‘বটতলার উপন্যাস’ গ্রন্থের লেখকের নাম কী?

ক) দিলারা হাসেম
খ) রাজিয়া খান
গ) রিজিয়া রহমান
ঘ) সেলিনা হোসেন
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:

বটতলার উপন্যাস' গ্রন্থটির লেখক রাজিয়া খান। তার প্রকাশিত উল্লেখযোগ্য উপন্যাস হলো: 'অনুকল্প' (১৯৫৯) , 'প্রতিচিত্র' (১৯৭৬), 'চিত্রকাব্য' (১৯৮০) , 'দ্রৌপদী' (১৯৯৩), 'পদাতিক' (১৯৯৮)।

Related Questions

ক) সঞ্চয়
খ) কবীন্দ্র পরমেশ্বর
গ) শ্রীকর নন্দী
ঘ) কাশীরাম দাস
Note :

 কবীন্দ্র পরমেশ্বর মধ্যযুগীয় (১৬শ শতাব্দী) বাঙালি কবি। তিনিই সর্প্রবথম বাংলা ভাষায় সংস্কৃত মহাকাব্য মহাভারত অনুবাদ করেন। তিনি হোসেন শাহের সেনাপতি ও চট্টগ্রামের শাসনকর্তা পরাগল খাঁ-র সভাকবি ছিলেন।

ষোড়শ শতাব্দীতে গৌড়ের সুলতান আলাউদ্দিন হুসেন শাহের "লস্কর" (সেনাপতি) পরাগল খাঁ চট্টগ্রাম অধিকার করেন। গৌড়েশ্বর তাঁকেই চট্টগ্রামের শাসনকর্তা নিযুক্ত করেন। পরাগল খাঁ ছিলেন বিদ্যোৎসাহী ব্যক্তি। তিনি হিন্দু পুরাণের কাহিনী লোকমুখে শুনে উৎসাহিত হয়ে পরমেশ্বরকে এক দিনের মধ্যে শোনার উপযোগী করে বাংলায় মহাভারত রচনা করার নির্দেশ দেন। মূল মহাভারতের মোট শ্লোক সংখ্যা এক লক্ষ, তা এক দিনে শোনা কার্যত অসম্ভব। তাই তাঁর উপরোধে পরমেশ্বর উক্ত মহাকাব্যের কাহিনী সংক্ষেপ করে পাণ্ডববিজয় কাব্য রচনা করেন। পরাগল খাঁর নির্দেশে লিখিত বলে এই কাব্যের অপর নাম হয় পরাগলী মহাভারত। কাব্য লিখে পরমেশ্বর পরাগল খাঁ-র কাছ থেকে "কবীন্দ্র" উপাধি পান। 

ক) পৃথ্বী
খ) নীর
গ) ক্ষিতি
ঘ) অবনি
Note :

পৃথিবীর অন্যান্য সমার্থক শব্দ হলো - ধরা, ধরিত্রী, ধরণী, অবনী, মেদিনী, পৃ, পৃথ্বী, ভূ, বসুধা, বসুন্ধরা, জাহান, জগৎ, দুনিয়া, ভূবন, বিশ্ব, ভূ - মণ্ডল।

ক) ব্যঞ্জনধ্বনি
খ) স্বরধ্বনি
গ) নিপাতনে সিদ্ধ
ঘ) বিসর্গ সন্ধি
Note :

নিয়ম বহির্ভূত অথচ প্রচিলত এরকম কিছু্কেই নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি বলা হয়। যেমন - আ + চর্য = আশ্চর্য, মনস + ঈষা = মনীষা , ষট্ + দশ = ষোড়শ , পর + পর = পরস্পর ।

ক) আবদুল মান্নান সৈয়দ
খ) সৈয়দ আজিজুল হক
গ) আবু সয়ীদ আইয়ুব
ঘ) সৈয়দ শামসুল হক
Note :

-আবদুল মান্নান সৈয়দ ৩ আগস্ট ১৯৪৩ পশ্চিমবঙ্গের চব্বিশ পরগণার ইছামতি নদীর তীরে জালালপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন ।
-তিনি ছিলেন কথাসাহিত্যিক, প্রাবন্ধিক ও সাহিত্য সমালোচক ।
-তিনি 'আশোক সৈয়দ' ছদ্মনামে লিখতেন । তিনি 'পরাবাস্তব কবি' হিসেবেও খ্যাত ।

ক) বহুব্রীহি
খ) কর্মধারয়
গ) সুপসুপা
ঘ) অব্যয়ীভাব
Note :

ঈষৎ নত = আনত (অব্যয়ীভাব সমাস)। পূর্বপদে অব্যয়যোগে নিষ্পন্ন সমাসে যদি অব্যয়েরই অর্থের প্রাধান্য থাকে, তবে তাকে অব্যয়ীভাব সমাস বলে। সামীপ্য, পর্যন্ত, অভাব, অনতিক্রম্যতা, সাদৃশ্য, যোগ্যতা প্রভৃতি অর্থে অব্যয়ীভাব সমাস হয়।

ক) ফার্সি
খ) তুর্কি
গ) পর্তুগিজ
ঘ) আরবি
Note :

'উজবুক' শব্দটি তুর্কি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে।

বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত তুর্কি শব্দ:- উজবুক, বাবা, কাঁচি, কাবু, কুর্নিশ, কুলি, কোর্মা, চকমক, চাকু, তালাশ, বন্দুক, বাবুর্চি, বারুদ, খাতুন, , বেগম, লাশ, সওগাত ,মুচলেখা ইত্যাদি।

জব সলুশন

জুডিসিয়াল সার্ভিস কমিশন - অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক (27-02-2026)

বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড (BWDB) - উপ-সহকারী প্রকৌশলী/শাখা কর্মকর্তা (পুর)/প্রাক্কলনিক (06-02-2026)

সমন্বিত ৬ ব্যাংক - অফিসার (ক্যাশ) (31-01-2026)

৫০ তম বিসিএস প্রিলিমিনারি টেস্ট (30-01-2026)

বাংলাদেশ ডাক বিভাগ (পূর্বাঞ্চল) - পোস্টাল অপারেটর (23-01-2026)

বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস কমিশন - অফিস সহায়ক (17-01-2025)

Job Solution Live Exam Recent Job Solution 2026

আমাদের মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে শিখুন