”সকলকে মরতে হবে”-বাক্যে ”সকলকে” শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি?
যাকে আশ্রয় করে ক্রিয়াসম্পন্ন হয় তাকে বলে কর্মকারক।
-ক্রিয়াকে কি বা কাকে দ্বারা প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায় তাই কর্মকারক। এই বাক্যে 'কাকে' দ্বারা প্রশ্ন করলে উত্তর আসে সকলকে। সুতরাং, সকলকে কর্মকারকে দ্বিতীয়া।
Related Questions
সঠিক উত্তর তোমাকে অনেক কথা শুনতে হবে
কর্ম কারকের উদাহরণ তোমাকে অনেক কথা শুনতে হবে। যাকে আশ্রয় করেই কর্তা ক্রিয়া সম্পাদন করে তাকে কর্মকারক বলে। ক্রিয়ার সঙ্গে কি বা কাকে যোগ করে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায় তাই কর্মকারক। যেমন - তোমাকে অনেক কথা শুনতে হবে, তোমাকে আজই যেতে হবে।
‘কারক’ শব্দটি ব্যাকরণগতভাবে বিশ্লেষণ করলে পাওয়া যায় ‘কৃ’ (ধাতু) + ‘ণক’ (প্রত্যয়), যার আক্ষরিক অর্থ হলো ‘যে করে’ বা ‘যে সম্পাদন করে’।
বাংলা ব্যাকরণে, বাক্যের মধ্যে থাকা ক্রিয়াপদের সাথে নামপদের (বিশেষ্য বা সর্বনাম) যে সম্পর্ক, তাকেই কারক বলে।
অর্থাৎ, কারক সরাসরি ক্রিয়া সম্পাদনার সঙ্গে সম্পর্কিত।
তাই, ‘যা ক্রিয়া সম্পাদন করে’ — এটিই ‘কারক’ শব্দটির সবচেয়ে সঠিক অর্থ।
"স্মরণ" শব্দের বিপরীতার্থক শব্দটি হলো বিস্মরণ।"স্মরণ" অর্থ কোনো কিছু মনে করা, স্মৃতি বা চিন্তা করা। এর বিপরীতে "বিস্মরণ" অর্থ ভুলে যাওয়া বা স্মৃতি থেকে মুছে যাওয়া
‘কিরণ’ এর সমার্থক শব্দগুলো: রশ্মি, প্রভা, দীপ্তি, কর, বিভা, ময়ূখ, অংশু, জ্যোতি প্রভৃতি।
”অপরাহ্ন” নাটকটির রচয়িতা হলেন জনপ্রিয় বাংলাদেশি কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার ও চলচ্চিত্র নির্মাতা হুমায়ূন আহমেদ । এটি মূলত একটি জনপ্রিয় টেলিফিল্ম বা নাটক, যা ২০০৭ সালে মুক্তি পায় এবং এতে হুমায়ূন আহমেদের সাধারণ ঘরনার নাটকের ছাপ রয়েছে।
"দেখিনু সেদিন রেলে, কুলি ব’লে এক বাবু সা’ব তারে ঠেলে দিল নীচে ফেলে!" পংক্তিটির রচয়িতা হলেন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম। তাঁর বিখ্যাত 'কুলি-মজুর' কবিতার প্রথম স্তবকের অংশ এটি। কবিতাটি তাঁর বিখ্যাত 'সাম্যবাদী' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত, যেখানে তিনি শ্রমজীবী মানুষের অধিকার ও শোষক শ্রেণির অমানবিক আচরণের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন।
জব সলুশন