জনসংখ্যার ভিত্তিতে বিশ্বের সবচেয়ে বড় মুসলিম দেশ কোনটি?
জনসংখ্যার ভিত্তিতে বিশ্বের সবচেয়ে বড় মুসলিম দেশ ইন্দোনেশিয়া।
- ২০২৬ সালের তথ্য অনুযায়ী, ইন্দোনেশিয়ার মোট জনসংখ্যা প্রায় ২৮৭.৮৯ মিলিয়ন এবং মুসলিম জনসংখ্যা প্রায় ২৪২.৭ মিলিয়ন।
বিশ্ব জনসংখ্যা প্রতিবেদন ২০২৫
- এপ্রিল ২০২৫ সালে জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিল (UNFPA) বিশ্ব জনসংখ্যা প্রতিবেদন ২০২৫ প্রকাশ করে।
- ২০২৬ সালের ১লা জুলাই পর্যন্ত বিশ্বের মোট জনসংখ্যা প্রায় ৮.৩০ বিলিয়ন হওয়ার পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।
- ২০২৬ সালে বিশ্বের গড় আয়ু (উভয় লিঙ্গ) ৭৩.৮ বছর এবং মধ্যম বয়স ৩১.১ বছর।
শীর্ষ মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ (২০২৬ সালের আনুমানিক মুসলিম জনসংখ্যা অনুযায়ী):
- ইন্দোনেশিয়া: ২৪২.৭ মিলিয়ন
- পাকিস্তান: ২৪০.৮ মিলিয়ন
- ভারত: ২০০ মিলিয়ন (যদিও ভারতে মুসলিমরা সংখ্যালঘু, তাদের সংখ্যা বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম)
- বাংলাদেশ: ১৫০.৮ মিলিয়ন
- নাইজেরিয়া: ৯৭ মিলিয়ন
শীর্ষ ১০ জনবহুল দেশ (২০২৫ সালের শেষ নাগাদ জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী):
- ১. ভারত - ১.৪৭ বিলিয়ন
- ২. চীন - ১.৪২ বিলিয়ন
- ৩. যুক্তরাষ্ট্র - ৩৪.৭৮ কোটি
- ৪. ইন্দোনেশিয়া - ২৮.৬৩ কোটি
- ৫. পাকিস্তান - ২৫.৬২ কোটি
- ৬. নাইজেরিয়া - ২৩.৮৭ কোটি
- ৭. ব্রাজিল - ২১.৩ কোটি
- ৮. বাংলাদেশ - ১৭.৬২ কোটি
- ৯. রাশিয়া - ১৪.৩৮ কোটি
- ১০. ইথিওপিয়া - ১৩.৬৩ কোটি
সর্বশেষ আপডেটঃ ১৪ এপ্রিল, ২০২৬।
Related Questions
বাংলাদেশের মৌলভীবাজার জেলায় সবচেয়ে বেশি চা-বাগান রয়েছে। দেশের মোট চা বাগানের প্রায় অর্ধেক বা তার বেশি এই অঞ্চলেই অবস্থিত, যার একটি বড় অংশ শ্রীমঙ্গলে দেখা যায়।
১. বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার ডিজাইনারে - কামরুল হাসান।
২. জাতীয় পতাকার দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের অনুপাত - ১০:৬ বা ৫:৩ ।
৩. জাতীয় পতাকার লাল বৃত্তের মাপ - পতাকার ৪ ভাগের ১ অংশ।
৪. আমাদের জাতীয় পতাকার রূপকার - চিত্রশিল্পী কামরুল হাসান।
'আলোকিত মানুষ চাই' - এটি বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের স্লোগান । এর প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ।
দুটি উন্নত জাতের গমের নাম।
বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা মোট ৩২টি। এর মধ্যে ভারতের সাথে ৩০টি এবং মিয়ানমারের সাথে ৩টি জেলার সীমান্ত রয়েছে। একমাত্র রাঙামাটি জেলাটির ভারত ও মিয়ানমার উভয় দেশের সাথেই সীমান্ত রয়েছে। ভারতের সাথে সীমান্তবর্তী জেলাগুলো হলো: ময়মনসিংহ বিভাগের ৪টি- জামালপুর, শেরপুর, ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা; সিলেট বিভাগের ৪টি- সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ; চট্টগ্রাম বিভাগের ৬টি- চট্টগ্রাম, রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি, ফেনী, কুমিল্লা ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া; রংপুর বিভাগের ৬টি- কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট, নীলফামারী, দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও ও পঞ্চগড়; রাজশাহী বিভাগের ৪টি- রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ ও জয়পুরহাট এবং খুলনা বিভাগের ৬টি- মেহেরপুর, কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহ, যশোর ও সাতক্ষীরা এবং মিয়ানমারের সাথে রাঙামাটি, বান্দরবান, কক্সবাজার এ তিনটি জেলার সীমান্ত রয়েছে। সুতরাং কক্সবাজারের সাথে ভারতের কোনো সীমানা নেই।
রপ্তানি পণ্য হিসেবে চিংড়ির অপার সম্ভাবনা ও বহির্বিশ্বে ব্যাপক চাহিদার কারণে একে বাংলাদেশের ‘White Gold' বলা হয়।
-দেশের প্রথম চিংড়ি গবেষণা কেন্দ্রটি স্থাপিত হয় বাগেরহাটে ১৫ মার্চ ২০১১ সালে।
- খুলনা অঞ্চলকে চিংড়ি চাষের জন্য 'কুয়েত সিটি' বলা হয়।
- ১৯৭৬ সাল থেকে বাংলাদেশে বাণিজ্যিকভাবে চিংড়ি চাষ শুরু হয়।
- ৮০ দশক থেকে বিদেশে চিংড়ি রপ্তানি শুরু করে।
জব সলুশন