”মধ্যাহ্ন” কোন সমাস?
মধ্যাহ্ন এর ব্যাসবাক্য = অহ্নের মধ্য ভাগ; কালের কোনো অংশবোধক শব্দ পরে থাকলে তা পূর্বে বসে। এটি যষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস।
Related Questions
শুদ্ধ বানানঃ একান্নবর্তী
গুরুত্তপুর্ণ কিছু বানানঃ
- বিদ্বজ্জন,
- স্বায়ত্তশাসন,
- স্বাতন্ত্র্য,
- নিপীড়িত ।
'পসারিণী' বানানটি শুদ্ধ।
- পসারিণী শব্দটি পসারি শব্দের স্ত্রীবাচক রূপ।
- পসারি শব্দটির অর্থ হচ্ছে দোকানদার, পণ্য বিক্রেতা।
'চক্ষুদান করা' বাগধারাটির অর্থ হলো চুরি করা।
যাকে আশ্রয় করে ক্রিয়াসম্পন্ন হয় তাকে বলে কর্মকারক।
-ক্রিয়াকে কি বা কাকে দ্বারা প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায় তাই কর্মকারক। এই বাক্যে 'কাকে' দ্বারা প্রশ্ন করলে উত্তর আসে সকলকে। সুতরাং, সকলকে কর্মকারকে দ্বিতীয়া।
সঠিক উত্তর তোমাকে অনেক কথা শুনতে হবে
কর্ম কারকের উদাহরণ তোমাকে অনেক কথা শুনতে হবে। যাকে আশ্রয় করেই কর্তা ক্রিয়া সম্পাদন করে তাকে কর্মকারক বলে। ক্রিয়ার সঙ্গে কি বা কাকে যোগ করে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায় তাই কর্মকারক। যেমন - তোমাকে অনেক কথা শুনতে হবে, তোমাকে আজই যেতে হবে।
‘কারক’ শব্দটি ব্যাকরণগতভাবে বিশ্লেষণ করলে পাওয়া যায় ‘কৃ’ (ধাতু) + ‘ণক’ (প্রত্যয়), যার আক্ষরিক অর্থ হলো ‘যে করে’ বা ‘যে সম্পাদন করে’।
বাংলা ব্যাকরণে, বাক্যের মধ্যে থাকা ক্রিয়াপদের সাথে নামপদের (বিশেষ্য বা সর্বনাম) যে সম্পর্ক, তাকেই কারক বলে।
অর্থাৎ, কারক সরাসরি ক্রিয়া সম্পাদনার সঙ্গে সম্পর্কিত।
তাই, ‘যা ক্রিয়া সম্পাদন করে’ — এটিই ‘কারক’ শব্দটির সবচেয়ে সঠিক অর্থ।
জব সলুশন