ভূমির অবস্থা ও গঠন সময়ের হিসেবে বাংলাদেশের ভূমিরূপকে কয় ভাগে ভাগ করা হয়?
ভূমির অবস্থা ও গঠন সময়ের হিসেবে বাংলাদেশের ভূমিরূপকে প্রধানত ৩টি ভাগে ভাগ করা হয়েছে। এগুলো হলো:
১. পাহাড়ি অঞ্চল: টারশিয়ারি যুগে গঠিত এই অঞ্চলটি দেশের দক্ষিণ-পূর্ব (যেমন: পার্বত্য চট্টগ্রাম) ও উত্তর-পূর্ব (যেমন: সিলেটের কিছু অংশ) প্রান্তে অবস্থিত। এটি মোট ভূমির প্রায় ১২%।
২. পুরাতন পলি গঠিত উঁচু ভূমি: প্লাইস্টোসিন যুগে গঠিত এই সোপান বা চত্বরগুলোর মধ্যে বরেন্দ্র ভূমি, মধুপুর গড় ও লালমাই পাহাড় অন্যতম। এটি মোট ভূমির প্রায় ৮%।
৩. নব্য পলি গঠিত সমভূমি: সাম্প্রতিক কালে নদ-নদীর সঞ্চিত পলি দ্বারা গঠিত এই সমভূমি দেশের প্রায় ৮০% এলাকা জুড়ে রয়েছে।
Related Questions
শিমুল অপুষ্পক উদ্ভিদ নয়। শিমুল একটি সপুষ্পক (ফুল ও বীজ সৃষ্টিকারী) উদ্ভিদ, যা বৃহৎ বৃক্ষ হিসেবে পরিচিত এবং রেণুর পরিবর্তে ফুলের মাধ্যমে বংশবিস্তার করে থাকে।
মানবদেহের প্রতিটি কোষে ২৩ জোড়া বা মোট ৪৬টি ক্রোমোজোম থাকে
নাড়ির স্পন্দন প্রবাহিত হয় ধমনীর ভিতর দিয়ে। হৃৎপিণ্ডের সংকোচন ও প্রসারণের ফলেই মূলত ধমনীর গায়ে এই স্পন্দন বা ঢেউয়ের সৃষ্টি হয়, যা আমরা হাত বা শরীরের বিভিন্ন স্থানে অনুভব করে থাকি।
বাংলাদেশ ও মায়ানমারকে বিভক্তকারী প্রধান নদীটি হলো নাফ নদী। এটি বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব সীমান্তে কক্সবাজার জেলার টেকনাফ এলাকা এবং মায়ানমারের রাখাইন রাজ্যের মাঝে একটি প্রাকৃতিক সীমানা হিসেবে প্রবাহিত হয়ে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।
বৈদ্যুতিক পাখা ধীরে ধীরে ঘুরলে বিদ্যুৎ খরচ একই হয়—এই ধারণাটি মূলত পুরনো দিনের রেসিস্ট্যান্স (Resistance) টাইপ রেগুলেটরের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য ছিল। সেই প্রযুক্তিতে পাখা আস্তে চালালেও অতিরিক্ত বিদ্যুৎ রেগুলেটরে তাপ হিসেবে অপচয় হতো
সূর্যে শক্তি উৎপন্ন হয় নিউক্লিয়ার ফিউশন (বা সংযোজন) পদ্ধতির মাধ্যমে। সূর্যের কেন্দ্রের প্রচণ্ড তাপমাত্রা ও চাপে ৪টি হাইড্রোজেন পরমাণুর নিউক্লিয়াস একত্রিত হয়ে ১টি হিলিয়াম পরমাণু তৈরি করে। এই সংযোজনের ফলে ভরের যে সামান্য ঘাটতি হয়, তা আইনস্টাইনের আপেক্ষিকতার সূত্র অনুযায়ী বিপুল পরিমাণ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়ে আলো ও উত্তাপ হিসেবে ছড়িয়ে পড়ে।
জব সলুশন