নাইট্রোজেন গ্যাস থেকে কোন সার তৈরি করা হয়?
নাইট্রোজেন গ্যাস থেকে প্রধানত ইউরিয়া সার প্রস্তুত করা হয়। শিল্প কারখানায় বায়ুমণ্ডলের নাইট্রোজেন গ্যাস এবং প্রাকৃতিক গ্যাস (হাইড্রোজেনের উৎস) থেকে প্রথমে অ্যামোনিয়া তৈরি করা হয়। এরপর এই অ্যামোনিয়ার সাথে কার্বন ডাই অক্সাইড বিক্রিয়া করিয়ে ইউরিয়া সার উৎপাদন করা হয়।
Related Questions
কচুশাক বিশেষভাবে মূল্যবান লৌহ বা আয়রনের জন্য। এটি রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা বাড়াতে এবং রক্তস্বল্পতা বা অ্যানিমিয়া দূর করতে অত্যন্ত কার্যকরী।
ভূমির অবস্থা ও গঠন সময়ের হিসেবে বাংলাদেশের ভূমিরূপকে প্রধানত ৩টি ভাগে ভাগ করা হয়েছে। এগুলো হলো:
১. পাহাড়ি অঞ্চল: টারশিয়ারি যুগে গঠিত এই অঞ্চলটি দেশের দক্ষিণ-পূর্ব (যেমন: পার্বত্য চট্টগ্রাম) ও উত্তর-পূর্ব (যেমন: সিলেটের কিছু অংশ) প্রান্তে অবস্থিত। এটি মোট ভূমির প্রায় ১২%।
২. পুরাতন পলি গঠিত উঁচু ভূমি: প্লাইস্টোসিন যুগে গঠিত এই সোপান বা চত্বরগুলোর মধ্যে বরেন্দ্র ভূমি, মধুপুর গড় ও লালমাই পাহাড় অন্যতম। এটি মোট ভূমির প্রায় ৮%।
৩. নব্য পলি গঠিত সমভূমি: সাম্প্রতিক কালে নদ-নদীর সঞ্চিত পলি দ্বারা গঠিত এই সমভূমি দেশের প্রায় ৮০% এলাকা জুড়ে রয়েছে।
শিমুল অপুষ্পক উদ্ভিদ নয়। শিমুল একটি সপুষ্পক (ফুল ও বীজ সৃষ্টিকারী) উদ্ভিদ, যা বৃহৎ বৃক্ষ হিসেবে পরিচিত এবং রেণুর পরিবর্তে ফুলের মাধ্যমে বংশবিস্তার করে থাকে।
মানবদেহের প্রতিটি কোষে ২৩ জোড়া বা মোট ৪৬টি ক্রোমোজোম থাকে
নাড়ির স্পন্দন প্রবাহিত হয় ধমনীর ভিতর দিয়ে। হৃৎপিণ্ডের সংকোচন ও প্রসারণের ফলেই মূলত ধমনীর গায়ে এই স্পন্দন বা ঢেউয়ের সৃষ্টি হয়, যা আমরা হাত বা শরীরের বিভিন্ন স্থানে অনুভব করে থাকি।
বাংলাদেশ ও মায়ানমারকে বিভক্তকারী প্রধান নদীটি হলো নাফ নদী। এটি বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব সীমান্তে কক্সবাজার জেলার টেকনাফ এলাকা এবং মায়ানমারের রাখাইন রাজ্যের মাঝে একটি প্রাকৃতিক সীমানা হিসেবে প্রবাহিত হয়ে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।
জব সলুশন