”গবেষণা” শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি?
'গবেষণা' শব্দটি একটি স্বরসন্ধির উদাহরণ।
-এর সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো 'গো + এষণা'।
-এখানে যে নিয়মটি কাজ করে তা হলো: ও-কারের পর 'এ' থাকলে, 'ও' এবং 'এ' মিলে 'অব্' + 'এ' হয়।
-বিস্তারিতভাবে,
গো (গ্ + ও) + এষণা → গ্ + অব্ + এষণা → গবেষণা।
এই নিয়মের আরও কিছু উদাহরণ হলো:
পো + অন = পবন
Related Questions
গায়ক' (যে গান পরিবেশন করে) শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো গৈ + অক = গায়ক। এটি স্বরসন্ধি-এর নিয়মে গঠিত।
নিয়ম: তৎসম স্বরসন্ধির নিয়মানুসারে পূর্বপদের শেষে যদি এ, ঐ, ও বা ঔ-কার থাকে এবং পরপদের শুরুতে অন্য কোনো স্বরধ্বনি থাকে, তবে এ-এর স্থানে 'অয়', ঐ-এর স্থানে 'আয়', ও-এর স্থানে 'অব' এবং ঔ-এর স্থানে 'আব' হয়।
এখানে 'গৈ' (ঐ-কার)-এর পর 'অক' (অ)-এর সন্ধি হওয়ায় ঐ + অ মিলে 'আয়' হয়েছে। তাই, গৈ + অক = গায়ক।
এই নিয়মের আরও কয়েকটি উদাহরণ:
• নৈ + অক = নায়ক (ঐ + অ = আয়)
• নে + অন = নয়ন (এ + অ = অয়)
• পো + অন = পবন (ও + অ = অব)
• পৌ + অক = পাবক (ঔ + অ = আব)
ব্যঞ্জনসন্ধির সাথে এমন কিছু সন্ধি রয়েছে যেগুলু নিয়মের সাথে মেলে না।
-এসব সন্ধিকে নিপাতনে সিদ্ধ বা নিয়ম বহিরবভুতু হিসেবে অভিহিত করা হয়।
-ষট+ দশ ="ষোড়শ" নিপাতনে সিদ্ধ বা ব্যঞ্জনসন্ধি।
যেখানে বিশেষণ বা বিশেষণভাবে পদের সাথে বিশেষ্য বা বিশেষ্যভাবাপন্ন পদের সমাস হয় এবং পরপদের অর্থই প্রধানরূপে প্রতীয়মান হয়,তাকে কর্মধারয় সমাস বলে। যেমন- কু যে অর্থ = কদর্থ , সু যে বর্ণ =সুবর্ণ
”উপকথা” অব্যয়ীভাব সমাস।
পূর্বপদ অব্যয়যোগে নিষ্পন্ন সমাসে যদি অব্যয় অর্থ প্রাধান্য থাকে তবে তাকে অব্যয়ীভাব সমাস বলে। সামীপ্য, পর্যন্ত, অভাব, সদৃশ্য, যোগ্যতা, প্রভৃতি নানা অর্থে অব্যয়ীভাব সমাস হয়। যেমন: কথার সদৃশ্য = উপকথা একটি অব্যয়ীভাব সমাস।
'বই পড়া' বা 'বইপড়া' শব্দটি দ্বিতীয়া তৎপুরুষ সমাস। এর ব্যাসবাক্য হলো: 'বইকে পড়া'। এখানে কর্মকারকে 'কে' বিভক্তি যুক্ত থাকায় এবং পরপদ বা শেষ পদের অর্থের প্রাধান্য থাকায় এটি তৎপুরুষ সমাসের অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।
আট কপালে (হতভাগ্য):আট কপালে লোকের ক্ষেত্রে চাকরি জোটা মুশকিল।
জব সলুশন