অধ্যাপক আহমদ শরীফের মৃত্যু সন কোনটি?
শিক্ষাবিদ ও গবেষক আহমদ শরীফের জন্ম ১৩ ফেব্রুয়ারি ১৯২১ চট্টগ্রামের সুচক্র দণ্ডীতে এবং ১৯৯৯ সালে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। আহমদ শরীফ রচিত প্রবন্ধ - গবেষণাগ্রন্থ হলো : বিচিত চিন্তা (১৯৬৮) , সাহিত্য সংস্কৃতি চিন্তা (১৯৬৯) , স্বদেশ অন্বেষা (১৯৭০), বাঙালী ও বাংলা সাহিত্য (১ম খণ্ড ১৯৭৮, ২য় খণ্ড ১৯৮৩), বাঙলা বাঙালী ও বাঙালিত্ব (১৯৯২) । আহমদ শরীফ সম্পাদিত উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ: লায়লী মজনু (১৯৫৭), রসুল বিজয় (১৯৬৪) , সয়ফুল মূলক বদিউজ্জমাল (১৯৫৭), বাংলা একামেডী সংক্ষিপ্ত বাংলা অভিধান (১৯৯২
Related Questions
- শাহ আবদুল করিম (Shah Abdul Karim) হলেন বাংলা বাউল গানের একজন কিংবদন্তি শিল্পী।
- সুনামগঞ্জের কালনী নদীর তীরে বেড়ে উঠা শাহ আব্দুল করিমের গান ভাটি অঞ্চলে জনপ্রিয় হলেও শহরের মানুষের কাছে জনপ্রিয়তা পায় তার মৃত্যুর কয়েক বছর আগে।
- মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত তিনি প্রায় দেড় সহস্রাধিক গান লিখেছেন।
যা দ্বারা সজ্জিত বা ভূষিত করা হয় তাই অলঙ্কার। সাহিত্যের বা কাব্যের অলঙ্কার বলতে কাব্যের সৌন্দর্য সৃষ্টিকারী তারই অন্তর্গত কোনো উপাদানকে বোঝায়। সাহিত্যের অলঙ্কার প্রধানত দুই প্রকার। যথা: শব্দালঙ্কার ও অর্থালঙ্কার।
৪° সেলসিয়াস তাপমাত্রায় পানির ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি হয়। এই তাপমাত্রায় পানির আয়তন সবচেয়ে কম থাকে এবং প্রতি ঘন সেন্টিমিটার পানির ওজন প্রায় ১ গ্রাম হয়। ৪° সেলসিয়াসের উপরে বা নিচে তাপমাত্রা গেলে পানির ঘনত্ব কমতে শুরু করে। পানির এই ব্যতিক্রমী ধর্মের কারণেই শীতকালে বরফ গলে না গিয়ে পানির ওপরের স্তরে ভেসে থাকে।
যে আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য বেশি, তার বিচ্যুতি সবচেয় কম। লাল আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য বেশি বলে এর বিচ্যুতি কম।
সংকর ধাতু ব্রোঞ্জের প্রধান উপাদান হলো তামা ও টিন।
নাইট্রোজেন গ্যাস থেকে প্রধানত ইউরিয়া সার প্রস্তুত করা হয়। শিল্প কারখানায় বায়ুমণ্ডলের নাইট্রোজেন গ্যাস এবং প্রাকৃতিক গ্যাস (হাইড্রোজেনের উৎস) থেকে প্রথমে অ্যামোনিয়া তৈরি করা হয়। এরপর এই অ্যামোনিয়ার সাথে কার্বন ডাই অক্সাইড বিক্রিয়া করিয়ে ইউরিয়া সার উৎপাদন করা হয়।
জব সলুশন