কম্পিউটার ভাইরাস কি?

ক) একটি ক্ষতিকারক জীবাণু
খ) একটি ক্ষতিকারক চৌম্বক ফ্লাক্স
গ) একটি ক্ষতিকারক প্রোগ্রাম
ঘ) একটি ক্ষতিকারক সার্কিট
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:

এক ধরনের ক্ষতিকারক সফটওয়্যার বা প্রোগ্রাম যা ব্যবহারকারীর অনুমতি ছাড়াই নিজের কপি তৈরি করতে পারে, ফাইলের ক্ষতি করে এবং এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে ছড়িয়ে পড়ে। 

Related Questions

ক) নাইট্রিক এসিড
খ) হাইড্রোক্লোরিক এসিড
গ) এসিটিক এসিড
ঘ) সালফিউরিক এসিড
Note :

এসিটিক এসিড:

ভিনেগার এসিটিক এসিডের (CH3COOH) ৬-১০% ও পানির মিশ্রণে তৈরি | চিনি বা ইথানলকে গাজন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এসিটিক এসিডে পরিণত করা হয়। এটি সাধারণতঃ রান্নাকর্মে ব্যবহৃত হয়। এটি মদ কিংবা আপেলের রস দিয়ে উৎপন্ন এলকোহল, ফলের রস ইত্যাদি জাতীয় তরল পদার্থ সহযোগে ভিনেগার তৈরীতে ব্যবহার করা হয়। উক্ত তরলে ইথানল দ্রবীভূত হয়ে ভিনেগারে রূপান্তরিত করে। নির্দিষ্ট ব্যাকটেরিয়া ব্যবহার করে এটি প্রস্তুত হয়।

রান্নাকর্মে প্রায়শঃই আচার-চাটনী ও সালাদে এটি ব্যবহার করা হয়। ইতালীয় রান্নায় ভিনেগার, তৈল এবং লবণ আবশ্যকীয় উপাদান হিসেবে বিবেচিত। গৃহস্থালী পরিস্কার, পুড়ে যাওয়া, চিকিৎসায় পথ্য ইত্যাদি বহুবিধ ক্ষেত্রে এর স্বার্থক প্রয়োগ ঘটেছে।

ক) সাইট্রিক এসিড
খ) ল্যাকটিক এসিড
গ) নাইট্রিক এসিড
ঘ) এসিটিক এসিড
Note :

দুধে প্রাকৃতিকভাবে প্রধানত পানি, প্রোটিন, ফ্যাট, ল্যাকটোজ (শর্করা), এবং ক্যালসিয়াম থাকে।

ক) হর্টিকালচার
খ) পিসিকালচার
গ) সেরিকালচার
ঘ) এপিকালচার
Note :

মৌমাছির চাষ - এপিকালচার - মৌমাছির ল্যাটিন নাম হলো Apis.

• রেশমের (পোকার) চাষ - সেরিকালচার - সিল্ক এর ল্যাটিন নাম হলো Sericum.

• মৎস্য চাষ – পিসিকালচার - মাছের ল্যাটিন নাম হলো Pisci (Pisces).

• উদ্যানবিদ্যা – হর্টিকালচার - ল্যাটিন Hortus শব্দের অর্থ হলো বাগান.

• পাখীপালন বিদ্যা – এভিকালচার - পাখির ল্যাটিন নাম হলো Avis.

ক) জাতীয় পাখির নাম
খ) কৃষি সংস্থার নাম
গ) উন্নত জাতের গমের নাম
ঘ) কৃষি যন্ত্রের নাম
Note :

তের গম। এটি বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা কেন্দ্র বা সংশ্লিষ্ট কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠান কর্তৃক উদ্ভাবিত গমের উচ্চফলনশীল জাতগুলোর মধ্যে অন্যতম। 

ক) ৫০ হার্জ
খ) ২২০ হার্জ
গ) ২০০ হার্জ
ঘ) ১০০ হার্জ
Note :

যে তড়িৎ প্রবাহ নির্দিষ্ট সময় পরপর দিক পরিবর্তন করে তাকে পর্যাবৃত্ত প্রবাহ (Alternating Current) বলে।
-আমাদের দেশে বাসা বাড়িতে সরবরাহকৃত বিদ্যুৎ প্রবাহ প্রতি সেকেন্ডে ৫০ বার দিক পরিবর্তন করে।
- অর্থাৎ বিদ্যুতের ফ্রিকোয়েন্সি ৫০ হার্জ।

ক) ক্যাপাসিটর হিসেবে
খ) ট্রান্সফরমার হিসেবে
গ) রেজিস্টার হিসেবে
ঘ) রেক্টিফায়ার হিসেবে
Note :

রেক্টিফায়ার হিসেবে (Alternating Current বা AC-কে Direct Current বা DC-তে রূপান্তর করতে)। এটি একমুখী বিদ্যুৎ প্রবাহ নিশ্চিত করতে বিভিন্ন ইলেকট্রনিক সার্কিট ও পাওয়ার সাপ্লাইয়ে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। 

জব সলুশন

১৯ তম বিজেএস-সহকারী জজ 31-10-2026

মুদ্রণ ও প্রকাশনা অধিদপ্তর-অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক 30-10-2026

মুদ্রণ ও প্রকাশনা অধিদপ্তর- অফিস সহায়ক 30-10-2026

বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন-সহকারী প্রোগ্রামার /সহকারী রক্ষণাবেক্ষণ প্রকৌশলী 29-10-2026

প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়- সহকারী সাইফার কর্মকর্তা ২৮-১০-২০২৬

প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়- সাইফার কর্মকর্তা ২৮-১০-২০২৬

Job Solution Live Exam Recent Job Solution 2026

আমাদের মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে শিখুন