বজ্রবৃষ্টির ফলে মাটিতে উদ্ভিদের কোন খাদ্য উপাদান বৃদ্ধি পায়?
মাটির উর্বরতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে নাইট্রোজেন । বাতাসের নাইট্রোজেন পানিতে মিশে মাটিতে শোষিত হওয়া পরে মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি করে। নাইট্রেট ( NO3) হিসাবে উদ্ভিদ সাধারণত মাটি থেকে নাইট্রোজেন সংগ্রহ করে। বজ্রবৃষ্টির ফলে মাটিতে উদ্ভিদের খাদ্য উপাদান বৃদ্ধি পায় নাইট্রোজেন। কারণ আকাশে বিদ্যুৎক্ষরণের সশয় নাইট্রোজেন অক্সিজেনের সাথে যুক্ত নাইট্রোজেনের অক্সাইডসমূহের উৎপন্ন করে।
N2+O2 = 2NO, 2NO+O2 = 2NO2
নাইট্রোজেনের অক্সাইডসমূহ পানির সাথে মিশে নাইট্রিক এসিড উৎপন্ন করে।
4NO2 + 2H2O +O2 = 4HNO3
এই নাইট্রিক এসিড বৃষ্টির পানির সাথে মিশে মাটিতে পতিত হয় এবং জামির ক্ষারীয় উপাদানের সাথে বিক্রিয়া করে নাইট্রেট (NO3) লবণ উৎপন্ন করে।
2HNO3+ CaCO3 = Ca ( NO3)2 +H2O +CO2
উদ্ভিদ এ নাইট্রেপ গ্রহন করে।
Related Questions
সংক্ষেপে, চতুর্থ শিল্প বিপ্লব হল উৎপাদন পদ্বতিতে এবং প্রযুক্তিতে স্বয়ংক্রিয়করণ এবং তথ্য আদান-প্রদানের প্রচলন। যার মধ্যে সাইবার ফিজিক্যাল সিস্টেম (সিপিএস), আইওটি, ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইন্টারনেট অফ থিংস, ক্লাউড কম্পিউটিং, , কগনিটিভ কম্পিউটিং এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তিগুলো অন্তর্ভুক্ত।
যেসব প্রাকৃতিক সম্পদ পুনরায় ব্যবহারযোগ্য সেগুলোকে নবায়নযোগ্য সম্পদ বলে। যেমন: পানি, বায়ু, সৌরশক্তি, গাছপালা, পশুপাখি ইত্যাদি।
বাংলাদেশের প্রথম বায়ু বিদ্যুৎ প্রকল্পটি ফেনী জেলার সোনাগাজী উপজেলায় মুহুরী নদীর বাঁধ এলাকায় স্থাপন করা হয়।
- বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) ২০০৫ সালে এই প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করে।
- এটি ছিল একটি পাইলট প্রকল্প, যার উৎপাদন ক্ষমতা ছিল ০.৯ মেগাওয়াট।
- প্রকল্পের অধীনে চারটি টারবাইন স্থাপন করা হয়েছিল।
- যদিও এটি দেশের প্রথম বায়ু বিদ্যুৎ কেন্দ্র হিসেবে ইতিহাসের অংশ, তবে বর্তমানে এটি রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে অচল অবস্থায় রয়েছে।
সংবিধানে ভাষা প্রসঙ্গটির উল্লেখ করা হয়েছে তিনটি স্থানে :৩, ২৩ এবং ১৫৩ সংখ্যক অনুচ্ছেদে। এগুলোর মধ্যে অনুচ্ছেদ ৩ - এ 'রাষ্ট্রভাষা', অনুচ্ছেদ ২৩ - এ 'জাতীয় ভাষা' এবং অনুচ্ছেদ ১৫৩ - তে বাংলা ও ইংরেজি পাঠ সংক্রান্ত বিধান রয়েছে। সংবিধানের ৩ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, 'প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রভাষা বাংলা'।
শেখ মুজিবুর রহমানকে 'বঙ্গবন্ধু' উপাধি দেওয়া হয় ২৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯।
১৯৬৯ - ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধি লাভ করেন শেখ মুজিবুর রহমান।
কেন্দ্রীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ ১৯৬৯ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি শেখ মুজিবের সম্মানে ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমানে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) এক সভার আয়োজন করে। লাখো জনতার এই সম্মেলনে শেখ মুজিবকে ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধি দেওয়া হয়।
উপাধি ঘোষণা দিয়েছিলেন তোফায়েল আহমেদ। এ সভায় রাখা বক্তৃতায় শেখ মুজিব ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের এগার দফা দাবির পক্ষে তার পূর্ণ সমর্থন ব্যক্ত করেন।
জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনের শর্টকোড ১৬১৫২
জব সলুশন