কোন জেলায় চা- বাগান বেশী?
বাংলাদেশের মৌলভীবাজার জেলায় সবচেয়ে বেশি চা-বাগান রয়েছে। দেশের মোট চা বাগানের প্রায় অর্ধেক বা তার বেশি এই অঞ্চলেই অবস্থিত, যার একটি বড় অংশ শ্রীমঙ্গলে দেখা যায়।
Related Questions
১. বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার ডিজাইনারে - কামরুল হাসান।
২. জাতীয় পতাকার দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের অনুপাত - ১০:৬ বা ৫:৩ ।
৩. জাতীয় পতাকার লাল বৃত্তের মাপ - পতাকার ৪ ভাগের ১ অংশ।
৪. আমাদের জাতীয় পতাকার রূপকার - চিত্রশিল্পী কামরুল হাসান।
'আলোকিত মানুষ চাই' - এটি বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের স্লোগান । এর প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ।
দুটি উন্নত জাতের গমের নাম।
বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা মোট ৩২টি। এর মধ্যে ভারতের সাথে ৩০টি এবং মিয়ানমারের সাথে ৩টি জেলার সীমান্ত রয়েছে। একমাত্র রাঙামাটি জেলাটির ভারত ও মিয়ানমার উভয় দেশের সাথেই সীমান্ত রয়েছে। ভারতের সাথে সীমান্তবর্তী জেলাগুলো হলো: ময়মনসিংহ বিভাগের ৪টি- জামালপুর, শেরপুর, ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা; সিলেট বিভাগের ৪টি- সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ; চট্টগ্রাম বিভাগের ৬টি- চট্টগ্রাম, রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি, ফেনী, কুমিল্লা ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া; রংপুর বিভাগের ৬টি- কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট, নীলফামারী, দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও ও পঞ্চগড়; রাজশাহী বিভাগের ৪টি- রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ ও জয়পুরহাট এবং খুলনা বিভাগের ৬টি- মেহেরপুর, কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহ, যশোর ও সাতক্ষীরা এবং মিয়ানমারের সাথে রাঙামাটি, বান্দরবান, কক্সবাজার এ তিনটি জেলার সীমান্ত রয়েছে। সুতরাং কক্সবাজারের সাথে ভারতের কোনো সীমানা নেই।
রপ্তানি পণ্য হিসেবে চিংড়ির অপার সম্ভাবনা ও বহির্বিশ্বে ব্যাপক চাহিদার কারণে একে বাংলাদেশের ‘White Gold' বলা হয়।
-দেশের প্রথম চিংড়ি গবেষণা কেন্দ্রটি স্থাপিত হয় বাগেরহাটে ১৫ মার্চ ২০১১ সালে।
- খুলনা অঞ্চলকে চিংড়ি চাষের জন্য 'কুয়েত সিটি' বলা হয়।
- ১৯৭৬ সাল থেকে বাংলাদেশে বাণিজ্যিকভাবে চিংড়ি চাষ শুরু হয়।
- ৮০ দশক থেকে বিদেশে চিংড়ি রপ্তানি শুরু করে।
১১০ একর জমির ওপর কারখানাটি প্রতিষ্ঠিত।
- নির্মাণ সামগ্রী রয়েছে ২০ একর জমির ওপর।
- ১৮৭০ সালে ওয়াগন ও বাষ্পচালিত ইঞ্জিন মেরামতের জন্য প্রতিষ্ঠিত হয় সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানা।
- ১৯০৩ সালে উৎপাদনে যায় প্রতিষ্ঠানটি।
- ১৯২৬ সালে ব্রডগেজ রেললাইনের গাড়ি মেরামতের জন্য কারখানার সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি করা হয়।
- ১৯৫৩ সালে ভারী যন্ত্রপাতি স্থাপনের মাধ্যমে পুনঃকার্যক্রম চালু করা হয়।
- ১৯৬৬ সালে কারখানাটি বগি ও ওয়াগন নির্মাণ শপ হিসেবে প্রতিষ্ঠা পায়।
- ১৯৯৩ সালে কারখানার কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়।
- ২০১০ সালে আধুনিকায়নের মাধ্যমে কারখানাটি ফের চালু করা হয়।
জব সলুশন