উন্মুক্ত হয় ১৯৯১ সালে।
Related Questions
টলেমি একজন প্রাচীন গ্রীক জ্যোতির্বিদ ছিলেন যিনি মিশরের অলেকজান্দ্রিয়া শহরের রাজাবাড়িবিদদের একজন ছিলেন। তিনি ২য় শতাব্দী খ্রিস্টপূর্বে জন্মগ্রহণের পর সময়ের খগোলবিদ্যা বিষয়ে সম্পূর্ণ একাধিক গ্রন্থ লেখেন, যার মধ্যে প্রমাণিত পদ্ধতি সম্পর্কে পরিচিত "টলেমিক নদীপথ" নামক সূত্র অসম্প্রসারিত। এই সূত্রে উল্লেখিত হয় সূর্য, চাঁদ, গ্রহের অবস্থান ও চক্রাকারের পরিবর্তনের প্রমাণ সম্পর্কিত বিভিন্ন নিয়ম এবং সূত্র।
টলেমির এই সূত্র জ্যোতির্বিদদের সার্বিক মানসম্পন্ন গ্রন্থ হিসেবে বিবেচিত এবং এটি পরের যুগের জ্যোতির্বিদদের কাজেও অত্যন্ত প্রভাবশালী হয়ে উঠে। এই সূত্র ভেদ করে জ্যোতির্বিদদের পণ্ডিত্যের আবিষ্কার ও সংগ্রহে সহায়তা করে এবং পৃথিবীর অবস্থান, গ্রহগুলোর গতিবিধি এবং জ্যোতির্বিদ্যার নিয়মগুলি সম্পর্কে জ্ঞানের আবিষ্কারে অবদান রাখেন।
টলেমির কাজ জ্যোতির্বিদ্যার একটি সম্প্রসারিত সংস্কৃতির কালে সুসংগত হয়েছে এবং তাঁর গ্রন্থগুলি পশ্চিমী জ্যোতির্বিদ্যায় এক আদর্শ হিসাবে বিবেচিত হয়েছে।
জার্মান প্রকৌশলী নিকোলাস অটো (Nicolaus Otto) ১৮৭৬ সালে সফলভাবে প্রথম কার্যকর চার-স্ট্রোক (four-stroke) পেট্রোল ইঞ্জিন বা গ্যাসোলিন ইঞ্জিন তৈরি ও চালু করেন... তাঁর এই ইঞ্জিনটি পূর্বের ইঞ্জিনগুলোর তুলনায় অনেক বেশি দক্ষ ছিল এবং আধুনিক অটোমোবাইল ইঞ্জিনের ভিত্তি স্থাপন করে।
কোনো বস্তুর ভর \(\) কেজি হলে, পৃথিবীর পৃষ্ঠে এর ওজন হবে ৯৮ নিউটন
হর্সপাওয়ার (hp) হলো ইঞ্জিন, মোটর বা যন্ত্রপাতির ক্ষমতা পরিমাপের একক。 মূলত যন্ত্রের কাজ করার হার বোঝাতে এটি ব্যবহৃত হয়。 আন্তর্জাতিক একক (SI) বা মেট্রিক পদ্ধতিতে এটি সরাসরি ব্যবহৃত না হলেও, যান্ত্রিক পরিমাপে \(1\) হর্সপাওয়ার সমান প্রায় ৭৪৬ ওয়াট (Watt) বা \(.\) কিলোওয়াট ধরা হয়
পৃথিবীতে প্রাণের সূচনা হয় আনুমানিক ১০০ কোটি বছর আগে।
পৃথিবী সৃষ্টির শুরুর দিকে কোনো পাথর টিকে নেই, তাই সঠিক করে বলা সম্ভভ নয় কখন পৃথিবীর সৃষ্টি হয়েছিল। তবে ধারণা করা হয় সৌরজগৎ সৃষ্টির মোটামুটি ১০০ মিলিয়ন বছর পর একগুচ্ছ সংঘর্ষের ফল হলো পৃথিবী। আজ থেকে ৪.৫৪ বিলিয়ন বছর আগে পৃথিবী নামের গ্রহটি আকৃতি পায়, পায় লৌহের একটি কেন্দ্র এবং একটি বায়ুমণ্ডল।
কোষের প্রাণশক্তি বা 'শক্তিঘর' বলা হয় মাইটোকন্ড্রিয়া (Mitochondria)-কে。 এটি কোষের যাবতীয় কাজের জন্য প্রয়োজনীয় শক্তি বা এটিপি (ATP) তৈরি করে
জব সলুশন