’পরাগলী মহাভারত’ খ্যাত গ্রন্থের অনুবাদকের নাম কী?
কবীন্দ্র পরমেশ্বর মধ্যযুগীয় (১৬শ শতাব্দী) বাঙালি কবি। তিনিই সর্প্রবথম বাংলা ভাষায় সংস্কৃত মহাকাব্য মহাভারত অনুবাদ করেন। তিনি হোসেন শাহের সেনাপতি ও চট্টগ্রামের শাসনকর্তা পরাগল খাঁ-র সভাকবি ছিলেন।
ষোড়শ শতাব্দীতে গৌড়ের সুলতান আলাউদ্দিন হুসেন শাহের "লস্কর" (সেনাপতি) পরাগল খাঁ চট্টগ্রাম অধিকার করেন। গৌড়েশ্বর তাঁকেই চট্টগ্রামের শাসনকর্তা নিযুক্ত করেন। পরাগল খাঁ ছিলেন বিদ্যোৎসাহী ব্যক্তি। তিনি হিন্দু পুরাণের কাহিনী লোকমুখে শুনে উৎসাহিত হয়ে পরমেশ্বরকে এক দিনের মধ্যে শোনার উপযোগী করে বাংলায় মহাভারত রচনা করার নির্দেশ দেন। মূল মহাভারতের মোট শ্লোক সংখ্যা এক লক্ষ, তা এক দিনে শোনা কার্যত অসম্ভব। তাই তাঁর উপরোধে পরমেশ্বর উক্ত মহাকাব্যের কাহিনী সংক্ষেপ করে পাণ্ডববিজয় কাব্য রচনা করেন। পরাগল খাঁর নির্দেশে লিখিত বলে এই কাব্যের অপর নাম হয় পরাগলী মহাভারত। কাব্য লিখে পরমেশ্বর পরাগল খাঁ-র কাছ থেকে "কবীন্দ্র" উপাধি পান।
Related Questions
পৃথিবীর অন্যান্য সমার্থক শব্দ হলো - ধরা, ধরিত্রী, ধরণী, অবনী, মেদিনী, পৃ, পৃথ্বী, ভূ, বসুধা, বসুন্ধরা, জাহান, জগৎ, দুনিয়া, ভূবন, বিশ্ব, ভূ - মণ্ডল।
নিয়ম বহির্ভূত অথচ প্রচিলত এরকম কিছু্কেই নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি বলা হয়। যেমন - আ + চর্য = আশ্চর্য, মনস + ঈষা = মনীষা , ষট্ + দশ = ষোড়শ , পর + পর = পরস্পর ।
-আবদুল মান্নান সৈয়দ ৩ আগস্ট ১৯৪৩ পশ্চিমবঙ্গের চব্বিশ পরগণার ইছামতি নদীর তীরে জালালপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন ।
-তিনি ছিলেন কথাসাহিত্যিক, প্রাবন্ধিক ও সাহিত্য সমালোচক ।
-তিনি 'আশোক সৈয়দ' ছদ্মনামে লিখতেন । তিনি 'পরাবাস্তব কবি' হিসেবেও খ্যাত ।
ঈষৎ নত = আনত (অব্যয়ীভাব সমাস)। পূর্বপদে অব্যয়যোগে নিষ্পন্ন সমাসে যদি অব্যয়েরই অর্থের প্রাধান্য থাকে, তবে তাকে অব্যয়ীভাব সমাস বলে। সামীপ্য, পর্যন্ত, অভাব, অনতিক্রম্যতা, সাদৃশ্য, যোগ্যতা প্রভৃতি অর্থে অব্যয়ীভাব সমাস হয়।
'উজবুক' শব্দটি তুর্কি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে।
বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত তুর্কি শব্দ:- উজবুক, বাবা, কাঁচি, কাবু, কুর্নিশ, কুলি, কোর্মা, চকমক, চাকু, তালাশ, বন্দুক, বাবুর্চি, বারুদ, খাতুন, , বেগম, লাশ, সওগাত ,মুচলেখা ইত্যাদি।
-আলাওলের 'তোহফা' কাব্য গ্রন্থটি বিখ্যাত সুফী সাধক শেখ ইউসুফ গদা দেহলভীর 'তোহ্ফাতুন নেসায়েহ্'
নামক ফারসি গ্রন্থের অনুবাদ। 'তোহফা ' গ্রন্থটি কাব্যাকারে রচিত হলেও ধর্মীয় নীতিকথাই এতে রুপ লাভ করেছে।
জব সলুশন