রেকটিফাইড স্পিরিট হল--
রেকটিফাইড স্পিরিট হলো ৯৫.৬% ইথাইল অ্যালকোহল ও ৪.৪% পানির সমস্ফুটন মিশ্রণ। এর স্ফুনাংক ৭৮.১০ সে. । রেকটিফাইড স্পিরিট ডাক্তারি কাজে ও দ্রাবকরুপে ব্যবহৃত হয়। এ স্পিরিট থেকে বিশুদ্ধ অ্যালকোহল প্রস্তুত করা হয়।
Related Questions
বাংলাদেশের একটি জীবন্ত জীবাশ্মের নাম রাজ কাঁকড়া।
- ডাইনোসরের চেয়েও প্রায় ২০ কোটি বছর আগে পৃথিবীতে এসেছিল এই রাজ কাঁকড়া।
- আজ থেকে ৪৫ কোটি বছর আগে বিবর্তিত হয়ে এত দিন প্রায় অবিকৃত চেহারায় থেকে যাওয়ার জন্য এদের জীবন্ত জীবাশ্ম হিসেবে গণ্য করা হয়।
- কক্সবাজারসহ বৃহত্তর চট্টগ্রাম অঞ্চলে এই প্রাণীটি দিয় কিঁয়ারা বা দৈত্য কাঁকড়া নামে বেশি পরিচিত।
দুই মেরু থেকে সমান দূরত্বে পুথিবীর পূর্ব থেকে পশ্চিমে যে রেখা কল্পনা করা হয় তাকে নিরক্ষরেখা বলে। নিরক্ষরেখার অক্ষাংশ ০°। নিরক্ষরেখায় সূর্য লম্বভাবে কিরণ দেয়, তাই সর্বদা দিন-রাত্রি সমান হয়।
উপকূলে এ জায়গায় প্রতিদিন দুইবার জোয়ার ও ভাঁটা হয়।একটি জোয়ারের সময়সীমা ৬ ঘণ্টা । সুতরাং একটি জোয়ারের পর অন্য একটি জোয়ারের মধ্যে সময়ের ব্যবধান ১২ ঘণ্টা ।
নক্ষত্রজগতের আকর্ষণীয় তথ্য:
লুব্ধক (Sirius):
- এটি রাতের আকাশের সবচেয়ে উজ্জ্বল নক্ষত্র
- 'ক্যানিস মেজর' (বৃহৎ কুকুর) নক্ষত্রমণ্ডলের অংশ
- পৃথিবী থেকে এর দূরত্ব প্রায় ৮.৬ আলোকবর্ষ
- এটি একটি দ্বৈত নক্ষত্র সিস্টেম - লুব্ধক A (মূল নক্ষত্র) এবং লুব্ধক B (শ্বেত বামন)
- গ্রীক ভাষায় এর নাম 'Seirios' যার অর্থ 'জ্বলন্ত' বা 'উত্তপ্ত'
ধ্রুবতারা (Polaris):
- উত্তর মেরুর কাছাকাছি অবস্থিত একটি উজ্জ্বল নক্ষত্র
- 'ক্ষুদ্র সপ্তর্ষি' (Ursa Minor) নক্ষত্রমণ্ডলের অংশ
- পৃথিবী থেকে এর দূরত্ব প্রায় ৪৩৪ আলোকবর্ষ
- প্রাচীনকাল থেকেই নাবিকরা দিক নির্ধারণে এটিকে ব্যবহার করে আসছে
- পৃথিবীর ঘূর্ণনের কারণে এটি আকাশে স্থির দেখায়
- এটিও একটি বহু-নক্ষত্র সিস্টেম
প্রক্সিমা সেন্টারাই (Proxima Centauri):
- সূর্য ছাড়া পৃথিবীর সবচেয়ে নিকটবর্তী নক্ষত্র
- 'আলফা সেন্টারাই' সিস্টেমের অংশ
- পৃথিবী থেকে এর দূরত্ব মাত্র ৪.২ আলোকবর্ষ
- একটি লাল বামন নক্ষত্র
- এর চারপাশে কমপক্ষে দুটি গ্রহ ঘুরছে, যার একটি বাসযোগ্য অঞ্চলে অবস্থিত
পুলহ (Pulaha):
- সপ্তর্ষিমণ্ডলের (Big Dipper/Ursa Major) একটি উজ্জ্বল নক্ষত্র
- হিন্দু পুরাণে উল্লেখিত সপ্তর্ষিদের একজন
- এটি 'বৃহৎ সপ্তর্ষি' নক্ষত্রমণ্ডলের অংশ
- আকাশে একটি বড় ডিপার বা হাতার আকৃতি তৈরি করে
- উত্তর গোলার্ধে সারা বছর দৃশ্যমান
এই নক্ষত্রগুলি শুধু আকাশের সৌন্দর্যই নয়, বরং প্রাচীনকাল থেকে মানুষের নেভিগেশন, ক্যালেন্ডার নির্ধারণ এবং বিভিন্ন সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের সাথেও জড়িত। আধুনিক জ্যোতির্বিজ্ঞানে এই নক্ষত্রগুলির গবেষণা আমাদের মহাবিশ্ব সম্পর্কে নতুন নতুন তথ্য জানতে সাহায্য করছে।
আন্তর্জাতিক প্রকৃতি ও প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ সংঘ (আইইউসিএন) (ইংরেজি: International Union for Conservation of Nature and Natural Resources (IUCN)) প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে স্থাপিত একটি সংঘ। ১৯৪৮ সালে প্রতিষ্ঠিত এই সংঘের প্রধান কার্যালয় সুইজারল্যান্ড রাষ্ট্রের গ্লান্ডের লেক জেনিভা অঞ্চলে। ৮৩টি রাষ্ট্র, ১০৮টি সরকারি সংস্থা, ৭৬৬টি নন - গভর্নমেন্ট অর্গ্যানাইজেশন ও বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রায় ১০,০০০ বিশেষজ্ঞ ও বৈজ্ঞানিকদের নিয়ে এই সংঘ গঠিত।
রক্তের কাজ :
১। রক্ত সারা দেহে পানি ও তাপের সমতা রক্ষা করে ।
২। লোহিত রক্তকণিকা হিমোগ্লোবিনের মাধ্যমে ফুসফুস থেকে কোষে কোষে অক্সিজেন পরিবহণ করে ।
৩। শ্বেত রক্তকণিকা ফ্যাগোসাইটোসিস প্রক্রিয়ায়য় রোগজীবাণু ধ্বংস করে দেহকে সুস্থ রাখে ।
৪। দেহের কোন স্থান কেটে গেলে অনুচক্রিকা সে সস্থানে রক্ত জমাট বাঁধায় । ফলে ক্ষতস্থান থেকে রক্তপাত বন্ধ হয় ।
৫। রক্তরসের মাধ্যমে কার্বন ডাইঅক্সাইড, ইউরিয়া, হজমকৃত খাদ্যবস্তু(যথা : গ্লুকোজ, অ্যামিনো এসিড, ফ্যাটি এসিড, গ্লিসারল), হরমোন ইত্যাদি দেহের বিভিন্ন অংশে পরিবাহিত হয় ।
জব সলুশন